সাজু ভাই- সিরিজ নম্বর -০৩(গল্প:- সরি আব্বাজান)( সমাপ্ত গল্প) - অধ্যায় ১২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-52568-post-6080972.html#pid6080972

🕰️ Posted on November 18, 2025 by ✍️ Bangla Golpo (Profile)

🏷️ Tags: None
📖 1761 words / 8 min read

Parent
 পর্ব:- ১০ (সমাপ্ত) নিজামের লাশের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল লিমন, তারপর স্বাভাবিক ভাবে মাথা উঁচু করে ডান পাশে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে রইল। দুজন ব্যক্তি এসে নিজামের লাশ নিয়ে গেল, আর সেই খুনিটা তখন লিমনকে বললো:-  " তোমার সঙ্গে দেখা করার জন্য আমাদের বস এখানে আসছেন, তুমি তার সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত থেকো। "  আচমকা শক্ত হয়ে লোকটার দিকে অবাক হয়ে তাকাল লিমন, তার চোখে মুখে স্পষ্ট আশ্চর্য হবার ছাপ।  " লিমন বললো, সত্যি সত্যি কি তিনি আসবেন নাকি তার পরিবর্তে অনেক কাউকে পাঠাবে? " " বস নিজেই আসবে, কিন্তু তার আগে তোমার চোখ কালো কাপড় দিয়ে বাঁধা হবে। "  " চোখ বাধা হবে কেন? " " কারণ তিনি তোমার পরিচিত। "  আরও কিছুটা বিচলিত হয়ে লোকটার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। যদি পরিচিত কেউ হয় তবে আজকে কেন সামনে আসবে? তাহলে কি তিনিও পুতুলের লোভে? পুতুল তারর কাছে জেনে তিনি সামনে আসতে চাচ্ছেন, কিন্তু কীভাবে জানলো যে পুতুল লিমনের কাছে? লিমন তো শুধু সোহাগির কাছে সকাল বেলা বলেছিল, তাহলে কি... আরও ঘন্টা খানিক পরে লিমনের চোখ সত্যি সত্যি বেঁধে দিল, কিছুক্ষণ পর রুমের মধ্যে নতুন কারো আগমন অনুভব করলো। নতুন কেউ প্রবেশ করেছে সেটা বুঝতে পারছে কারণ আলাদা একটা ঘ্রাণ আসছে নাকের ডগায়।  " লিমন নিজেই বললো, আপনি তাহলে আমার সামনে এসেই গেলেন? তা বলেন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি? " " গম্ভীর কণ্ঠে জবাব এলো, এতদিনে তোমারও নিশ্চয়ই ধারণা হয়ে গেছে যে এতকিছুর পিছনে কোন জিনিস দায়ী হতে পারে। " কণ্ঠ বেশ পরিচিত, ঠিক মনে আসছে না। লিমন কিছু বলার চেয়ে চুপ করে কণ্ঠ শুনে চিনতে চেষ্টা করছে।  " অদৃশ্য থেকে আবারও বললো, কিছু বলছো না যে তুমি? বলো তো কারণ কি? " " চেয়ারম্যান সাহেব...? " " হো হো হো, বাহ চোখ বন্ধ তবুও তো বেশ চিনে গেছো আমাকে, বুদ্ধি আছে। সুপার। " " তাহলে কি আপনিই সেই অদৃশ্য বস? " " রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক কিছু শিখতে হয় লিমন, তোমার বাবাকে অনেক অনুরোধ করেছি পুতুলের জন্য কিন্তু সে কথা শোনেনি। আচ্ছা বাদ দাও তো, এবার বলো সেই পুতুল কোথায়? নাহলে তোমার মা-বাবার মতো তুমিও...! " " মেরে ফেলবেন? তাহলে পুতুল পাবেন? " " তোমার মা-বাবার মৃত্যুর পরে কিন্তু পুতুলের সন্ধান ঠিকই বের হয়ে গেছে। তুমি মরলেও ওটা ঠিকই বের হবে, এমনিতেই তোমার কাছে ধরা পরে গেছি। তাই তোমার এ জীবনে কোনদিন তুমি আর বাহিরের জগৎ দেখতে পাবে না। " " পুতুলের সন্ধান আমি দেবো, কিন্তু আমার কিছু প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। আমি জানি আমাকেও আপনি খুন করাবেন, কারণ এতকিছুর পরে যে আমাকে বাঁচিয়ে রেখে কোন রিস্ক নেবেন না সেটা ভালো করে জানি। "  " বেশ, বলো তোমার কথা। " " আমার মা-বাবাকে খুন করেছে কে কে? " " নিজাম ছিল, আরো ৩/৪ জন ছিল তবে তোমার চাচাতো ভাই মনিরুলও ছিল। " " মনির ভাই? "  " হ্যাঁ, নিজাম ওরা গেলে তো তোমার বাবা দরজা খুলবে না তাই মনিরুলের সাহায্য নিতে হয়েছে। মনিরুল তোমার বাবাকে ডেকে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করার পথ সুগম করেছে। " " তাহলে মনির ভাইকে খুন করালেন কেন? " " সাক্ষীদের বাঁচিয়ে রাখতে নেই, তাহলে পরবর্তী সময়ে নিজের বিপদ হয়ে যায়। তবে তোমার বন্ধু তৌহিদকে এতো সহজে রাজি করাতে পারবো সেটা ধারণা ছিল না। " " তৌহিদ...? " " তোমার বাড়িতে সেদিন রাতে তৌহিদ নিজেই আগুন লাগিয়েছে, কথা ছিল তোমাকে সেখানে পুড়িয়ে ফেলা। কিন্তু তোমার আরেকটা বন্ধু আগে জাগ্রত হয়ে গেছিল তাই তৌহিদ নিজেই চিৎকার করেছিল। তারপর মনিরুলের বাড়িতে তোমাকে অজ্ঞান করে মনিরুলকে খুন করে আমার লোকে আর দোষ হয়ে যায় তোমার। তোমার বাবার কবরের কাছে "সরি আব্বাজান" চিরকুট লিখে দিলাম। " " লিমন চুপচাপ। " " এবার বলো পুতুল কোথায়? " " তৌহিদ বেঈমানী করেছে আমার সঙ্গে, কিন্তু সে তো আপনার কথা মতো চলছিল। " " পাঁচ লাখ টাকার লোভ দিছিলাম, আর তৌহিদ নিজে ভয় পেয়েছে সাজু সাহেবকে দেখে। কিন্তু এ পরিকল্পনার মধ্যে সাজু সাহেব কিছুই করতে পারে নাই হাহাহা হাহাহা। " " সাজু ভাই খুবই অসুস্থ নাহলে ঠিকই এতদিনে সবকিছু বের করতে পারতেন, গতকাল রাতে তার কাছ থেকে পুতুল আনতে গিয়ে বুঝতে পারছি। " " কথা বেশি হয়ে যাচ্ছে, বলো পুতুল কোথায়? " " শেষ প্রশ্ন, নিজামকে সরালেন কেন? " " তুমি গতকাল রাতে আমাকে খুন করার জন্য কেন গিয়েছিলে? " " নিজাম উদ্দিন বলেছিল তাই। "  " তাহলে এবার ভাবো, আমার লোক হয়ে নিজাম আমাকে খুন করার জন্য তোমাকে পাঠায়। তার পরিকল্পনা ছিল তোমাকে দিয়ে আমাকে হত্যা করতে চাইবে, তারপর সে পুতুলটা ভোগদখল করবে। কিন্তু আমার সঙ্গে চালাকি? " " আপনি গতকাল রাতে সাজু ভাইয়ের জন্যই বেঁচে গেছেন নাহলে ঠিকই এখন লাশ হয়ে মরার খাটে থাকতেন। " " সামনে এমপি নির্বাচন করার ইচ্ছে করছে তাই প্রচুর টাকার দরকার, এই সন্ত্রাসী গ্রুপের জন্যও আমার মাসে মাসে অনেক খরচ। পুতুলটা বিক্রি করে আমি আমার স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাবো, সে পথে কারো বাঁধা মানবো না। সকাল বেলা দারোগা যখন কল দিয়ে বললো যে তুমি নাকি পুতুল নিয়ে এসেছ সাজুর কাছ থেকে তখন তো আমার আনন্দের সীমা নেই। "  " ভুল পথে চললে কোনদিন গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না চেয়ারম্যান সাহেব। সঠিক পথে কষ্ট হলেও চলা উচিৎ, কারণ সেখানে সফলতা আছে, কিন্তু ভুল পথে যতটা সামনে যাবেন ততটাই কিন্তু ভুলের গভীরে তলিয়ে যাবেন। "  " জ্ঞান হজম করার কোন সময় নেই, তাড়াতাড়ি পুতুলের ঠিকানা... " সম্পুর্ণ কথা শেষ হবার আগেই রুমের মধ্যে হুট করে কয়েকটা গুলির শব্দ হলো। রুমের মধ্যে হঠাৎ কেমন হট্টগোল হতে লাগলো, হাতপা বাঁধা লিমন কিছুই বুঝতে পারলো না। রুমের মধ্যে যারা ছিল তাদের গোঙানির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে কিন্তু মারলো কে?  বেশিক্ষণ ভাবতে হলোনা তার, ততক্ষণে নাসরিন তার চোখের কাপড় খুলে দিল। এরপর এক এক করে হাতপায়ের বাধন খুলে বললো, " তাড়াতাড়ি পালাতে হবে, নাহলে কিন্তু আবার কেউ আসতে পারে। " রুমের মধ্যে তিনটা লাশ পরে আছে, চেয়ারম্যান সাহেবের দিকে তাকিয়ে লিমন খানিকটা ভাবনার মধ্যে হারিয়ে গেল। নাসরিনের দিকে তাকিয়ে সে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলো, মা-বাবার মৃত্যুর জন্য দায়ী সবাই শেষ।  ★★ মাঝখানে খুশির খবরটা জানাই,  আমার বোনের মেয়ে বাবু হয়েছে, বাচ্চা একটু অসুস্থ তাই সবাই দোয়া করবেন। মা ও সন্তান দুজনেই যে ভালো থাকে।  ★★ বাগেরহাট বাসস্ট্যান্ডে বাসের মধ্যে পাশাপাশি বসে আছে নাসরিন ও লিমন। লিমনের মুখে মাস্ক আর নাসরিন * পরিহিত, দুজনেই একসাথে খুলনার দিকে যাচ্ছে। প্রচুর পিপাসা অনুভূত হচ্ছে লিমনের, নাসরিন তার ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে এগিয়ে দিয়ে বললো, " বাসায় ফ্রিজে লেবুর সরবত বানানো ছিল, তাই নিয়ে আসলাম সঙ্গে করে, খাবে তুমি? " " খুব পিপাসা লেগেছে। " " তাহলে খাও। "  বাস চলছে, পাশাপাশি বসে আছে নাসরিন ও লিমন। বাসের ধাক্কায় কিংবা গতকাল রাতে ভালো ঘুম না হবার জন্য চোখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নাসরিন এর কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেল লিমন, শরীর বেশ দুর্বল মনে হচ্ছে। হঠাৎ করে ঘুমের মধ্যে সে শুনছে তার কানের কাছে নাসরিন ফিসফিস করে বলছে,  " এটা তোমার জীবনের শেষ ঘুম, তুমিও তোমার মা-বাবার কাছে চলে যাচ্ছ। এতদিন পর আমি আমার পরিকল্পনায় সফল হলাম, কিন্তু আফসোস হচ্ছে কারণ নিজামকে ওরা মেরে ফেলেছে। " লিমনের তখন চিৎকার করে কিছু বলতে ইচ্ছে করছে কিন্তু পারছে না, বাস ভর্তি মানুষ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাসটা। চারিদিকে কত মানুষ বসে কিংবা দাঁড়িয়ে, কিন্তু লিমন তাদের সাহায্য নিতে পারছে না। তারমানে নাসরিন নিজেও পুতুলটা আত্মসাৎ করতে চেয়েছে? নিজাম উদ্দিন আর সে একসঙ্গে আলাদা পরিকল্পনা করেছে।  । । লিমন যখন চোখ মেলে তাকালাে তখন সে শুয়ে আছে হাসপাতালের বিছানায়। তার সামনেই বসে আছে সাজু ভাই, একজন পুলিশও দাঁড়িয়ে আছে সাজু ভাইয়ের সঙ্গে।  " সাজু ভাই বললেন, কি খবর লিমন? " " জ্বি ভাই, আপনি এখানে? " " তুমি আমাকে হাত-পা বেঁধে রেখে আসছো বলে তো আমি পিছিয়ে যেতে পারি না তাই না? " " কিন্তু...! " " আমি কীভাবে পৌছলাম? " " হ্যাঁ। " " নাসরিন মেয়েটা এখন পুলিশের কাছে বন্দী আছে, তোমাকেও গ্রেফতার করা হবে। " " জানি। " " তুমি কি নাসরিনের চালাকি বুঝতে পারো নাই! " " কিরকম? " " ঝড়ে আম পরে, আর সেই আম বাহিরের কেউ কুড়াতে আসলে যেমন হয়, সেরকম। " " মানে? " " তুমি যে পুতুল আমার কাছ থেকে এনেছিলে সেই পুতুলটা নকল, আসল পুতুল এখনো আমার কাছেই আছে। আমি ওই নকল পুতুলের মধ্যে লোকেশন ট্র্যাকিং করার ছোট্ট মেশিন সেট করে দিছিলাম। যদিও সেটা আমার ঘরে বসে তৈরি করা ছিল ডিজিটাল হাতঘড়ির মাধ্যমে। তারপর থেকে অপেক্ষায় ছিলাম ওটা কোথায় থাকে সেটা জানার জন্য। কিন্তু তুমি তো চালাকি করে ওটা বাসস্ট্যান্ডের অদূরে ডাস্টবিনের পাশে লুকিয়ে রেখে গেলে। " " হ্যাঁ সাজু ভাই, আমার ইচ্ছে ছিল ওদের হত্যা করে পালিয়ে চলে যাবো তাই এখানেই রেখে গেছিলাম। তারপর নাসরিনের সঙ্গে এসে পুতুল বের করে দুজনেই বাসে উঠে বসলাম। " " কিন্তু নাসরিন নিজেও পুতুলের লোভে ছিল, তার কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞেসা করে জানলাম যে, সে আর নিজাম উদ্দিন পরিকল্পনা করেছিল পুতুল নিজেরা দখল করবে। তারপর সেই পুতুল নিয়ে তারা পালিয়ে যাবে, মূলত তোমাকে চেয়ারম্যান সাহেব ও আইনের চোখে অপরাধী করে তারা নীরবে পালাতে চাইছে। কিন্তু...!  " কিন্তু সবকিছু আপনার জন্য ভেঙ্গে গেল কারণ সেদিন আপনি চেয়ারম্যান সাহেবের বাড়িতে পুলিশ নিয়ে গেলেন। আর আমি তাকে খুন করতে পারি নাই, চেয়ারম্যান জেনে গেল যে তাকেই নিজাম উদ্দিন আমাকে দিয়ে হত্যা করতে চায়। " " হ্যাঁ, আর সেজন্য তার হুকুমে নিজাম উদ্দিন খুন হয়ে গেল, এদিকে নাসরিন কিছু করতে পারছিল না তাহলে তাকেও মরতে হবে। সেজন্যই নাসরিন সুযোগ খুঁজে বের করে, আর তোমার সঙ্গে তারা কথা বলার সময় পিছন থেকে ঢুকে মুহূর্তের মধ্যে সবাইকে শুইয়ে দেয়। " " আমি নিজের জন্য ভাবছি না সাজু ভাই, কিন্তু তৌহিদের জন্য খুব খারাপ লাগছে। শত্রুদের সঙ্গে মিলে বেঈমানী করেছে ঠিকই কিন্তু তবুও কেন যেন খুব খারাপ লাগছে। " " তৌহিদ আমাকে অনেককিছুই বলে গেছিল, সেদিন বিকেলে আমার মোবাইল পুকুরে না পরে গেলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম। মনিরুল আর তোমার বাড়ি আগুন লাগানোর কথা সে নিজে আমাকে লিখে জানিয়ে গেছে। আর সেই কারণে সেদিন রাতে চেয়ারম্যান সাহেবের বাড়ি গেছিলাম। " " বুঝতে পারছি। " " তুমি বিশ্রাম করো, যা হবার তা হইবে, আপাতত সুস্থ হয়ে ওঠো। " " সুস্থ হয়ে লাভ কি? দুদিন পরে তো ফাঁসি হয়ে যাবে কারণ আমি খুনি। " " সেটা নাহয় আইন ঠিক করবে। "  সাজু ভাই বেরিয়ে গেল, লিমন আবার তার চোখ বন্ধ করে রাখলো। বন্ধ চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে তার বাবা, কল্পনার মধ্যে নিজের বাবার সঙ্গে কথা বলছে। বাবা তাকে বকাবকি করছে, হঠাৎ করে কান্না করছে, কেন সে নিজের হাতে খুন করেছে? হঠাৎ করে বাবার পাশে অদৃশ্য কিছু দেখা যাচ্ছে, এটা কি তার মা? মা, ও মা..?  শোয়া থেকে উঠে বসলাে লিমন, চারিদিকে তাকিয়ে কিছু দেখতে পেল না। চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গেল, বাবার মুখটা স্মরণ করে বিড়বিড় করে বললো  " আমি তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারি নাই বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দিও * সরি আব্বাজান *।  সমাপ্ত।  {লেখকের কিছু কথা} গল্পটা সাজু ভাই সিরিজের মধ্যে হয়তো বেশি পরে না কারণ রহস্য খুবই কম ছিল। কিন্তু সত্যি বলতে আমি এটা এভাবেই পরিকল্পনা করে রেখেছি তাই সেভাবেই শেষ করলাম। যেহেতু সাজু ভাইয়ের উপস্থিতি আছে তাই সাজু ভাই সিরিজের মধ্যে রাখলাম। আসলে রহস্য গল্প লিখতে গেলে সেটা একসঙ্গে লেখা উচিৎ, এতদিন ধরে লিখলে সেই গল্পের অনেক পয়েন্ট ভুলে যাই। সারাদিন কত ব্যস্ততা যায়, তবুও চেষ্টা করা হয়েছে।  আমি রহস্য গল্প লিখতে খুবই কাঁচা, তাই বেশি রহস্য আনতে পারি না। আস্তে আস্তে সবকিছু পারবো বলে আমার বিশ্বাস, দোয়া করবেন যেন আরও গভীর চিন্তা করতে পারি।    লেখা:- মোঃ সাইফুল ইসলাম (সজীব)
Parent