দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ১০

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71979-post-6121897.html#pid6121897

🕰️ Posted on January 14, 2026 by ✍️ familymember321 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1055 words / 5 min read

Parent
আমি- উম আমার লক্ষ্মী মা। আমি তোমার অবাধ্য হব না তুমি যেভাবে বলবে আমি কিছু বল্বনা, এই নাও বলে দুজনে নিয়ে চিবাতে লাগলাম। মা- আমি জানি ও অনেক পারিবারিক অজাচার গল্প পরে, অনেক বই আছে ঘরে কেনা, রাতে নিজে পরে আমাকে পড়তে দেয় না হলে ওইভাবে আমি পারতাম নাকি তোর সাথে, তবে ধরা দেওয়া যাবেনা বার বার বলছি, ওকে বলতে দিবি কেমন। এই বলে এই যা গিলে ফেললাম আসুক তারপর দেবো ওকে। সব সময় সাবধান থাকবি কিছু যেন মুখ ফস্কে না বের হয়, ও কি চায় আগে আমাদের জানতে হবে। আমি- বললাম নারীর চরিত্র দেবা নাং জানন্তি। আমি বাবা আর কে। মা- ফালতু কথা না বলে ঠিক হয়ে বসো এখুনি বের হবে। কি কি করে দ্যাখ কিভাবে আমাদের উস্কায় সেটা বুঝেই সব করতে হবে। আমি- হুম বুঝেছি বোবার শত্রু নেই। মা- হ্যা এভাবে থাকবি বলে মাংস নিয়ে মুখে চিবাতে শুরু করল।    বাবা- বেড়িয়ে এসে বসেই বলল কই দাও আর তোমরাও নাও। মা- বাবাকে ধরে উম এসো সোনা নাও তুমি বলে মুখ বাড়িয়ে বাবার মুখে মাংস দিতে লাগল। বাবা- মাকে ধরে মুখ থেকে মাংস নিতে লাগল মাংস নিয়ে উম সোনা বলে মায়ের ঠোঁট দুটো চুষে দিতে লাগল। মা- মুখ ছারিয়ে নিয়ে নাও এবার, বাবুর মুখ থেকে নাও বলে বলল দে বাবা তোর বাবাকে দে। বলে মা সরে গিয়ে দে বাবা। আমি- এস বাবা বলে বাবার মুখে মাংস দিলাম আর বাবার ঠোটে একটা চুমু দিলাম। বাবা- মুখে নিয়ে উম বাবাও দিল আমাকে আমি কি দিতে পারলাম বাবাকে বলে উম উম করে খেয়ে নিল। আমি- গ্লাস নিয়ে বাবার মুখে ধরলাম নাও বাবা এবার নাও তুমি। বাবা- আমার হাতের সাথে হাত দিয়ে চুমুক দিয়ে গ্লাস ফাঁকা করে দিল। তারপর বাবা দুটো গ্লাস তুলে নিয়ে আমার হাতে একটা দিয়ে বাকিটা মায়ের মুখে লাগিয়ে দিয়ে খাও সোনা তুমিও খাও বলে মাকে খাইয়ে দিল। মা- আমার হাত ধরে বলল দাড়াও আমি তোমাকে খাইয়ে দিচ্ছি বলে গ্লাস নিয়ে মা আমার মুখে গ্লাস ধরল আর আমি চুমুক দিলাম। আমি- উম মায়ের হাতে পেলাম উম বাবা সোনা বাবা কি খুশী করছ আজকে আমাদের তুমি, এত ফিরিভাবে হবে বাবা সোনা বাবা তোমাকে যেন জুগ জুগ ধরে প্রতি জন্মে বাবা হিসেবে পাই। এইরকম তো বন্ধুদের সাথেও কেউ করেনা এত ভালবাসা দিয়ে।   বাবা- ঠিক বলেছ বাবা আমিও যেন তোমার মায়ের মতন বউ পাই আর তোমার মতন ছেলে পাই এই একটাই আমার কামনা। এই বলে মায়ের পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে বলল কি সোনা ভালো লাগছে এখন। কোন ব্রাটা পড়েছ তুমি সে মোটা ফিতে মেয়ের বিয়ের বাজার করার সময় যেটা কিনে দিয়েছিলাম সেটা। এটা ভালো ফিট হয়েছিল তাইনা। মা- একটু লজ্জা পেয়ে বলল হুম সেটা পুরানো গুলো ছোট হয়ে গেছে না তোমাকে বলেছিলাম তো। বাবা- কালকে বাবুকে নিয়ে যাবে ভালো ব্রান্ডের দুটো এখান থেকে কিনে নেবে কেমন, এই বাবা মাকে দুটো ব্রা কিনে দিস তো। আর যা যা লাগে কিনে দিবি মাকে, আমি আর কত দেখবো তোর মাকে এখন থেকে তুই দিবি সব তোর মাকে। ব্রা প্যান্টি, শাড়ি ছায়া ব্লাউজ সব। মায়ের মাপ জানিস তো। মা- তুমি কি যে বল ও জানবে কি করে। ছেলেকে কি সব বলছে তোমার কি হুশ জ্ঞান নেই নাকি ছেলেকে এই সব বলছ। বাবা- আরে তুমি বোঝ না কয়দিন পরে বিয়ে করবে মাকে কিনে দিলেই বুঝবে বউমার কি লাগবে অত লজ্জা পাচ্ছ কেন ছেলের সাথে ফিরি হতে পারোনা। কিরে জানিস মায়ের মাপ। না আমি বলে দেই। বলে বলল ৩৮ বড় ব্রা ব্লাউজ লাগে এখন, আর কোমর জানিস ৩৪। ছায়া নিবি বড় দেখে তোর মায়ের পাছা অনেক ভারী না, না হলে আটকে যাবে পড়তে পারবেনা। আমি- জানি বাবা মায়ের ব্লাউজ ব্রা যখন ছাদে শুকাতে দেয় আমি একদিন আনতে গিয়ে দেখেছি। তবে ৩৬ ছিল মনে পরে। বাবা- না না এখন ৩৬ ছোট হয়ে যাবে। ৩৮ কিনবি কেমন। মা- না না ৩৮ টাইট হয়ে যায় বুঝলে, এখন ৩৮ প্লাস লাগবে তবে কোমর ঠিক আছে। তা সোনা এখন কেমন লাগছে এই পেগ নিয়ে। বাবা- আরে সবে তো গেল কাজ করতে দাও, আগেই দারুন লাগছে উম সোনা বউ আমার বলে বাবা মাকে ধরে ঠোটে চকাম চকাম করে চুমু দিল আর বলল সত্যি তোমার সাইজ আরো বড় হয়ে গেছে। মা- নাতো কি মেয়ের বিয়ে কয়দিন কম খাওয়া দাওয়া হয়েছে মাচ মাংস সব সময়, না বেড়ে উপায় আছে। ওজন বেড়ে গেছে আমার। বাবা- এই বাবা কেমন মেয়ে তোর পছন্দ, বউমা তো আনতে হবে। মা- কোন ছেলে বলে নাকি তুমি পছন্দ করে এনে দেবে আমি জানি ওর পছন্দের কেউ নেই থাকলে আমাকে বলত। বাবা- আরে বলতে তো হবে কেমন মেয়ে চাই, কিরে বলনা কেমন মেয়ে একটু নাদুস নুদুস নাকি হালকা পাতলা। আমি- জানিনা যাও আমার লজ্জা করে কি বলব আমি ভাবি নাই ওসব। মা- বলনা তোর বাবাকে কেমন চাই, বোনের সাথে তো ভালই আলোচনা করতি ওকে জিজ্ঞেস করব নাকি। বাবা- কিরে বল আজকে তো আমরা ফিরি মন খুলে বল বাবা। আমি তো মাকে বলতাম তোমার মতন একজন এনে দিলেই হবে, এই শুনে মা হেঁসে গড়াগড়ি খেত তারপর ঠিক খুঁজে আমার মায়ের মতনই এনেদিয়েছিল, তোর মাকে দেখে শুনে বিয়ে করেছি বুঝলি যা প্রেম বিয়ের পরে। ভালই আছি তুই তো দেখছিস বলনা কেমন মেয়ে চাই। আমি- রাখ ঢাক না করে বললাম আমার মায়ের মতন একজন চাই। বাবা- হেঁসে দিয়ে এইত সত্যি বলেছে আমার ছেলে, কি গো বুঝলে কিছু সব ছেলেরি মাকে পছন্দ। সব ছেলেদের মায়ের প্রতি প্রথম প্রেম। কিরে বাবা বিজয় বলনা সত্যি বলেছি কিনা। মা- তাই বলে কি ওইভাবে হয় নাকি তুমি না কি যে বল মুখে কিছু আটকায় না। আমার ছেলে ওরকম না। সে তুমি যা বলনা কেন। বাবা- দ্যাখ সোনা এসব এখন কোন ব্যাপার না, একবার ভেবে দ্যাখ তোমার ছেলে তোমার মাপ জানে কেন জানবে যদি ওর তোমার প্রতি আকর্ষণ না থাকে, বাবা লজ্জা পাশ না যা সত্যি তাই বলছি। তাই এটা হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার লজ্জা বাঃ অন্য কিছু ভেবে লাভ নেই। মা- তুমি যে কি সব বলে যাচ্ছ আমি কিছু বুঝতে পারছিনা, এই বাবা তুই বল তোর বাবা যা বলছে এসব কি সত্যি। এরকম ভাবনা তোর মনের মধ্যে আছে কি। তোমাদের কথা শুনে আমার মাথা সত্যি ঝিম ঝিম করছে কেন এমন হবে। সব আমার গুলিয়ে যাচ্ছে। বাবা- এই নাও সোনা একটু চিংড়ি মাছ খাও অত ভাবছ কেন আমি তো আছি নাকি, লজ্জা করে কি লাভ, আজকে আমরা বন্ধু না আমি তুমি তোমার ছেলে সবাই আমরা বন্ধু, এখানে মা ছেলে বাঃ বাবা কোন ব্যাপার না। মা- বাবার বুকে একটা ধাক্কা মেরে এই তোমার এটার মধ্যে আর কি কি আছে গো, খুলে বলো তুমি, ছেলের আমি আজকে বন্ধু নাকি সে অনেক আগে থেকেই, তাই অত লজ্জা নেই আমার বুঝলে। আমার ছেলে কেমন আমি জানি আমাকে বোঝাতে হবেনা। তোমরা সবাই বলতে ছেলে খুব দুষ্ট কত কথা পাড়ার অনেকেই শোনাত এখন দ্যাখ আমার ছেলের সবই প্রশংসা করে। কি দুষ্টু ছিল ছোট বেলা তোমার মনে নেই।
Parent