গোধূলি আলো'র গল্পগুচ্ছ - অধ্যায় ১২৩

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-62343-post-6204559.html#pid6204559

🕰️ Posted on May 9, 2026 by ✍️ Godhuli Alo (Profile)

🏷️ Tags:
📖 361 words / 2 min read

Parent
এরপর থেকে মা আর আমার সামনে আসলেন না। রাতের খাবারের সময় টেবিলে সব রেডি করে দিয়ে আড়ালে র‌ইলেন। আমিও চুপচাপ খেয়ে নিয়ে নিজের ঘরে গেলাম। আমার স্বপ্নের জগতটি যে এভাবে ভেঙেচুরে একাকার হয়ে যাবে, ভাবতেও পারি নি। শেষকালে কিনা নিজের জন্মদাত্রী মাকে বিয়ে করতে হবে! যার দিকে কখনো ওভাবে তাকাইও নি আমি। ভাবতে ভাবতেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো ভেতর থেকে। আর দু চোখ বেয়ে কয়েক ফোঁটা পানি। সকাল বেলা আমার ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে বাবা আবার আমাকে ডেকে পাঠালেন। মায়ের সাথে এ ব্যাপারে আমার কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলেন। আমি কাঁচুমাচু করে বললাম, ওর পর থেকে মা তো আর আমার সামনেই আসেন নি। বাবা বললেন, সে মেয়ে মানুষ। লজ্জা পাওয়াটাই স্বাভাবিক। তুমি পুরুষ, তোমার কাজ তার লজ্জা ভেঙে দেয়া। আজ থেকেই শুরু হোক তোমার মিশন। এটাই আমার আদেশ। আমি মাথা নিচু করে কোনো মতে জ্বী আচ্ছা, বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। মা তখন বাবার ঘরে ঢুকছিলেন, চোখাচোখি হতেই মাথায় আঁচল তুলে দিয়ে পাশ কাটিয়ে গেলেন। অত্যন্ত ক্লেশের ভেতরেও তার এই নতুন লজ্জা যেনো আমাকে কিছুটা আমোদিত করলো। নিজের ঘরে এসে ভাবতে বসলাম। সবকিছু ভাবতে হবে নতুন করে। তাছাড়া আর উপায় নেই। মাকে বৌ হিসেবে আর ছোট ভাইবোনদের সন্তান হিসেবে ভাবার চেষ্টা করলাম। আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, ভাবতে গিয়ে একটুও খারাপ লাগলো না আমার। বরং পুরো শরীরে অদ্ভুত শিরশিরে একটা অনুভুতি চলে আসলো, যা আগে কখনোই অনুভব করি নি। ধীরে ধীরে মায়ের প্রেমে দিওয়ানা হয়ে গেলাম আমি। একটা সময় বাবার আদেশ পালন করতে মায়ের খোঁজ করতে লাগলাম। বুঝলাম তিনি রান্নাঘরে রান্নায় ব্যস্ত। ধীরে পায়ে তার পেছনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, কি রান্না হচ্ছে আজ? মা চমকে উঠে মাথায় আঁচল তুলে দিলেন। আমি আবার বললাম, কথার জবাব দিলে না? মা কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললেন, এসব তো আগে কখনোই জানতে চাও নি। হুট করে এই ঢং কেনো? আমি মুচকি হেসে বললাম, আগের অনেক কিছুই তো বদলে যাবে এখন। মা কিছুটা কঠিন সুরে বললেন, কি রকম? আমি এবার রোমান্টিক স্বরে বললাম, মানে কাল রাতে বাবা যা বললেন। মা এবার অসহিষ্ণু হয়ে বললাম, বয়স হলে মানুষ এমনিতেই আধ পাগল হয়ে যায়। আর সামনে মৃত্যু নিশ্চিত জেনে উনি পুরো পাগল হয়ে গেছেন। তাই বলে কি আমাদের সবাইকেই পাগল হতে হবে? বলেই তিনি রান্না রেখে হনহন করে কিচেন থেকে বেরিয়ে গেলেন। আমি মৃদু হেসে তার কোমড় দুলুনির দিকে তাকিয়ে রইলাম।
Parent