বন্ধুত্ব ( বন্ধুর সাথে মা এবং বউ অদল বদল) - অধ্যায় ৮

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71516-post-6094079.html#pid6094079

🕰️ Posted on December 8, 2025 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 652 words / 3 min read

Parent
আমিঃ সত্যি ইয়ার্কি নাকি মনে মনে অন্য কিছু চাও তুমি, আমার জন্য তুমি যা করেছ স্বামী হিসেবে তোমাকে আমার কিছু করে দেওয়া উচিৎ। যদি মনে ইচ্ছে থাকে আমাকে বলতে পারো। রমাঃ তুমি না কি যে ভাবো, আমাকে এই ভাবো তুমি না না এ ঠিক না আমি এওসব একদম ভাবিনা। এমনি তুমি যেমন ইয়ার্কি করেছিলে আমিও তাই তার বেশী কিছু না, নাও কথা বাদ দিয়ে জামা প্যান্ট খুলে রেডি হও। আমিঃ কি গো এখুনি খেলবে নাকি। রমাঃ আবার ছেলেকে খেতে দেবো না কালকে ব্লাড দিতে হবে সে খেয়াল আছে সারাদিন শুধু ওই এক কথা। ছেলে ঘুমাক দেবো তোমাকে দেব না তো কাকে দেবো। সকালেও বের হবার আগে দিলে মন ভরেনি। আমিঃ আমার মালখানা এমন যতই দেই না কেন মন ভরেনা। রমাঃ হয়েছে হয়েছে নাও হাত মুখ ধুয়ে এস আমি নাইটি পরে নিচ্ছি ছেলে দ্যাখ সেই মোবাইল নিয়ে পরে আছে। এই বাবা আয় এবার খাইয়ে দেই বলে হাত মুখ ধুয়ে বসে পড়ল ছেলেকে নিয়ে। আমিঃ কি আর করা যাবে হাত মুখ ধুয়ে এসে বসলাম। ছেলের খাওয়া হল ওর মা বলল বাবা আজকে আর মোবাইল না এখুন ঘুমাও কালকে যেতে হবে সকাল সকাল। ছেলেঃ মা একটু গেম খেলে নেই তারপর ঘুমাবো। আমি- ঠিক আছে ৯ টা পর্যন্ত তারপর ঘুমাবে। ছেলেঃ ঠিক আছে বাবা তাই হবে তোমরা খাবেনা। রমাঃ না বাবা তোমার বাবা বাড়ি আসে রাতে তাইনা তাই পরে খাবে এখুনি না তুমি ঘুমাবে তারপর খাবে। তোমাকে সকালে যেতে হেবনা তাই তোমাকে আগে খেতে দিলাম। একটু পরেই দরজায় নক। রমাঃ উঠে দরজা খুলতেই দেখি জয়নাল আর ভাবী এসে উপস্থিত। জয়নালঃ কি হচ্ছে ভাই দুজনে জমিয়ে গল্প হচ্ছে বুঝি। তমাএ ভাবী দেয়র কে দেখবে বলে বলল চলো দেখা করে আসি। এবার দ্যাখ তোমার নাকি আবদার ভাবীকে *য় দেখতে পাও না তাই তো নাইটি পরে চলে এল।   রমাঃ কি বলছেন ভাই দেখেন আপনার ভাই শুনেই কেমন লজ্জা পাচ্ছে, এত সুন্দর বউ আড়ালে রাখা ভালো না হলে নজর দেবে অন্য লোকে। সত্যি ভাবী আপনাকে দেখলাম দারুন দেখতে আপনি। সুফিয়াঃ রমার হাত ধরে বসে পরে এই বাবা কি হচ্ছে এখনও গেম দিদি কিন্তু ঘুমিয়ে পড়েছে দাদীর সাথে তুমি ঘুমাবে না। ছেলেঃ উঃ আন্টি কি করলে তুমি দিলে তো আমাকে হারিয়ে না আবার শুরু করতে হবে বলে আবার গেম চালূ করে দিল। রমাঃ ভাবী ওর সাথে কথা বলনা তো শেষ না করে উঠবেনা। তা বল তোমাদের খাওয়া হয়েছে। সুফিয়াঃ না খাইনি আম্মুকে আর মেয়েকে খাইয়ে রুমে দিয়ে তবে এলাম তোমাদের খাওয়া হয়েছে নাকি। রমাঃ না না ১০ শ টার আগে আমরা খাই না তাইতো অপেক্ষা করছি এত আগে খেলে বাবুর আবার রাতেই খিদে পায়। সুফিয়াঃ রমার বুকের দিকে তাকিয়ে রাতে এ দুটো খেলেও পেট ভরেনা বুঝি। বলে খিল খিল করে হেঁসে দিল। আবার বলল না আমার মিয়াঁ ভালো আছে একবার ভালো করে খেলে আর লাগেনা কি মিয়াঁ বলনা কেন তোমার বৌদি কে। এই দ্যাখ কেমন মুখ করছে কি দাদা ইয়ার্কি করছি বলে। আমিঃ আরে না ভাবী এটাই আমাদের বেঁচে থাকার সম্পদ ইয়ার্কি হাসিখুশী থাকলে বেশীদিন বাচা যায়। জয়নালঃ একদম ঠিক কথা ভাই হাসিখুশী না থাকলে বেঁচে লাভ কি দুইদিনের জীবন যত পারো খুশী আর আনন্দ করে যাও। আমি- ভাই আপনার কপাল ভালো এত সুন্দর বউ পেয়েছেন, ভাবির রুপ গুনের তুলনা হয়না। সবাইকে নিয়ে ভালই আছেন তাইনা। জয়নালঃ ভাই আমাদের দেশে তোমার মতন একটা বন্ধু এখনও পাই না আর এখানে এসে এমন পরিবার পাবো কোনদিন কল্পনা করিনি কি সুফিয়া কি বল তুমি। সুফিয়াঃ সত্যি রমা বৌদি তোমাদের মতন কারো সাথে দেখা হবে এমন সময় কাটবে কল্পনাও করিনি, আম্মু তো দাদা অনেক প্রশংসা করেছে খুব ভালো ছেলে। আম্মুকে আপনি ধরে তুলে নিয়ে এসেছেন অনেক জত্ন করে যাতে তার কষ্ট না হয়। জয়নালঃ সত্যি ভাই আম্মুর উপরে তুমি যাদু করেছ সব সময় তোমার কথা বলছিল। তুমি যেভাবে আম্মুকে নিয়ে এসেছ আম্মু খুব খুশী। অনেকবার তোমার কথা বলেছে, আম্মুর ইচ্ছে তোমাদের বাড়ি বেড়িয়ে তারপর বাড়ি যাবে মানে তোমার মায়ের সাথে দেখা না করে সে যাবেনা। আমিঃ বেশ ভালো কথা আমরা একসাথে যাবো আমাদের বাড়ি দুইদিন বেড়িয়ে তারপর যাবে কি গো কি বল। রমাঃ যাক ভালই হল আমিও ভাবছিলাম আপনাদের যাওয়ার সময় বাড়ি নিয়ে যাবো। জয়নালঃ ভাই একটা কথা দিতে হবে তোমরা আমাদের দেশে বেরাতে যাবে।
Parent