বন্ধুত্ব ( বন্ধুর সাথে মা এবং বউ অদল বদল) - অধ্যায় ২
সবাই মিলে হোটেলে চলে এলাম। ঢুকতে ঢুকতে ভাবী বলল আজকে আমি রান্না করছি আমাদের সাথে আপনারাও খাবেন দাদা, কি বৌদি খাবেন তো আমার রান্না।
রমাঃ না আমি রান্না করে রেখে গেছি পরে দেখা যাবে আজকে না।
ভাবী- বলল তবে আমাদের আপনার খাওয়াতে হবে বৌদি।
রমাঃ আচ্ছা দেখি কালকেই না হয় খাওয়া যাবে কি গো কি বল।
আমি- ভালই হবে একসাথে খাওয়া যাবে সবাই মিলে।
চাচী- যাক বাবা তুমি ছিলে বলে রক্ষা আমার ছেলে তো ভয় পেয়েছিল কি বলবে বুঝবে না বুঝবে তোমাকে পেয়ে খুব ভালো হল বাজান। বিকেলে আমাদের রুমে এস তোমরা কেমন।
আমরা অল্প সময়ের মধ্যে ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম। রুমে এসে আমরা খাওয়া দাওয়া করতে করতে ওদের কথা বলতে লাগলাম।
রমাঃ যাক আমাদের পেয়ে ওরা খুব খুশী হয়েছে কি বল, যেমন ভাবী মিশুকে তেমন জয়নাল ভাই সবাই ভালো আর মেয়েটা দেখেছ তোমার ছেলেকে নিয়ে কত আদর করল। ওরা খুব ভালো। এই বিকেলে একসাথে ঘুরতে যাবো। ভাবির সাথে কথা হয়েছে। ভাবীকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড করে নিয়েছি। জয়নাল ভাইকেও।
আমি- ভালই করেছ বাইরে এসে তাই একটা পারিবাকির বন্ধু হল তাই না।
রমাঃ ভাবী তোমাকেও ফ্রেন্ড রিকয়েস্ট পাঠিয়েছে তুমি নিয়ে নিও, আমি ওদের দুজনকেই নিয়েছি।
আমরা এর পর সবা মিলে খেয়ে নিয়ে বিছানায় গেলাম ছেলে তো গেম খেলে যাচ্ছে, আর আমার ছেলেটার আসল রোগ হল মোবাইল পেলে কোথায় কি হয় সে দিকে খেয়াল নেই। এরপর আমরা একটু ঘুমাল ছেলে গেম খেলেই গেছে। বেলা ডুতোর মধ্যে রুমে এসেছি এরপর সারে ৪ টে বাজতেই জয়নাল আমার ফোন করল কি দাদা ঘুমাচ্ছেন নাকি বেলা পরে গেছে চলেন ঘুরে আসি।
রমা- শুনেই আমার হাত থেকে মোবাইল নিয়ে হ্যা ভাই আসবো আমরা আপনারা রেডি হোন আমরা বের হচ্ছি। বলে নিজেই উঠে একটা চুড়িদার পড়ল, খুব সেক্সি গতবারে পুজোয় কিনে দিয়েছিলাম। খুব সেক্সি লাগছে। আমাকে বলল কি গো ঠিক আছে তো দ্যাখ।
আমিঃ হুম দারুন এটা তো আমি পছন্দ করে কিনে দিয়েছিলাম, জয়নাল বউদিকে দেখলে তো পাগল হয়ে যাবে যা লাগছে না তোমাকে।
রমাঃ ও শুধু আমাকে দেখবে তাইনা, তুমি তো কেমন হ্যাংলার মতন ভাবির দিকে তাকিয়ে ছিলে আমার চোখ এড়াতে পেড়েছ, ভেবেছ আমিও দেখেছি কেমন মজার গল্প করছিলে ভাবীর সাথে।
আমি- যাও তুমি কি যে বল ভাবী * পরা দেখে কিছু বোঝা যায়। সব ঢাকা। তবে আমার বউর মতন সুন্দরী হবেনা।
রমা- নাগো দারুন দেখতে ভাবী, ফিগার দারুন পাশাপাশি বসে ছিলাম তো অনেক কথা হয়েছে। ওরা আমাদের মতন প্রেম করে বিয়ে করেছে, যদিও ভাবী জয়নালের মাসতুতো বোন। মাসীর মেয়ে।
আমি- এটা আমার খারাপ লাগে নিজের বোনকে বিয়ে করেছে।
রমা- এই বাবা এবার মোবাইল রেখে চল ঘুরে আসি।
ছেলেঃ না আমি যাবনা তোমরা যাও আমি রুমে আছি লেভেল শেষ করতে হবে আমার।
আমি- না বাবা চলো একা রেখে যাবো বাইরে ঘুরলে ভালো লাগবে ওই দিদিও যাবে চলো বাবা।
ছেলেঃ আচ্ছা দিদি যাবে তবেঁ যাবো বলে রেডি হল।
সবাই মিলে বের হলাম আর ওরা এল। সবাই মিলে পাশে গেলাম। একটা কেল্লা আছে ওখানে মাঠের ভেতরে গিয়ে বসলাম। কিছু সময় পরে ওদের খাবার জিনিস পপকরন কিনে দিলাম।
রমা- এই চলনা পাশে গিয়ে কয়টা ফটো তুমি বলে দুজনে উঠেই জয়নাল এবং ভাবী উঠ এল আমাদের সাথে। আমরা দুজনে দাঁড়ালাম আর জয়নাল আমাদের ছবি তুলে দিল। এরপর ওরাও দাঁড়ালো আমি তুলে দিলাম। রমা এই আমার আর ভাবীর ছবি তুলে দাও। বলে দুজনে গলা জরিয়ে ধরে দাঁড়ালো আমি ছবি তুলে দিলাম। রমা যখন ভাবীকে জরিয়ে ধরে দুধ দুটো এবার ভালই বোঝা যাচ্ছে বাঃ বউমা শাশুড়ির সাইজ একরকম। দেখে মনে মনে ভাবলাম ইস যদি এমন মাল পাওয়া যেত একদিন তো করা যেত।
আমিঃ মনে মনে বললাম একদিনে কত গাড় বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। এরপর জয়নাল বলল এই তোমরা তুললে এবার আমাদের দুই বন্ধুর তুলে দাও, তোমরা বান্ধবী হয়ে গেলে আমাদের সৃতি তাহকুক বলে আমার হাত ধরে দুজনে দাঁড়ালাম। রমা আমাদের ছবি তুলল।
জয়নালঃ সত্যি ভাই আমরা ভাগ্যবান এমন বউ পেয়েছি, বৌদি খুব ভালো কত সুন্দর আমাদের আপন করে নিয়েছে কি তাইত আপনি আবার রাগ করেননি তো।
আমিঃ আরে না না এক পক্ষ থেকে হয় নাকি আপনারা সাথ দিয়েছেন বলেই তো এমন হল।
জয়নালঃ সত্যি ভাই বৌদি খুব সুন্দরী দারুন দেখতে আর কত হাসি খুশী। আপনারা বিবাহিত জীবনেও অনেক খুশী দেখে মনে হয়।
আমিঃ তা যা বলেছেন আমার কোন সমস্যা নেই, আর ওর কথা কি বলব অল্পতেই সবাইকে আপন করে নেয়। আর আপনি ভালো বলেইও তো এমনভাবে আমরা মিশতে পারছি। বাংলাদেশী লোক আমার ভালো লাগে আপনারা অনেক আপ্যাওন করতে পারেন আমাদের এখানে একটু সংকোচ করে তেমন আপনারা।
জয়নালঃ কি যে বলেন ভাই একদিনে আমাদের এমন আপন করে নিয়ে এমন কথা বলবেন না এতে লজ্জা লাগে, দেখেন তো বৌদি আর সুফিয়া কেমন নিবিড় ভাবে গল্প করছে। আর আপনার ছেলে তো আমার মেয়েকে দিদি বলে কেমন আপন করে নিয়েছে আমার আম্মু ওদের নিয়ে কত গল্প করছে।ভালো হ্লে ভালো বলতে আমার কোন অসবিধা নেই বৌদি খুব ভালো।
আমিঃ তা যা বলেছেন ভাই আমার বউ খুব ভালো আর সেক্সিও। আমরাও প্রেম করে বিয়ে করেছি।
জয়নালঃ তাই তো এরজন্য আপনাদের এত মিল শুনে খুব ভালো লাগল, আমরাও প্রেম করতেছি বউদিকে তো সুফিয়া বলেছে আপনাকে বলেনি। যদিও জানেন তো আমাদের মধ্যে ভাইবোনে বিয়ে হয় ও আমার মামাতো বোন।
আমি” হ্যা বলেছে। সত্যি অবাক লাগে আপনারা ভাইবোনে বিয়ে করেছেন, এটা আমাদের মধ্যে সম্ভব না। মায়ের ভাইজি হয় তাই না।
জয়নালঃ আরে ভাই বলবেন না আমাদের মধ্যে তো চাচাতো বোনকেও বিয়ে করে আর ও তো আমার মামাতো বোন, এমন কি চাচীকেও বিয়ে করে জানেন, এটা আমাদের বৈধ।
আমিঃ না ভাই আমাদের মধ্যে অনেক কিছু বাছা হয় বুঝলেন এসব কোনদিন সম্ভব না।