দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ২৪
আমি- বললাম বেলা দুটো বাজে কোথায় আছে কে জানে কি বাবা ফোন করব নাকি বোনকে।
বাবা- করে দ্যাখ সময় কই ওদের বার বার করছে মনে হয়, তাই বাবা মায়ের কথা মনে নেই করে দেখতে পারিস।
আমি- আচ্ছা বলে মোবাইল নিয়ে ফোন লাগালাম আর সাথে সাথে বোন ধরল।
বোন- বল দাদা কোথায় এখন তোরা রুমে না বাইরে।
আমি- না না রুমে চলে এসেছি খেয়ে তোরা কোথায় তোর বর কই।
বোন- আর বলিস না বাইরে গেছে দুপুরে ঘুমায় না তাই আমাকে বলল তুমি ঘুমাও আমি একটু আসছি বলে বের হল। আজকে আর যাবনা কোথাও খুব ঠান্ডা এখানে। তুই কোথায় তোর ঘরে না বাবা মায়ের সাথে।
আমি- বলতে যাওয়ার আগেই মা বলল বলিস্না এখানে আছিস। আমি তাই বললাম না আমি রুমে একা শুয়ে আছি ওঁরা দুজনে ওনাদের ঘরে।
বোন- ও তুই একা তাহলে বাবা মায়ের সাথে কথা বলা যাবেনা।
আমি- তবে তুই আমার সাথে কথা বলতে না চাইলে মাকে ফোন কর।
বোন- আরে না না তুই তো ধপ মারিস সেই জন্য জিজ্ঞেস করলাম বাবা মা কাছে আছে কিনা।
আমি- ও তাই বল স্বামী পেয়ে দাদাকে ভুলে গেলি তাইনা। কিরে কেমন দেয় তোকে সত্যি বলবি। পারে তো।
বোন- কি বলিস দাদা তোর সাথে এমন আলোচনা করব।
আমি- কেন বিয়ের আগে তো বলতি তুই আমার ভালো বন্ধু, মায়ের সাথে তোর পটেনা আমাকে বলবি না তো কাকে বলবি।
বোন- জানিস দাদা কত আশা ছিল কিন্তু সেরকম না বাবা মায়ের কোথায় বিয়ে করলাম কিন্তু কি করে কি হবে কে জানে।
আমি- কেন রে কি হয়েছে আমাকে বল। আমাকে দাদা না ভেবে বন্ধু ভেবে বল।
বোন- দাদা ওর না একটা রোগ আছে জানিস সামনে না বার বার পেছনে করতে চায়। নেভিতে থাকে তো ৬ মাস পরে বাড়ি আসে কোন মেয়ে থাকেনা ওর মনে হয় ছেলেদের সাথে এইসব করে তাই বার বার পেছনে করতে চায় আমার প্রান বেড়িয়ে যায় পারিনা। খুব কষ্ট হয়।
আমি- বলিস কি হোমো নাকি এদের তো হোমো বলে।
বোন- একদম তাই। কি বলব দাদা আমার জীবনটা বিষিয়ে তুলেছে বলে বোজাতে পারবোনা দাদা।
আমি- তোকে দিয়ে খুব চোশায় নাকি রে।
বোন- হ্যারে দাদা শুধু চুষে দিতে বলে আমার একদম ভালো লাগেনা ওর ব্যবহার, কিছু বলতে পারিনা তুই বাবা মাকে কিছু বলিস না যেন। তবে বাবা মা কষ্ট পাবে। ওর যত নিকৃষ্ট কাজ কি বলব দাদা তোকে এই নিয়ে একটু আগে কথা কাটাকাটি হয়েছে বলেই বেড়িয়ে গেছে আমাকে একা রেখে।
আমি- বুঝেছি আর বলতে হবেনা রে কেমন ছেলে বোঝা হয়ে গেছে বয়সে আমার থেকে বেশ খানিকটা বড় কিন্তু এমন চরিত্রের কি বলব তোকে। খুব কষ্ট দিয়েছে তোকে তাইনা।
বোন- হ্যারে দাদা আমার পটি করতে কষ্ট হয়, ব্যাথায় কেঁদে দিতে হয়।
আমি- ঠিক আছে তাহলে তোকে র ওর সাথে পাঠাবোনা ফিরে আয়, কি বলব তোকে তোদের ৫ দিনের টুর ছিল তাইনা। তবে কালকে তোদের ফ্লাইট তাইনা।
বোন- হুম দাদা কালকে ফিরবো।
আমি- আমরাও কালকে বাড়ি যাবো, কিরে বাবা মায়ের সাথে কথা বলবি না।
বোন- না দাদা কি বলব ওদের আমার কথা বলতে কষ্ট হয় তাই বাড়ি ফিরে গিয়ে সব বলব। আমি আর ফোন করব না।
আমি- আচ্ছা তবে কি রাখবো এখন।
বোন- আমি কি করব দাদা আমার একদম ওকে ভালো লাগেনা। কি করে সারাজীবন ওর সাথে কাটাবো, বাবা মাকে দেখলে আমার এখন হিংসে হয় রে দাদা ওনাদের মধ্যে কত ভালোবাসা দেখেছি আমি কিন্তু আমার কপাল এত খারাপ। এমন একটা পশু আমার কপালে জুটল, কত আশা নিয়ে এসেছিলাম আর কিসে কি হয়ে গেল।
আমি- কিরে প্রথম দিন থেকেই এইরকম নাকি দিন যাচ্ছে আর পরিবর্তন হচ্ছে।
বোন- নারে দাদা আমাদের বাসর রাতে সব ঠিক ছিল খুব খুশী হয়েছিলাম আমি, কিন্তু এখানে আসার পরেই ওর চরিত্র পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি আস্তে আস্তে একদম পালটে গেছে। কি সব বিকৃত কাম ওর ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। কথা বাত্রায়োর মতন ভালো ছেলে হয়না, কিন্তু বেডে এলেই সব পাল্টে যায় কেউ বুঝতে পারবেনা কি বাজে মানুষ ও। ভালবাসাস তো নেই আছে শুধু অত্যাচার আর অত্যাচার আর কিছু না। আমি কি পছন্দ করি না করি তার দিকে কোন খেয়াল নেই। আর বলতে ভালো লাগছেনা। দাদা রাখি এখন। তোরা ভালো আছিস তো তুই মা বাবা সবাই। অখানে কোন অসবিধা হচ্ছে না তো।
আমি- নারে জানিস তো বাবা মা কেমন আমার এখন পরিবার না আমরা এখন তিন বন্ধু এখানে সেভাই চলছে আমাদের দীঘা ভ্রমন।
বোন- হ্যা আমাকে পশুর হাতে তুলে দিয়ে তোমরা এঞ্জয় করে যাচ্ছ তোমরা। এই দাদা তোরা ড্রিঙ্কস করেছিস।
আমি- হ্যা আমি বাবা মা সবাই একসাথে বসে খেয়েছি তারপর সমুদ্রে ঢেউ খেয়েছি রুমেও বসে খেয়েছি বুঝলি। বললাম না আমরা এখন তিন বন্ধু, বাবা কি বলে জানিস ছেলে মেয়ে বড় হলে বন্ধু হয়ে যায়। আমরা এখন বন্ধুর মতন আছি এখানে।
বোন- মা সব মেনে নিচ্ছে তাহলে। মা বাঁধা দেয়নি।
আমি- আরে না মা আমাদের দুজনকে এক সুতয় বেঁধে নিয়েছে বুঝলি, কত ফিরি মা এখন তুই কল্পনাও করতে পারবিনা। বাবার সামনে মাকে কোলে নিয়ে কত ঢেউ খেয়েছি। মা আমার এখন ভালো বান্ধবী বুঝলি।
বোন- তবে মাকে কিছু কিনে দিয়েছিস তুই। মায়ের পছন্দের জিনিস।
আমি- হ্যা দিলাম তো, মায়ের ব্রা, প্যান্টী কুর্তি আমি কিনে দিয়েছি, মা পরে আমাকে দেখিয়েছে জানিস।
বোন- সে তো আমি তোকে দেখাতাম তাইনা। আর কাউকে না দেখালেও একমাত্র তোকে দেখাতাম। তুই তো কোনদিন নিজের বোনকে বুঝলি না।
আমি- দ্যাখ আগে আমি বুঝতাম না তবে এখানে এসে বুঝেছি সব কিছু, বাবাকে মাকে আর এখন তোকে।
বোন- কিন্তু দাদা কিছু করার নেই এখন, আমার জীবনটা শেষ হয়ে গেল দাদা। এই পশুর সাথে আমি কি করে থাকবো।
আমি- থাকতে হবেনা আর তোকে বাড়ি ফিরে আয় তোদের ডিভোর্স করিয়ে দেবো বাবা মাকে বলে।
বোন- হ্যা আমাকে কে দেখবে তখন। তোদের বোঝা হয়ে থাকবো তাইনা, যা আমার কপালে আছে তাই হবে এই পশুকে নিয়ে থাকবো।
আমি- না না আমরা আছি তোর জন্য আমি আছি বাবা আছে তোর চিন্তা কিসের বাবাকে বলে সব ঠিক করে নেব আমি, তুই ভাবিস না মা বাবা আমার কথা ফেল্বেনা।