দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ১

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71979-post-6118259.html#pid6118259

🕰️ Posted on January 8, 2026 by ✍️ familymember321 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 594 words / 3 min read

Parent
বোনের বিয়ে হয়ে গেল ধুমধাম করে। এবার আমরা একটু ফিরি হলাম। খুব ধকল গেল আমাদের উপর দিয়ে একটা বিয়ে শেষ করা চাট্টিখানী কথা নাকি। ঘরে আমি বাবা আর মা তিনজনে বসে এই নিয়ে কথা হচ্ছিল যাক ভালো পাত্র পেয়েছি, বোনের বর ভালো চাকরি করে নেভিতে। ছুটিতে বাড়ি এসে বিয়ে করল। দুইমাস থাকবে তারপর আবার চলে যাবে। বোনকে নিয়ে হানিমুনে গেছে। সেও আবার সিমলা। ঠান্ডার জায়গা। যদিও আমি সব ব্যাবস্থা করে দিয়েছি, টিকিট হোটেল সব আমি বুক করে দিয়েছি।   এবার একটু পরিচয় দেই। আমি বিজয় আমার বয়স এই ২৪ বছর চাকরি করি। আমার বাবার নাম রবীন বয়স ৫৪ বছর। আমার মায়ের নাম সান্তনা বয়স ৪৫ বছর। আর ছোট বোন বিয়ে হয়ে গেল ওর নাম পম্পা বয়স এই ২০ বছর। আমার দাদু ঠাকুমা নেই দুজনেই মারা গেছেন। এটা হল পরিচয় আমাদের। বাবা- বলল না অনেক ধকল গেল এবার একটু বেরাতে যাবো কি গো কি বলো যাবে নাকি বেড়াতে। মা- কি সত্যি বেড়াতে যাবে গেলে মন্দ হয়না চলো কোথাও থেকে দুই তিনদিন ঘুরে আসি কি বলিস বাবা চল না এরপর তোর বিয়ে দেবো তখন আর একসাথে বেড়াতে যাওয়া যাবেনা না। আমি- তা যাওয়া যায় ছুটি আছে তো আমার এবং বাবার দুজনার আরো ৪ দিন ছুটি আছে, কি বাবা সত্যি যেতে যাও। বাবা- হ্যা তাই ভাবছি একটু ঘুরেই আসি কোথায় যাওয়া যায় বলত অলপ সময়ে। দীঘা যাবো নাকি অন্য কোথাও। তোরা মায়ে পুতে ঠিক কর কোথায় যাবি। মা- বলল দীঘা গেলে হয় কিন্তু তোমার যে অবস্থা জলে নামতেই ভয় পাও আর আমার একটু গভীর জলে ঢেউ খাওয়ার ইচ্ছে তোমার সাথে গেলে হয়না। বাবা- ঠিক আছে এবার না হয় ছেলে তোমাকে ঢেউ খাওয়াবে, কিরে বাবা তোর মাকে একটু ঢেউ খাইয়ে দিস তো আমি যে কয়বার গেছে তোর মায়ের মনের ইচ্ছে পূরণ হয়নি। মা- কিরে তুই সাতার তো শিখেছিলি পারবি তো তবেই দীঘা যাবো। আমি- আচ্ছা ঠিক আছে মা আমি যে কয়বার গেছি অনেক দূরে গিয়ে বন্ধুদের সাথে ঢেউ খেয়েছি ভেবোনা, আমি তোমাকে ঢেউ খাইয়ে নিয়ে আসবো বাবা না হয় পারে বসে থাকবে। মা- হ্যা হ্যা উনি গিয়ে শুধু বসে বসে ডাবের জল খেতে পারে। বাবা- কি যে বল দীঘার ডাবের জল কত ভালো, যদিও ডাব গুলো দেখতে ভালো না কিন্তু জল সবচাইতে ভালো। আমাদের গাছের ডাব দেখতে ভালো কিন্তু অত সাধ নেই কি গো সত্যি বলছিনা। মা- বলল তাও তো বেচবে না সব খাবে। বাদ দাও তবে যাবে তো দীঘা। বাবা- হ্যা যাবো, এই বাবা তুই যা তো গিয়ে তিনটে টকিট করে নিয়ে আয় কালকে সকালের এসি বাসের। আমরা ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নেই। আমি- আচ্ছা বলে সোজা বাস স্টান্ডে গেলাম আর তিনটে টিকিট নিলাম।  আমি টিকিট নিয়ে ফিরতে বাবা মা দুজনে মার্কেটে গেল কেনা কাটার জন্য। আমি বললাম না আমার কিছুলাগবেনা তোমাদের লাগে নিয়ে এস। রাতে সব গুছিয়ে নিয়ে সকালে বেড়িয়ে পড়লাম বাসের উদ্দেশে। যথা সময়ে বাসে উঠে পড়লাম, খুব ভীর ছিল বাসে। বাবা মা পাশা পাশি বসেছে আমি অন্য সিটে। সারে ১২ টা বেজে গেল পৌঁছাতে। গিয়ে হোটেলে রুম নিলাম পুরনো দীঘায়। বাবার ইচ্ছে তে আমার ইচ্ছে ছিল নিউ দীঘা হোটেল নেওয়ার। বাবার কথাতে ওল্ড দিঘায় রুম নিলাম। একটা বাবা মায়ের রুম আরেকটা আমার একার রুম। কোলাঘাটে কিছু খেয়েছিলাম তাই আর খাওয়া লাগবেনা। মা- এই চলোনা একটু সমুদ্রে যাই সময় তো আছে ঢেউ খেয়ে আসি। বাবা- না না আমি যাবনা আমি এখন একটা নিপ নিয়ে এসে খাবো তোমরা মা ছেলে যাও। এই বাবু এখন তুই খাবি নাকি রাতে খাবি। মা- না এখন দরকার নেই যা হবে রাতে তুমি খেলে খাও রাতে সবাই মিলে খাবো। কি বলিস বাবা। আমি- কি যে বল মা দুই পেগ চাপিয়ে গেলে মজা হত জলে জমতো। বাবা- তবে যা বাবা নিয়ে আয় তো দুই পেগ চড়িয়ে যা মস্তি করতে পারবি তবে আমি ইন্তু যাবো না পারলে আমার জন্য আসার সময় ডাব কেটে নিয়ে আসবি।
Parent