মায়ের দুধের উপকারিতা ❤️‍?❤️‍? - অধ্যায় ২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71536-post-6092116.html#pid6092116

🕰️ Posted on December 6, 2025 by ✍️ ksvejwijwb (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1051 words / 5 min read

Parent
রুমা আক্তার, মাত্র ৩৬ বছর। কিন্তু দেখলে মনে হবে সবে ২৭-২৮ পেরিয়েছে। যেন সময় তার শরীরে হাতই দেয়নি। (ফিগারটা) গায়ের রং গম-ঝলমলে, রোদে পোড়া সোনালি আভা। ঘাড় থেকে কাঁধ, কাঁধ থেকে বুকের খাঁজ পর্যন্ত যেন আলতো সোনার গুঁড়ো ছড়ানো। চুল কালো, ঘন, কোমর ছাড়িয়ে যায়। খোঁপা খুলে দিলে বিছানায় ঢেউ খেলে। গন্ধটা এমন, একবার শুকলে মাথা ঘুরে যায়। মুখ গোল, ঠোঁট মোটা, নিচের ঠোঁটটা সবসময় একটু ভেজা ভেজা লাগে। চোখ দুটো বড়, গভীর, কাজল ছাড়াই যেন কথা বলে। চোখের নিচে হালকা কালি পড়েছে রাত জাগার জন্য, কিন্তু সেই কালিই তার মুখে একটা নিষিদ্ধ আকর্ষণ এনে দিয়েছে। বুকটা… ওফ্! দুধে টইটম্বুর, ভারী, গোল। ব্লাউজ পরলে বোঝা যায়, কাপড় টানটান হয়ে থাকে। বোঁটা দুটো গাঢ় বাদামী, বড়, চারপাশে হালকা গোলাকার দাগ। দুধ বেরোলে একটু একটু ভিজে যায় কাপড়, তখন বোঁটা দুটো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কোমর সরু, কিন্তু নাভিটা গভীর, গোল, যেন কেউ আঙুল ডুবিয়ে রেখেছে। পেটে হালকা মেদ, হাত দিলে আঙুল ডুবে যায়। নিতম্ব ভারী, গোল, শাড়ি পরলে দুলে দুলে চলে। হাঁটলে যেন ছন্দে ছন্দে কথা বলে। পা লম্বা, উরু মোটা কিন্তু শক্ত। বাছুরে হালকা মাংস। পায়ের পাতা ছোট, আঙুল সুন্দর। পায়ে সবসময় একটা পাতলা রুপোর নুপুর, হাঁটলে মিহি শব্দ হয়। সবচেয়ে ভয়ংকর জিনিসটা হলো তার গন্ধ। ঘাম, দুধ, আর তার শরীরের নিজস্ব মাদকতা মিশে এমন একটা গন্ধ বেরোয়, রাহাত বলে, “মা, তোমার গন্ধে আমি পাগল হয়ে যাই।” আর রুমা হেসে বলে, “তোর জন্যই তো এত গন্ধ বের করি।” ৩৬ বছর বয়সে যে নারী এখনো দুধে ভর্তি, শরীরে আগুন, চোখে লজ্জা আর উত্তেজনা মিশে আছে, সেই নারীকে দেখলে যে কোনো পুরুষের শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।  কিন্তু এই নারীকে এখনো শুধুমাত্র তার একমাত্র ছেলে স্পর্শ করতে পারে । যদিও শুধুমাত্র পেটিকোটের উপরের অংশটা কিন্তু একজন এই একজনই এখন স্পর্শ করে । স্বামী করেছেন  কিন্তু মেয়ে হওয়ার পর এখনো সে আসেনি । তাই তার এই দুধে মাদকতা যুক্ত গন্ধ শরীর শুধুমাত্র ছেলেই  পেয়েছে।  প্রথম কয়েক সপ্তাহ রাহাত শুধু মাত্র কোনো রকমে শুধু বোটাটা শুধু চুষতো। তার ভীষণ ইচ্ছা হতো চকচকে কোমরটায় হাত দিতে, নরম দুধগুলো একটু একটু চাপতে কিন্তু লজ্জায় আর ভয়ে কিছু করতে পারত না। মায়ের পাশে শুয়ে শুধু আবছা অন্ধকারে  ব্লাউজের ফাঁকে দুটো দুধের কালো দেখতে শ্যামলা বোঁটা গুলো দেখতো । ছোট বোন রিয়ার দুধ খাওয়া শেষ হলে ব্লাউজটা ওইভাবে খোলা থাকতো। রুমা ওপাশ থেকে এই পাশে ফিরে মুখ দিয়ে এই আয়, হুম এসব শব্দ করতো।  রাহাত আবছা আলোতে বোঁটা টা খুঁজে নিয়ে চোষা শুরু করতো। এ সময় মা তাকে তার চুলে বিলি কাটতো। বিভিন্ন কথাবার্তা বলতো। মাঝে মাঝে তার একটা পা ছেলের গায়ের উপর দিত। এভাবে আস্তে আস্তে ছেলেও মায়ের গায়ে হাত দিত। তবে প্রথমে কোমরে, তারপর পিঠে, তারপর কোমরের আরেকটু নিচে অর্থাৎ নাভিতে। সব শেষে পেটিকোট ছিল তার বর্ডার লাইন। এর নিচে কখনো নামেনি তখনটো সাহসও হয়নি। তবে বুক টেপা ছিল একটা ...। যাক ঘটনাটা বলি.... রাত তখন এগারোটার একটু বেশি। রিয়া ঘুমে। ঘর অন্ধকার, শুধু বেডল্যাম্পের হলদে আলো। রাহাত মায়ের বুকে মুখ ডুবিয়ে দুধ খাচ্ছে। চুকচুক… চুকচুক… হঠাৎ রাহাত মুখ তুলে লজ্জা লজ্জা গলায় বলল, “মা… একটা জিনিস বলব?” রুমা চোখ বন্ধ করে হাসল, “কী আবার নতুন আবদার?” রাহাত আঙুল দিয়ে মায়ের ব্লাউজের ওপর দিয়ে বোঁটা ঘুরিয়ে বলল, “আমি… আমি হাত দিয়ে একটু ধরতে পারি? শুধু ছুঁয়ে… টিপব না।” রুমা চোখ খুলে দুষ্টু হেসে বলল, “ওরে বাবা! মুখ দিয়ে খাচ্ছিস, এখন হাতও চাই? লোভী ছেলে কোথাকার!” রাহাত মুখ লাল করে, “মা… প্লিজ… শুধু একটু ধরব… তোমার বুকটা এত নরম… হাত না দিয়ে থাকতে পারছি না।” রুমা হেসে ছেলের গাল টিপে দিল। “আচ্ছা বাবা, দিচ্ছি। কিন্তু শুনে রাখ, আমার এই দুটো দুধের ব্যাগ শুধু তোর জন্যই ভর্তি থাকে।  টিপলে তো ফেটে যাবে। আচ্ছা তবে আস্তে আস্তে ঠিকাছে ?" রাহাত চোখ চকচক করে মাথা নাড়ল। রুমা উঠে বসলো  নিজেই ব্লাউজটা খুলে ফেলল। প্রথমবার রাহাত কোন মেয়েদের দুটো দুধ এভাবে কাপড় ছাড়া দেখল। রুমা পাশে শুইয়ে ছেলের দিকে একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলল “ জোরে জোরে চাপ দিবি না । আর যদি নখ বসিয়ে দিস তাহলে আজকেই শেষ। ” রাহাত দুহাত বাড়িয়ে আলতো করে দুটো বুক ধরল। “মা… এত গরম… এত নরম…” রুমা দুষ্টু গলায়, “দুধ নরম তুলতুলে হয় বোকা ছেলে?” রাহাত লজ্জায় হাসল, “টিপব?” রুমা চোখ টিপে, মিষ্টি গলায়, “টিপ না বাবু… দেখ কিভাবে দুধ বের হয়। উফ বোকা ছেলে‌ কিছুই বোঝেনা … ” রাহাত দুহাতে আলতো করে চাপ দিল। দুধের দুটো ফোয়ারা বেরিয়ে রাহাতের মুখে আর বুকে ছিটকে গেল। রাহাত হেসে উঠল, “মা… দেখো… ফোয়ারা!” রুমা হো হো করে হাসতে হাসতে ছেলের মুখে আরো দুধ ছিটিয়ে দিল। “এই নে তোর ফোয়ারা… আমার লোভী ছেলে… এখন টিপে টিপে খা…  সকালে যদি দেখি নখ বসিয়েছিস পিঠের মাইর কিন্তু একটাও মাটিতে পড়বে না। এখন আমার ঘুম পাচ্ছে তুমি আস্তে আস্তে ঘুমিয়ে পড়…” রাহাত আবার মুখ ডুবিয়ে দিল, হাতে হাতে বুক টিপতে লাগল। রুমা চোখ বন্ধ করে শুধু হাসছে আর ফিসফিস করছে, “আমার ছোট্ট রাজা… আমার দুধের ব্যাগ দুটো শুধু তোর… টিপ… আরো টিপ… মা তোর জন্যই তো এত ভর্তি থাকে…” ..... সকালে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে রুমা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বুকটা দেখল। ব্লাউজের কথা মনে পড়তেই ভাবলো ওটা তো ওই খাটের উপর। মনে মনে  বলল, “কাল থেকে মনে হয় না আর রাতে দরজা লাগানোর পর ব্লাউজ পড়া লাগবে ” বুকের দুপাশে, বোঁটার চারপাশে, এমনকি বুকের নিচের দিকে হালকা হালকা লালচে দাগ। অনেক খুঁটে খুঁটে দেখার পরও কোন  নখের দাগ না পাওয়ায় ভীষণ খুশি হল। আঙুলের ছাপ, চাপের দাগ, একটু একটু ফুলে আছে। কাল রাতে রাহাত যখন প্রথম হাত দিয়ে টিপছিল, একটু বেশিই উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিল। রুমা আয়নায় নিজের বুকের দিকে তাকিয়ে মনে মনে হাসল। তারপর নিজের সঙ্গেই দুষ্টু কথা বলতে লাগল… “আহা রে… কালকের ছোট্ট শয়তানটা যা টিপেছে! দেখো তো, আমার দুধের ব্যাগ দুটোতে কত লাল লাল ফুল ফুটিয়ে দিয়েছে। এই দাগগুলো যেন বলছে, ‘আমরা রাহাতের হাতে চাপা পড়েছি’। উফ্… ওর আঙুলের ছাপ এখনো গরম গরম লাগছে।সে আঙুল দিয়ে একটা লাল দাগে হালকা ছুঁল। শিহরণ খেলে গেল। মনে মনে আবার বলল, “এই দাগগুলো যেন তার পেটে জন্ম নেওয়া একটা ছোট্ট শয়তানের ” আজ সারাদিন এই দাগ নিয়ে ঘুরব। ব্লাউজের নিচে লুকিয়ে রাখব। যখনই ব্লাউজটা ঘষবে, মনে পড়বে কাল রাতে আমার ছেলে আমার বুক দুটো কীভাবে নিজের করে নিয়েছিল। আহ্… আর রাত হতে এখনো এত দেরি!” রুমা হেসে ফেলল। তারপর ব্লাউজ পরতে পরতে মনে মনে বলল, “আজ রাতে আবার যদি টিপিস বাবু, তাহলে আরো লাল করে দিস… মা তোর হাতের ছাপ পুরো বুকে নিয়ে ঘুমাবে… তোর জন্যই তো আমার এই দুধের ব্যাগ দুটো এখনো এত ভর্তি আর গরম থাকে…” আয়নায় নিজেকে দেখে আরেকটা দুষ্টু হাসি দিয়ে সে রান্নাঘরের দিকে চলে গেল। বুকে লাল দাগগুলো লুকিয়ে, কিন্তু মনটা পুরোপুরি রাহাতের নামে লেখা। আর সারাদিন শুধু একটা অপেক্ষা… রাত হলে আবার সেই হাতের ছাপ নতুন করে ফুটবে।
Parent