দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ২৫
বোন- এখন এই কথা বলছিস কিন্তু পরে কি হবে। জানিস দাদা সত্যি বলছি তোরা কালকে ফোন করেছিলি ভাবছিলাম বলব কিন্তু বলতে পারিনি, আমি চেয়েছিলাম একটা সুন্দর ভালোবাসার সংসার, কিন্তু ও সত্যি একটা পশু কি বলব তোকে।
বাবা মা দুজনে আমাদের কথা শুনছে চুপ করে তবেঁ দুজনার মনের মধ্যে একটা উৎকণ্ঠা দেখতে পাচ্ছি কারন একটা মেয়ে তার বিবাহিত জীবন যদি ভালো না হয়, প্রতি বাবা মায়ের দুঃখের শেষ থাকেনা। তাই আমাকে ইশারা করে বলছে বল তুই বল সব ঠিক আছে।
আমি- ঠিক আছে তোকে একদম ভাবতে হবেনা, তোর ডিভোর্স করেইয়েই দেবো, বলেছিনা মা এবং বাবা আমার কথা শুনবে আমি আজকেই কথা বলব, তুই আমাদের কাছে থাকবি, আর তোকে বিয়েও দেব না, কাছে রেখে দেবো।
বোন- হাসালি দাদা সে কি কোনদিন হবে তোর সংসার হবেনা, তোর বউ মেনে নেবে নাকি। অযথা বোনকে শান্তনা দিচ্ছিস তুই। বাবা মা না হয় মেয়ের কষ্ট দেখে কিছু বল্বেনা, কিন্তু তোর বউ তো পরের মেয়ে সে তো ননদ মেনে নেবেনা, দেখি টিভি বাঃ আমাদের সমাজেও এইরকম হয়, অকারনে সংসারে অশান্তি হয়। জানিস দাদা আমি মনে অনে অনেক কিছু ভেবেছি, কাউকে বলতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল নিজেকে শেষ করে দেবো, তুইপিরাপিরি না করলে বলতেই পারতাম না।
আমি- দ্যাখ আমি তোকে অন্যরকম ভালোবাসি, সেটা তুই নিজের বোন বলে বলতে পারিনি। আর আমার মনে হতো তোর তেমন ইচ্ছে ছিল কিন্তু তোর দিক থেকে না জানলেও আমি বলে দিলাম।
বোন- এখন বলছ তুমি তাইনা, কতবার তোর কাছে বসতাম তোকে দেখতাম একবারের জন্য তুই বুঝিস নি তোর বোন কি চায় কেন আমার ছেলে বন্ধু নেই, এখন বোনকে বিয়ে দিয়ে তারপর বললে।
আমি- দ্যাখ ভালো হয়েছে এখন কাছে থাকলে কোন অসবিধা হবেনা। আমার তো মনে হয় এটাই উত্তম হয়েছে।
বোন- সে তো বুঝলাম উত্তম হয়েছে কিন্তু মা বাবা তাদের কথা একবার ভাব। তারা কি মেনে নেবে আমাদের। আমি কি করে থাকবো।
আমি- বাড়ি আয় সব তোকে বলব, তোর একদম চিন্তা করতে হবেনা। বাবা মাকে মানানোর দ্বায়ীত্ব আমার কথা দিচ্ছি তোকে, তবে তোকেও সাথ দিতে হবে আমার। তবেই সব হবে ভালো মতন হবে। তুই আর ওই পশুর সাথে একবারের জন্য মিলিত হবিনা না করে দিবি।
বোন- সে আমি বলে দিয়েছি সারাজীবন একা থাকবো কিন্তু ওইভাবে আমি করব না জীবন বেড়িয়ে যায় দাদা কি বলব তোকে।
আমি- ঠিক আছে, আর ভাবতে হবেনা, কালকে চল্যে আয়, আমরাও কালকে সকালেই বেড়িয়ে যাবো তোদের আগেই বাড়ি ঢুকবো, আমি গিয়ে তোকে নিয়ে আসবো।
বোন- সত্যি দাদা নিতে আসবি তো, বাবা মাকে বলবি তো।
আমি- আরে হ্যা বলব আজকেই রাতে বাবা মাকে বলে মানিয়ে নেবো।
বোন- আমি জানি বাবা অমত করবেনা, কিন্তু মা কি সহজে মেনে নেবে দাদা।
আমি- বললাম না মাকে মানেজ করব আমি আর বাবা তো আমাদের বন্ধু তাইনা, মানে তোর বন্ধু। তুই একদম চিন্তা না করে আজকের রাতটা কোন রকম পার করে কালকে ২.১৫ ফ্লাইট না।
বোন- হ্যা নামবো ৫.২০ তে।
আমি- আচ্ছা আমি চলে যাবো এয়ারপোর্ট ওখান থেকেই তোকে নিয়ে আসবো। তারপর বাবা মাকে নিয়ে গিয়ে সব সেটেল করে আসবো ওকে কিছু বলবি না তবে দেখবি ভালো ব্যাবহার করবে। দরকার নেই ওর সংসার করার মনে থাকবে তো। এবার একটু হাস তোর কষ্ট আমি বুঝতে পারছি, দাদার উপর ভরসা আছে তো, আমি আর বাবা তোকে সুখে রাখবো। ভালো হয়েছে তুই চলে গেছিস বলে বাবা খুব দুঃখ করছিলো, মেয়েকে কাছে পেলে বাবা অনেক খুশী হবে।
বোন- আচ্ছা দাদা তবে এখন রাখি এখনও আসছেনা। ঝগড়া করেই বের হয়েছে কি জানি কোথায় গেছে।
আমি- যদি কোন সমস্যা হয় তুই আমাদের ফোন করবি তোদের টিকিট আমার কাছে আছে পাঠিয়ে দেবো তোকে আবার ওর ভরসা আর করতে হবেনা। সব খরচা আমি দিয়েছি, হোটেল বুকিং আমার করা, একদম ভাববি না তুই। আমি বাবা মায়ের সাথে কথা বলে তোকে জানাবো কেমন নিশ্চিন্তে থাক তুই আজকের রাত তো যদি না আসে কোন সমস্যা নেই একাই চলে আসবি।
বোন- ঠিক আছে দাদা তবে তুই রাখ এখন, আমার সোনা দাদা বলে একটা উম দিল।
আমি- উম সোনা বলে এই রাখলাম রে আমি বাবা মায়ের কাছে যাই এখন। কি করছে দুজনে কে জানে আমাকে এই ঘরে পাঠিয়ে দিল, আবার খেলছে নাকি কে জানে।
বোন- কি বলছিস দাদা বাবা মা এখনও, তুই না কি যে বলিস।
আমি- কেন মা কেমন জানিস না তুই, দুজনেই এখনও এই ব্যাপারে সবল, জানিস পার্টি করতে করতে আমার সামনেই মাকে কতবার চুমু খেয়েছে বুকে হাত দিয়ে টিপেছে, যেমন বাবা তেমন মা দুজনেই এখনও একটিভ।
বোন- তুই দেখেছিস নাকি।
আমি- হ্যা সব দেখেছি ওদের হুশ ছিল নাকি আমি তো দরজা বন্ধ করে বেড়িয়ে এসেছি ওরা দরজাও বন্ধ করেনি, কিছুখন পরে আমার কৌতোহল হল তাই আস্তে করে গিয়ে দরজা হালকা ফাঁকা করে দেখেছি, উফ কিভাবে দুইজনে করছিল আর মায়ের যা ফিগার, উফ দেখেই আমার অবস্থা বেহাল। ওদের দেখে দেখে আমি দরজায় দাড়িয়ে ফেলে দিয়েছি।
বোন- উঃ কি বলছিস দাদা সত্যি তুই ওইভাবে দেখেছিস বাবা মাকে। ওনারা কিছু বলছিল নাকি। কিছু শুনেছিস ওদের কথা। আর কি বললি তোর মাকে পছন্দ।
আমি- সত্যি বলব মাকে দেখেই আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছিল উফ কি সাইজ মায়ের। আর কি বলব তোকে বললে কি ভাবিস আবার।
বোন- কেন কি ভাববো বলনা দাদা আমাকে বল। বাবা মা কিছু বলছিল নাকি।
আমি- হ্যারে বাবা যে এমন আমি জানতাম না।
বোন- কেন বাবা কি বলেছে বলনা আমাকে।
আমি- বাবার না তার মেয়েকে খুব পছন্দ, ওরা করতে করতে বলেছে জামাই এখন আমার মেয়েকে করছে, নিঘাত করছে, ইস মেয়েটাকে যদি আমি পেতাম, আমার মেয়ে আমি পেলাম না অন্য ছেলে নিয়ে করছে। আর মা এই কথা শুনে হাসছে জানিস এই শুনে মাও অনেক বেশী উত্তেজিত হয়ে বাবাকে তালে তালে সাহায্য করছিল।
বোন- এই মা কিছু বলেনি বাবার এই কথা শুনে।
আমি- মা যে কেমন বুঝলাম না বুঝলি, বলেছে ঠিক আছে জামাই চলে গেলে না হয় তুমি এনে একদিন রাজি করিয়ে নিয়ে আমার সামনে বসেই করো।
বোন- এই দাদা কি বলছিস মা এই কথা বলেছে।
আমি- হ্যা সেইজন্য তো বললাম বাড়ি নিয়ে তোকে ভাবতে হবেনা, তোকে আমরা সুখে রাখবো কি এবার বিশ্বাস হচ্ছে তো।
বোন- জানিনা দাদা তুই সত্যি বলছিস কিনা। এই দাদা দরজায় আসছে মনে হয় রাখ এখন বলেই কেটে দিল।
আমি- ফোন রাখতেই বাবা লাফ দিয়ে আমার কাছে এল আর বলল উফ বাবা কি করলি তুই একবারেরই এত কিছু। আজকের পারটি আমার তরফ থেকে। এই বলে আমাদের দুইজনকে বাবা জরিয়ে ধরল।