দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ১১
বাবা- হ্যা সে তো আমি দেখেছি, ছোট বেলা তোমাকে নাজেহাল করে ছেরে দিত তাইনা।
মা- কোথায় নাজেহাল করত তুমি বল।
বাবা- কেন মনে নাই রাতে বলতে ছেলে যা চটাকায় ব্যাথা করে দেয় একদম।
মা- সে তো মেয়েও করত তাইনা, ছেলের কি দোষ। তবে তোমার ছেলের জন্য কোন খরচা ছিল না মনে আছে, মেয়ের জন্য না দুইজনেই খেয়ে পাড়ত না।
আমি- মা বাবা দুজনার কথা শুনে যাচ্ছি নেশা হয়েছে দারুন আর শুন্তেও ভালো লাগছিল তাই চুপচাপ শুনছিলাম।
বাবা- হ্নবেনা যা সাইজ তোমার এখনও, লাগবে কেন, বরং এখন আরো বড় হয়েছে আগের থেকে। ৩৪ থেকে ৪০ শে চলে গেছে। ঐ দ্যাখ ছেলে মুস্কি হাসছে আমাদের কথা শুনে। বড় সাইজ ভালোনা তোর বাবা।
আমি- বাবার কথা শুনে না হেঁসে পারলাম না কি সব বলছে বাবা। আর মায়ের যে নেশা হয়েছে সেটাও বোঝা যাচ্ছে বাবার কথার উত্তর দিয়ে যাচ্ছে।
মা- বলে ফেলল সব ছেলেদের বড় ভালো লাগে এ আমি জানি। তুমি কি বলবে। তোমাকে তো কম বছর ধরে জানিনা এতেই বোঝা যায়। নিজে যেমন ছেলেকে তাই বানাতে চাও আর কি। তুমি যেমন তোমার মাকে ভালবাসতে তোমার ছেলেও তার মাকে ভালোবাসবে এটাই স্বাভাবিক এর কোন ব্যাতিক্রম হবেনা, একই রক্ত তো। র কি বলবে। তবে আমার ছেলে ছোট বেলা যা করত না কেন বড় বেলায় তো মায়ের খেয়াল রাখে, কত সুন্দর আমাকে ঢেউ খাইয়ে নিয়ে এল ছেলে আমার সব দিক দিয়ে ভালো হয়েছে। আমার ছেলের দম আছে, সব পারে তোমার মতন না পারে চুপ্টি করে বসে থাকবে। আমাকে কত সুন্দর কোলে নিয়ে ঢেউ খাইয়েছে একবারের জন্য ছারেনি বড় ঢেউ এলেও।
বাবা- তাই অনেখন বুঝি তোমাকে কোলে চাপিয়ে রেখেছিল, তবে তো দম আছে আমার ছেলের।
মা- হ্যা বড় বড় ঢেউতেও আমাকে আলাদা করেনি ভালো করে ধরে ছিল বুঝলে এক্টূও হাপায়নি একবারের জন্য।
আমি- আচ্ছা এটা তো তোমরা বললে না আমি ছোট বেলায় কি করতাম।
বাবা- কি আবার সারাদিন মায়ের দুধ খেতি আর চটাকাতি। রাতেও মুখে নিয়ে শুয়ে থাকতি যতখন না তোর ঘুম আসত আমি কোন সুযোগ পেতাম না তোর মায়ের সাথে মেলামেশা করার।
আমি- মুস্কি হেঁসে সত্যি আমি এমন করতাম।
মা- দুষ্টু তুই খালি খেলে তো হত মাঝে মাঝে কামড়ে ধরতে বিশ হয়ে যেত আমার বোটা তোমার কামড়ে। দাগ ফেলে দিয়েছিলে তুমি।
বাবা- এখনও দাগ আছে সেই দাগ। দেখবি কেমন দাগ করে দিয়েছিলি।
আমি- সত্যি মা আমি অত তোমাকে জ্বালাতাম।
মা- আবার কয় কালো দাগ হয়ে আছে আমার এখনও আর সারেনি সেই দাগ।
বাবা- মায়ের আঁচল টেনে সরিয়ে দেখাওনা ওকে। বলে মায়ের লাল ব্লাউজের হুকে হাত দিল।
মা- না না কি করছ এখন ও ছোট আছে নাকি কি করছ তুমি ইস লজ্জা করেনা আমার। বলে বাবার হাত সরিয়ে আবার আঁচল তুলে নিল।
বাবা- দেখলি বাবা যতই বলিস না কেন তোর মা তোর বন্ধু হতেই পারবেনা, বলল আমাকে আজকে খুশী করবে আর কেমন করে ঢেকে দিল আরে দেখাও না। কি হয়েছে দেখালে। বলে আবার আঁচল নামিয়ে দিল আর ব্লাউজের হুক খুলতে লাগল।
মা- আস্তে আস্তে খোল ছিরে ফেলবে নাকি তুমি। হাত সরাও আমি খুলে দিচ্ছি। বলে মা নিজেই ব্লাউজের হুক গুলো খুলতে লাগল। এবং সব গুলো হুক খুলে দিল।
বাবা- আরে পুরো বের করে ফেল ব্রা খুলতে হবেনা।
মা- বের করছি বাবা তুমি এত তাড়াহুড়া কর কেন খুলছি তো বলে দুই হাত গলিয়ে মা ব্লাউজ বের করে দিল। নাও এবার ব্রা তুমি খুলে দাও।
বাবা- নে বাবা তুই খুলে দে অভ্যাস করুক বউমা আসলে খুলতে হবেনা, মাকে দিয়েই অভ্যেস করুক।
মা- হুম তাই না, তোমার যে আজকে কি হয়েছে কে জানে। দে বাবা তোর বাবার মনের ইচ্ছে তুই রাখ এই নে বলে আমার দিকে মা পিঠ দিয়ে বলল টাইট কিন্তু চেপে খুলে দিস। তিনটে হুক আছে একবারে খুলবি।
আমি- ভয়ে আর আনন্দে কি করব বুঝতে পারছিনা, কি হচ্ছে এসব বাবা সত্যি আজকে নেশায় বুদ হয়ে গেছে। এরপর আমি হাত নিয়ে মায়ের ব্রার হুক চেপে একবারে খুলে দিলাম। এক ঝটকায় মায়ের ব্রা সামনের দিকে নেমে গেল আর পিঠ ফাঁকা হয়ে গেল।
বাবা- এত টাইট পরেছলে তুমি তোমার তো ৩৮ হবেনা ৪০ কিনতে হবে বলে আস্তে আস্তে মায়ের বুক থেকে ব্রা বের করে দিল।
আমি- তাকিয়ে দেখছি মায়ের ঝোলা দুধ দুটো খাঁড়া নিপিল সহ কত সুন্দর ফর্সা আর গোল।
বাবা- মায়ের নিপিলে চাপ দিয়ে বলল এই দ্যাগ পাশ পুরো কালো হয়ে আছে কেমন করে কামড়ে দিয়েছিলি ধরে দ্যাখ। বলে আমার হাত ধরে নিয়ে মায়ের বোটায় ধরিয়ে দিয়ে দেখেছিস ভালো করে দ্যাখ। এখন ব্যাথা নেই সেই সময় আমাকে ধরতে দিত না খুব ব্যাথা করত তোর মায়ের।
আমি- ধরে উঃ মা এত বড় তোমার বলে হাত দিয়ে ওইজায়গায় খোচা দিয়ে বললাম। তারপর হাত দিয়ে সব দুধে হাত বুলিয়ে দিলাম। বোটা দুটো একদম শক্ত হয়ে আছে যেমন কালো তেমন বড় নিপিল দুটো।
মা- দেখেছিস তো নে এবার ছাড় সাথে সাথে টেপা শুরু করে দিয়েছ তাইনা। আর তুমি সরাও হাত ছেলে দেখেছে তা তুমি কেন চাপ দিচ্ছ।
বাবা- দ্যাখ সান্ত্বনা দুধ দুটো তোমার হলেও এর প্রতি আমার স্বামী হিসেবে আর ওর ছেলে হিসেবে অধিকার আছে।
মা- না আমি পারিনা যা খুশী কর তোমরা বলে হাত সরিয়ে নিল।
বাবা- এই বাবা ছোট বেলা অনেক খেয়েছিস তো এখন আবার খাবি নাকি ইচ্ছে করলে খেতে পারিস তবে দুধ আসবেনা এমনিতে চুষতে পারিস।
মা- তুমিও চুষে খাও ও একা খাবে কেন ও খেয়ে না পারলে তো তুমিও খেতে তাইনা। তুমি একটা খাও আর তোমার ছেলে একটা খাক। এই বলে আমাদের দুজনার মাথা মা বুকের উপর চেপে ধরল।
আমি- মায়ের ডানদিকের দুধ ধরে বোটা মুখে পুড়ে নিলাম আর চো চো করে চুষতে লাগলাম আর হাত দিয়ে ভালো করে টিপে টিপে চুষে খেতে লাগলাম।
বাবা- বলল একটু মাথা সরিয়ে নে আমি মুখ দিতে পারছিনা ভালো করে বলে নিজের চেপে মাথা নিয়ে মায়ের বাদিকের দুদ মুখে নিল।
মা- আমার এবং বাবার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল আমার এখন দুটো ছেলে তাইনা মায়ের দুধ খাচ্ছে। খাও ছেলেরা মায়ের দুধ খাও। ভালো করে খাও।
বাবা- হ্যা মা খাচ্ছি তো ভাইকে ভালো করে খেতে দাও, ও ছোট না।
মা- পাজি একটা ছেলেকে ভাই বলে তুমি না কি যে করবে কে জানে নাও তাড়াতাড়ি চুষে ছেরে দাও আমাকে এবার উফ কিভাবে চুষে যাচ্ছে দুজনে। এই এই চটকাচ্ছিস কেন খাবি খাঁ।
বাবা- আরে দাও না কতদিন পরে মায়ের দুধ হাতে পেয়েছে একটু ভালো করে ধরে ধরে খাক।
মা- এই তুমি কিন্তু এবার বাড়া বাড়ি করছ এসব আমার একদম ভালো লাগেনা বলে দিলাম।
আমি- মায়ের কথার টন শুনে ভয় পেয়ে গেলাম সত্যি মা রেগে গেছে মনে হয়, আর হবেনা কেন বাবা যেভাবে করছে তাতে মা রাগবেই বাঙ্গালী নারী বলে কথা শত হলেও এসব সহজে করতে পারেনা।