মায়ের দুধের উপকারিতা ❤️‍?❤️‍? - অধ্যায় ৩৬

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71536-post-6215838.html#pid6215838

🕰️ Posted on May 22, 2026 by ✍️ ksvejwijwb (Profile)

🏷️ Tags:
📖 3311 words / 15 min read

Parent
অ্যাক্সিডেন্টের পর রুমার কাছে মুহূর্তটা ছিল অদ্ভুতরকম শান্ত। রুমার শুধু মনে আছে বাসের একটা প্রচন্ড ধাক্কায় সামনে ট্রাকের দিকে চলে গিয়েছিলো। তার কলিজার টুকরাটা তাকে জড়িয়ে ধরেছিল। প্রচন্ড গতিতে সামনের দিকে যাওয়ার সময় রাহাত তার বুকেই ছিল। হয়তো ট্রাকে ধাক্কা খাওয়ার সময়ও রাহাত তার সামনে ছিল। শেষবার শুধু রাহাতের একটা হাত ধরেছিল সেটা অনুভব করলো কিন্তু রাহাতকে তার আশেপাশে পেল না। ছোট মেয়েটা কেউ পেল না। প্রচণ্ড ধাক্কা, চিৎকার, ধাতব শব্দ — সবকিছুর পর হঠাৎ একটা গভীর নীরবতা। রুমার শরীরের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই আর অনুভব করতে পারছিল না। হাত নেই, পা নেই, বুকের উঠানামা নেই, এমনকি হৃদস্পন্দনও নেই। সে যেন তার শরীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে। সামনে কেমন যেন একটা উজ্জ্বল কিছু আছে। যার কারণে ঠিকমতো চোখ মেলতে পারছে না। আশেপাশে অদ্ভুত কেমন লোকজন যেন আছে। রুমা জানেনা সে মুখ দিয়ে কিছু বলতে পেরেছে কিনা তবুও চেষ্টা করল। মুখ দিয়ে হয়তোবা রাহাতের নাম বলেছিল অথবা বলেনি, কিন্তু রুমা ওই অদ্ভুত লোকদের কাছে রাহাতের খবর জানতে চাইলো। হয়তো সে সব অদ্ভুত লোকেরা রুমার কথা বুঝতে পেরেছিল। রুমার চারপাশে অদ্ভুত সবকিছু ঘোলা। আর তার মাথা ঠিক উপরে প্রচন্ড উজ্জল কিছু একটা আছে। প্রথম কয়েক মুহূর্ত সে ভাবল হয়তো সে অজ্ঞান হয়ে আছে অথবা গিয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে সে বুঝতে পারল — এটা অজ্ঞানতা নয়। এটা অন্য কিছু। একটা অদ্ভুত, হালকা, ওজনহীন অবস্থা। তার চারপাশে কোনো দিক নেই, উপর-নিচ নেই, শুধু একটা অসীম শূন্যতা। রুমা এতক্ষণ অদ্ভুত যা কিছু দেখছিল সেগুলো এখন আর দেখতে পাচ্ছে না। রুমা এটাও বুঝতে পারছে না তার চোখ খোলা নাকি বন্ধ। রুমার আশেপাশের পরিবেশে আর কোন রং নেই। রুমার জানা অজানা সকল রং মিশে অদ্ভুত একটা রং তৈরি করেছে। তারপর শুরু হল অদ্ভুত অনুভূতি। তার শরীরহীন সত্তার চারপাশে যেন এক ধরনের অদৃশ্য তরঙ্গ বয়ে যাচ্ছে। গ্র্যাভিটির মতো, কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন। কখনো টানছে, কখনো ঠেলছে, কখনো আলতো করে দোলাচ্ছে। এই তরঙ্গের সাথে তার মনের ভিতর একটা অদ্ভুত শান্তি ও বিস্ময় মিশে যাচ্ছিল। অসীম শূন্যতায় ভাসতে ভাসতে রুমা বারবার একটা নাম মনে করার চেষ্টা করছিল — রাহাত। কিন্তু সে ঠিকমতো মনে করতে পারছিল না। শুধু একটা অস্পষ্ট, গভীর অনুভূতি হচ্ছিল যে, রাহাত মানে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। কিছু একটা আছে, যা তার অস্তিত্বের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সে আরও চেষ্টা করল — নীলা… রিয়া… এই দুটো নামও তার মনে ভেসে উঠছিল। কিন্তু যতবারই সে এই নামগুলো ধরার চেষ্টা করছিল, ততবারই তার সামনে শুধু হিজিবিজি, ভাঙা ভাঙা ছবি ভেসে উঠছিল। কোনো স্পষ্ট স্মৃতি নয়, শুধু অস্পষ্ট আবেগের টুকরো। রুমা সর্বোচ্চ চেষ্টা করল। সে তার সমস্ত চিন্তা-ভাবনা এক করে, স্মৃতির গভীরে ডুব দিতে চাইল। কিন্তু যত জোরে চেষ্টা করছিল, ততই সবকিছু ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে, যখন সে নিজেকে সম্পূর্ণ ছেড়ে দিল, যখন সব চেষ্টা বন্ধ করে দিল — ঠিক তখনই তার সামনে ধীরে ধীরে ভেসে উঠতে লাগল তার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয়, সবচেয়ে খুশির ঘটনাগুলো। একের পর এক উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত স্মৃতি। কোনোটায় তার ছেলের প্রথম হাসি, রুমার ছোটবেলার ঘটনা, তার বাবা মা, ছোট বোন নীলা, কোনোটায় তার বুকে দুধ খাওয়ানোর মুহূর্ত, কোনোটায় রাহাতের সাথে জড়াজড়ি করে শুয়ে থাকা অসংখ্য রাত… সেসব স্মৃতি এখন আর ভাঙা নয়, পুরোপুরি জীবন্ত হয়ে তার চেতনায় ভরে উঠছিল। প্রথম স্মৃতি: রুমার সামনে ভেসে উঠল, সেটা তার ছোটবেলার। সে দেখতে পেল নিজেকে — ছোট্ট রুমা, বয়স তখন মাত্র দশ-এগারো। তাদের গ্রামের বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে সে চিৎকার করছে। তার সামনে তার ছোট বোন নীলা কাঁদছে। দুজনের মধ্যে ঝগড়া লেগেছে — কোনো একটা খেলনা নিয়ে। কিন্তু রুমা কখনো হারতে চাইত না। সে তার ছোট বোনের চুল ধরে টেনে ধরেছে, গলা ফাটিয়ে চিৎকার করছে। “আমারটা! এটা আমার! তুই ছাড়!” রুমার গলা ছিল সবচেয়ে উঁচু। বাড়ির সব ভাই-বোন, এমনকি বড়রাও তার গলার সামনে চুপ হয়ে যেত। রুমা ছিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে জেদি, সবচেয়ে সাহসী আর সবচেয়ে জোরালো কণ্ঠস্বরের মেয়ে। সবাই তার কথা শুনতো। কেউ তার সাথে তর্ক করতে সাহস পেত না। দেখতে পেল — তার মা এসে তাকে ধমকাচ্ছে, কিন্তু রুমা চোখের জল ফেলেও নিজের জেদ ছাড়ছে না। সে তার ছোট বোনকে জড়িয়ে ধরে বলছে, “তুই আমার ছোট, তাই আমার কথা শুনবি।” রুমা বুঝতে পারল — তার জীবনের সব বড় সিদ্ধান্তের মূলে ছিল এই জেদ। রাহাতকে নিজের করে নেওয়ার সাহসও এই জেদ থেকেই এসেছিল। দ্বিতীয় স্মৃতি: সে দেখতে পেল নিজেকে — বয়স তখন মাত্র ১২-১৩। গ্রামের বাড়ির পুরনো টিনের ঘর। রাত গভীর হয়েছে। চারপাশ অন্ধকার, শুধু একটা ছোট কেরোসিনের ল্যাম্প জ্বলছে। নীলা, তার ছোট বোন, তখন খুব ছোট। নীলা একদিন রাতে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখেছিল — বাবা-মা কী করছে। নীলা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে রুমার কাছে এসে বলেছিল, “আপু, ভাইয়ারা এই ছিদ্র দিয়ে কী যেন দেখে। আমিও দেখেছি… বাবা-মা খুব অদ্ভুত কিছু করছে।” রুমা প্রথমে বিশ্বাস করেনি। কিন্তু নীলার জেদের কাছে হার মেনে সেও একদিন রাতে লুকিয়ে গিয়েছিল। দুই বোন পাশাপাশিক ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিয়েছিল। সেই দৃশ্যটা রুমার চোখের সামনে এখনও অত্যন্ত স্পষ্ট। বাবা মাকে চিত করে শুইয়ে দিয়েছে। মায়ের শাড়ি কোমর পর্যন্ত তোলা। বাবা মায়ের উপর উঠে জোরে জোরে নড়াচড়া করছে। মা মুখ দিয়ে অদ্ভুত শব্দ করছে — “আহ্… উফ্… জোরে…”। বাবার কোমর উঠছে-নামছে, আর প্রতিবার ধাক্কায় খাটটা কাঁপছে। মায়ের দুধ দুটো উপর-নিচ করছে। বাবা মাঝে মাঝে মায়ের দুধ মুখে নিয়ে চুষছে। রুমা সেই প্রথমবার দেখেছিল নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক। তার শরীরটা অজান্তেই গরম হয়ে উঠেছিল। তার ছোট ছোট দুধের বোঁটা শক্ত হয়ে গিয়েছিল। পায়ের মাঝখানে একটা অদ্ভুত আনচান অনুভূতি হয়েছিল। সে বুঝতে পারছিল না কী হচ্ছে তার শরীরে, কিন্তু সে চোখ সরাতে পারছিল না। নীলা তার পাশে কাঁপছিল। “আপু, ওরা কী করছে?” রুমা চুপ করে ছিল। কিন্তু তার মাথার ভিতর ঘুরছিল — “এটাই তাহলে সেই জিনিস… যার কথা বড়রা লুকিয়ে বলে। এটাই তাহলে বিয়ে করার পর হয়।” এই স্মৃতিটা রুমার মনে একটা তীব্র অনুভূতি জাগিয়ে তুলল। সে বুঝতে পারল — তার যৌনতার প্রথম বীজ এই ঘটনা থেকেই রোপিত হয়েছিল। তৃতীয় স্মৃতি: রুমা দেখতে পেল নিজেকে — বয়স তখন মাত্র ১৪। সকালবেলা। রুমা ঘুম থেকে উঠে দেখল তার কাপড়ে লাল দাগ। প্রথমে সে বুঝতেই পারেনি কী হয়েছে। তারপর যখন বুঝল, তার সারা শরীর কেঁপে উঠল। লজ্জায় তার মুখ লাল হয়ে গেল। সে দ্রুত কাপড় পাল্টাতে গেল, কিন্তু তার মা দেখে ফেলল। মা চিৎকার করে উঠল, “ও মাগো! আমার মেয়ের পিরিয়ড হয়েছে!” এক মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাড়ি সরগরম হয়ে গেল। খবর ছড়িয়ে পড়ল গ্রামে। একে একে সব মহিলারা ছুটে আসতে লাগল। রুমাকে ঘিরে প্রায় ২৫-৩০ জন মহিলা জড়ো হয়ে গেল। কেউ তার মাথায় হাত বুলাচ্ছে, কেউ তার গাল টিপছে, কেউ হাসছে, কেউ উপদেশ দিচ্ছে। রুমা লজ্জায় মরে যাচ্ছিল। সে মাথা নিচু করে বসে আছে। তার চোখে পানি। সে চাইছিল মাটিতে মিশে যেতে। তার ছোট ছোট দুধ দুটো বুকের কাপড়ের নিচে লুকানো, কিন্তু সে মনে করছিল সবাই তার শরীরের প্রতিটা অংশ দেখে ফেলছে। মহিলারা তার কাছে এসে বলছে, “এখন থেকে তুই বড় হয়ে গেলি রে…” “প্রতি মাসে এটা হবে, সাবধানে থাকিস…” “ছেলেদের কাছ থেকে দূরে থাকিস…” “এখন তোর বিয়ে দিতে হবে…” রুমা কোনো কথা বলতে পারছিল না। তার গলা আটকে গেছে। সে শুধু লজ্জায় কাঁপছিল। তার মনে হচ্ছিল সে আর কখনো মুখ তুলে তাকাতে পারবে না। বিশেষ করে যখন কোনো বয়স্ক মহিলা তার কোমরে হাত দিয়ে বলল, “এখন তোর শরীরে রক্ত আসছে, এখন ছেলেদের থেকে অনেক দূরে থাকিস। না হলে বিপদ হবে।” সেই মুহূর্তে রুমা প্রথমবার অনুভব করেছিল — তার শরীর আর শুধু তার নয়। এটা এখন সমাজের, গ্রামের, আত্মীয়স্বজনের নজরের বিষয় হয়ে গেছে। সে যেন আর শুধু রুমা নয়, সে এখন “বড় হয়ে যাওয়া মেয়ে”। এই স্মৃতিটা তার মনে একটা অদ্ভুত শক্তি দিল। চতুর্থ স্মৃতি: তারপর ভেসে উঠল আরেকটি স্মৃতি — রুমার বয়স তখন ১৫-১৬। গ্রামের বাড়ির পাশের আমবাগানে সন্ধ্যার আলো ঝিমিয়ে আসছে। রুমা একা দাঁড়িয়ে ছিল। তার দূর সম্পর্কের ফুফাতো ভাই — নাম ছিল জয়নাল — লুকিয়ে লুকিয়ে এসে তার সামনে দাঁড়াল। ছেলেটি কয়েক মুহূর্ত ইতস্তত করে তারপর বলল, “রুমা, আমি তোকে অনেকদিন ধরে পছন্দ করি। আমার সাথে প্রেম করবি?” রুমা প্রথমে চমকে উঠেছিল। তারপর তার মুখে একটা অদ্ভুত হাসি ফুটে উঠল। সে খুশি হয়েছিল — কারণ কেউ তাকে পছন্দ করেছে, তার মতো করে দেখেছে। কিন্তু সেই খুশির সাথে সাথে তার মধ্যে জেদও জেগে উঠল। সে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে, গলা উঁচু করে বলেছিল, “না। আমি তোর সাথে প্রেম করব না।” জয়নাল অনেক অনুরোধ করেছিল, কিন্তু রুমা একবারও নরম হয়নি। সে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছিল — “আমি যাকে চাইব, তাকেই চাইব। তোকে চাই না।” কিন্তু এরপর থেকেই জয়নালের আচরণ বদলে যেতে শুরু করল। সে রুমার পিছনে লাগতে লাগল। একদিন সন্ধ্যায় কেউ না থাকায় সে রুমাকে একা পেয়ে তার শাড়ির আঁচল ধরে টান দিয়েছিল। অশ্লীল কথা বলেছিল, তার শরীরের দিকে লোভী চোখে তাকিয়েছিল। রুমা প্রথমে ভয় পেয়েছিল, কিন্তু তারপর তার সেই জেদ আবার জেগে উঠল। রুমা চিৎকার করে উঠেছিল। পুরো বাড়ি জড়ো হয়ে গিয়েছিল। রুমা কাঁদতে কাঁদতে সবাইকে বলেছিল — “ও আমার শাড়ি ধরে টেনেছে… আমাকে খারাপ কথা বলেছে।” বাড়ির পুরুষরা — তার বাবা, ভাইয়েরা, চাচারা — একসাথে জয়নালকে ধরে ফেলল। তারপর শুরু হল গণধোলাই। রুমা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল। প্রতিটা চড়-থাপ্পড়ের সাথে তার মনে একটা অদ্ভুত শক্তি অনুভব করছিল। সে ভাবছিল — “আমি কাউকে ভয় পাই না। কেউ আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে আমি ছাড়ব না।” শেষমেশ জয়নাল রুমার পায়ের কাছে পড়ে কাঁদতে কাঁদতে মাফ চাইল। “আমাকে ক্ষমা করে দে রুমা… আমি আর কখনো এমন করব না পঞ্চম স্মৃতি: রুমার বয়স তখন ১৭। তার বড় ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে। বাসর রাত। পুরো বাড়ি আলোয় ঝলমল করছে, কিন্তু বাসর ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। রুমা তার চাচাতো-মামাতো ভাই-বোনদের সাথে লুকিয়ে লুকিয়ে ঘরের মেন ফটকের কাছে উঁকি দিচ্ছিল। সবাই খুব উত্তেজিত। কেউ দরজার ফাঁক দিয়ে, কেউ জানালার ছিদ্র দিয়ে দেখার চেষ্টা করছে। রুমা ছিল সবার সামনে। সে একেবারে দরজার ফাঁকে চোখ লাগিয়ে দেখছিল। ভিতরে তার বড় ভাই তার নতুন বউকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছে। বউয়ের শাড়ির আঁচল খসে পড়েছে, ব্লাউজের হুক খোলা। ভাইয়ের লুঙ্গি অনেকটা নেমে গেছে। তার ৬ ইঞ্চি কালো, শক্ত বাড়া বেরিয়ে আছে। বউ লজ্জায় মুখ লুকিয়ে আছে, কিন্তু ভাই তাকে ছাড়ছে না। রুমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল। ঠিক তখনই তাদের প্রিয় দুষ্টু মামী (যে সবসময় ফাজলামি করত) পিছন থেকে এসে সবাইকে একটা জোরে ধাক্কা দিল। ধাক্কা! রুমা সামনে ঝুঁকে পড়েছিল। ধাক্কা খেয়ে সে দরজা ভেঙে একেবারে বাসর ঘরের ভিতর ছিটকে পড়ল। সবাই চুপ। রুমা মেঝেতে পড়ে গিয়ে মুখ তুলতেই দেখল — তার বড় ভাইয়ের শক্ত কালো বাড়াটা একেবারে তার মুখের সামনে ঝুলছে। মাত্র দেড়-দুই ফুট দূরত্ব। ভাবি লজ্জায় শাড়ি দিয়ে নিজেকে ঢাকার চেষ্টা করছে, কিন্তু তার বুক অনেকটা খোলা। এক মুহূর্ত পুরো ঘর নীরব। তারপর হুলুস্থুল পড়ে গেল। ভাই চিৎকার করে উঠল, “এই শয়তান মেয়ে! কী করছিস তুই?!” বউ লজ্জায় কাঁদতে শুরু করল। বাড়ির সবাই ছুটে এল। রুমাকে ঘিরে ধমক, চিৎকার, হাসি — সব মিলিয়ে একটা কেলেঙ্কারি। সব দোষ এসে পড়ল রুমার ঘাড়ে। “রুমা সবাইকে নিয়ে দেখতে গিয়েছিল”, “রুমা দরজা ভেঙেছে” — এইসব কথা বাড়ির সবার মুখে ছড়িয়ে পড়ল। রুমা লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে চাইছিল। তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে, কিন্তু সে কোনো কথা বলতে পারছিল না। কিন্তু সেই দুষ্টু মামী এবং আরও কয়েকজন মুরব্বি মহিলা রুমাকে বাঁচিয়ে দিল। মামী হাসতে হাসতে বলল, “আরে ছাড় তো! ও তো ছোট মেয়ে। কৌতূহল তো হবেই।” শেষমেশ অনেক হাসি-ঠাট্টার মাধ্যমে ঘটনাটা মিটে গেল। কিন্তু রুমার কাছে এটা ছিল জীবনের অন্যতম হাসির এবং লজ্জার ঘটনা। ষষ্ঠ স্মৃতি: রুমার বিয়ের দিনের বাসর রাত। সেই রাতে ঘরটা ছিল ফুলের গন্ধে ভরা। রুমা লজ্জায় মাথা নিচু করে বসেছিল। আশেপাশের মেয়েদের কাছ থেকে সে যা শুনেছিল, তাতে তার মনে ভয় আর উত্তেজনা দুটোই ছিল। সে ভেবেছিল আজ রাতে তার স্বামী তাকে জড়িয়ে ধরবে, তার শরীরের সাথে নিজেকে মিলিয়ে দেব। কিন্তু বাস্তবে কিছুই সেরকম হয়নি। তার স্বামী খুব ভদ্র ও নম্রভাবে তার সাথে কথা বলেছিল। তার হাত ধরে আস্তে আস্তে জিজ্ঞাসা করেছিল তার মনের কথা, তার স্বপ্নের কথা। কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না, কোনো অসভ্যতা ছিল না। কিছুক্ষণ নরম সুরে কথা বলার পর তিনি শান্তভাবে বললেন, “আজ অনেক রাত হয়েছে। তুমি ঘুমিয়ে পড়ো।” এই বলে তিনি শুয়ে পড়লেন। রুমা পাশে শুয়ে চুপচাপ তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে রইল। তার মনে এক অদ্ভুত অনুভূতি — স্বস্তি, বিস্ময় আর অল্প একটু অপূর্ণতা। সে বুঝতে পারল, তার স্বামী একজন সত্যিকারের ভদ্র মানুষ। সপ্তম স্মৃতি: স্বামীর সাথে রুমার প্রথম সহবাস। বাসর রাতের পর কয়েকদিন কেটে গিয়েছিল। এক রাতে, যখন ঘরে শুধু মৃদু আলো জ্বলছিল, রুমার স্বামী তাকে আস্তে আস্তে কাছে টেনে নিলেন। রুমা লজ্জায় কাঁপছিল। তার স্বামী খুব আলতো করে তাকে আদর করলেন, চুমু খেলেন, কিন্তু যখন তিনি তার শরীরের সবচেয়ে নিভৃত জায়গায় প্রবেশ করলেন, রুমার সারা শরীরে তীব্র ব্যথার ঝড় বয়ে গেল। তার যৌনি দিয়ে প্রচুর রক্ত বেরিয়েছিল সেদিন। ব্যথাটা ছিল অসহ্য। রুমা দাঁতে দাঁত চেপে মুখ চেপে ধরেছিল, কিন্তু তবুও তার গলা থেকে কিছুটা কঁকিয়ে ওঠা শব্দ বেরিয়ে এসেছিল — ব্যথা আর অল্প একটু অপূর্ব অনুভূতির মিশ্রণ। তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছিল। সকালে উঠে দেখা গেল পুরো খাটের চাদর রক্তে ভেসে গেছে। রুমার শাশুড়ি এবং বাড়ির অন্যরা বিষয়টা বুঝতে পেরে রাহাতের বাবাকে ইচ্ছেমতো বকাঝকা করেছিলেন। শাশুড়ি খুব রেগে গিয়ে কয়েকদিন রুমাকে তার স্বামীর সাথে এক ঘরে ঘুমাতে দেননি। অষ্টম স্মৃতি: রুমার প্রথম প্রেগনেন্সি টেস্ট। সেদিন বাথরুমে দাঁড়িয়ে রুমা কাঁপা হাতে টেস্ট কিটটা ধরে ছিল। দুই মিনিট অপেক্ষা করার পর যখন দুটো লাল লাইন স্পষ্ট হয়ে উঠল, তার চোখ দিয়ে আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। সে দু’হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে চুপচাপ কাঁদতে লাগল — খুশিতে, উত্তেজনায়, আর এক অপূর্ব মাতৃত্বের অনুভূতিতে। এটাই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটির আবির্ভাবের শুরু। রুমা সেদিন বাথরুমের দরজা বন্ধ করে অনেকক্ষণ একা বসে ছিল। তার মনে শুধু একটাই ইচ্ছে ছিল — তার প্রথম সন্তান যেন মেয়ে হয়। একটা ছোট্ট, সুন্দর মেয়ে, যাকে সে নিজের আদরে ভরিয়ে রাখবে। কিন্তু ভাগ্য তার ইচ্ছের উল্টো পথে হেঁটেছিল। তবুও সেই মুহূর্তটা তার কাছে ছিল অবিস্মরণীয়। তার শরীরের ভিতরে একটা নতুন প্রাণের স্পন্দন শুরু হয়েছিল — যে প্রাণ পরবর্তীতে তার জীবনের সবচেয়ে প্রিয়, সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও সবচেয়ে জটিল সম্পর্ক হয়ে উঠবে। নবম স্মৃতি: রাহাতের সুসংবাদ। আল্ট্রাসনোগ্রামের ঘরে রুমা শুয়ে ছিল। তার হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে উঠছিল। ডাক্তার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে একটু হেসে বললেন, “কনগ্র্যাচুলেশনস্। এটা একটা ছেলে।” মুহূর্তের জন্য রুমার সময় থেমে গেল। তার চোখ দুটো ভিজে উঠল। সে কয়েকশো রাত ধরে একটা ছোট্ট মেয়ের স্বপ্ন দেখেছিল — মেয়েকে কোলে নিয়ে ঘুরবে, তার চুল বেঁধে দেবে, তাকে রাজকন্যার মতো সাজাবে। কিন্তু এখন, এক মুহূর্তে সব স্বপ্ন বদলে গেল। ডাক্তারের কথা শোনার পর রুমার মনে এক অদ্ভুত, অন্যরকম অনুভূতি জেগে উঠল। তার বুকের ভিতর যেন একটা নতুন ঢেউ উঠল। ছেলে। তার পেটের ভিতরে একটা ছেলে বড় হচ্ছে। সেই মুহূর্ত থেকে রুমা ছেলেকে নিয়ে কয়েক হাজার স্বপ্ন দেখতে শুরু করল। সে কল্পনা করতে লাগল — তার ছেলে কেমন দেখতে হবে, কেমন হাসবে, কেমন করে তার আঙুল ধরবে, কবে প্রথম “আম্মু” বলবে। মেয়েকে নিয়ে যত স্বপ্ন দেখেছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি, অনেক গভীর স্বপ্ন এখন ছেলেকে ঘিরে তৈরি হতে লাগল। রুমা চোখ বন্ধ করে হাত দিয়ে নিজের পেটে আলতো করে হাত বুলাল। তার ঠোঁটে একটা মৃদু, আবেগভরা হাসি ফুটে উঠল। এই ছেলেটাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অধ্যায় হয়ে উঠবে — রাহাত। দশম স্মৃতি: রুমার কাছে তার সবচেয়ে মূল্যবান উপহার আসা। রুমার পরিচিত হাসপাতাল। রাহাতের ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিন। অপারেশন থিয়েটারের উজ্জ্বল আলোয় রুমা দুই পা ফাঁক করে শুয়ে ছিল। তার কপালে ঘামের ফোঁটা, চুল ভিজে গেছে, শ্বাস ভারী। সে জোরে জোরে পুশ করছিল। তার সাথে ছিল শুধু মহিলা ডাক্তার ও নার্সের দল — রুমা টাকার বিনিময়ে সবকিছু এমনভাবে সাজিয়েছিল যেন কোনো পুরুষ ডাক্তার তার কাছে না আসে। ইসলামিক পর্দার প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও লজ্জাবোধের কারণে সে এই ব্যবস্থা করেছিল। পাশে দাঁড়িয়ে ছিল তার ছোট বোন নীলা। নীলা রুমার হাত শক্ত করে ধরে সাহস দিচ্ছিল, “আরেকটু জোরে, আপু… আরেকটু…” রুমা সর্বশক্তি দিয়ে একবার জোরে পুশ করতেই রাহাতের ছোট্ট মাথাটা এবং মুখটা বেরিয়ে এল। সেই মুহূর্তে রুমা তার ছেলের মুখ দেখতে পেল। এক অপূর্ব, অবর্ণনীয় অনুভূতি তার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। কিন্তু সেই সাথে তার শরীরের সমস্ত শক্তি যেন এক নিমেষে নিঃশেষ হয়ে গেল। রুমার চোখের সামনে সবকিছু ঝাপসা হয়ে এল। সে প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়তে যাচ্ছিল। নীলা চিৎকার করে উঠল, “আপু! আপু! চোখ খোলো!” ডাক্তার ও নার্সরা দ্রুত সাপোর্ট দিতে লাগলেন। অক্সিজেন, ইনজেকশন — সবকিছু করা হল। রুমা মৃত্যুর খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিল, কিন্তু তার বোন নীলা আর ডাক্তারদের অক্লান্ত চেষ্টায় সে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এল। একাদশ স্মৃতি: রাহাতের প্রথম দুধ খাওয়া এবং ছেলেকে ছুঁয়ে দেখা। ডেলিভারির কয়েক ঘণ্টা পর। রুমা হাসপাতালের বিছানায় আধশোয়া হয়ে ছিল। তার শরীর এখনও দুর্বল, কিন্তু মন ছিল অসীম আনন্দে ভরা। নার্স ছোট্ট রাহাতকে কোলে করে নিয়ে এসে তার বুকের কাছে রাখলেন। রুমা কাঁপা হাতে প্রথমবার তার ছেলেকে ছুঁয়ে দেখল। নরম, উষ্ণ, ছোট্ট শরীরটা তার বুকের উপর এসে লাগতেই তার সারা শরীরে এক অদ্ভুত অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল। যেন বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে। তার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল, চোখ দিয়ে অঝোরে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগল। এই অনুভূতি ভাষায় বোঝানো যায় না — মাতৃত্বের সবচেয়ে পবিত্র, সবচেয়ে গভীর স্পর্শ। রুমা তার ছেলের ছোট্ট মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে দিল। তারপর নিজের বুকের একটা দুধ বের করে ছেলের ছোট্ট ঠোঁটের কাছে ধরল। রাহাত প্রথমবার মায়ের দুধ মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার ছোট্ট জিভ আর ঠোঁটের নড়াচড়ায় রুমার শরীরে আবার সেই অপূর্ব অনুভূতি জেগে উঠল। রুমা চোখ বন্ধ করে ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরল। তার গাল বেয়ে খুশির অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। এই মুহূর্তে সে অনুভব করছিল — তার জীবন এখন আর আগের মতো নেই। এই ছোট্ট প্রাণটি তার সবকিছু হয়ে উঠেছে। দ্বাদশ স্মৃতি: রাহাতের মু'স'ল'মা'নি (খৎনা)। সেদিন রুমা রাহাতের থেকেও বেশি কেঁদেছিল। অপারেশন টেবিলে তার ছোট্ট ছেলেটাকে শুয়ে থাকতে দেখে তার বুক ফেটে যাচ্ছিল। রাহাত ঘুমের মধ্যে ছিল, কিন্তু রুমা পুরো সময় চোখের পানি সামলাতে পারেনি। তার মনে হয়েছিল, তার সন্তানের শরীরে এই কষ্ট সে নিজে নিতে পারলে কত ভালো হতো। মু'স'ল'মা'নি'র পর রাহাতের নুনুর ঘা শুকিয়ে গেলেও অনেকদিন ধরে প্রচণ্ড চুলকানি হতো। বিশেষ করে রাতের দিকে চুলকানি বেড়ে যেত। রুমা প্রতিবেশী এক খালার কাছ থেকে একটা বিশেষ ট্রিক শিখেছিল — বেশি চুলকালে নুনু চুষে দেওয়া। রুমা: (অবাক ও লজ্জায় চোখ বড় করে) কী বলো খালা! এভাবে নুনু চোষা যায় নাকি? কোনো সমস্যা হবে না তো? প্রতিবেশী খালা: (হেসে) আরে সমস্যা হবে কেন? আমার তিন ছেলের মু'স'ল'মা'নির সময় তো আমিই চুষে দিয়েছিলাম। এখন তো দিতাম, কিন্তু আমি মুখে পান খাই এজন্য আর করি না। রুমা: (এখনও দ্বিধায়) তবুও ডাক্তারকে একবার জিজ্ঞাসা করে নেই। প্রতিবেশী খালা: ধুর! ডাক্তারকে বললে আরো একগাদা ওষুধ দিয়ে দিবে। তার থেকে বরং আমার বুদ্ধিটা শোনো। রুমা: (লজ্জায় গাল লাল হয়ে) আমার না ভয় করছে, যদি কোনো কিছু হয়ে যায়। আর ছেলেকেও বা কী বলবো!! ও যদি জিজ্ঞাসা করে আমি কী করছি তাহলে কী বলবো!! প্রতিবেশী খালা: আমার নিজের ছেলেদের সময় আমি চুষে দিয়েছি। বড় বোনের ছেলেটাকেও চুষে দিয়েছি। রুমা: (আরও অবাক হয়ে) বলেন কী খালা!! প্রতিবেশী খালা: আরে আমার ছোট ছেলের মু'স'ল'মা'নি করিয়েছি ১৫-১৬ বছর বয়সে। মু'স'ল'মা'নির সময় ওর নুনুতে কী যেন হয়ে অনেক লাল হয়ে গিয়েছিল আর প্রচণ্ড চুলকাত। এত বড় ছেলের নুনু যখন চুষে দিতাম, ছেলেটা নিজেকে ধরে রাখতে পারত না। আমার মুখেই মাল ফেলে দিত। রুমা: (লজ্জায় মুখ নিচু করে) ছিঃ এহ্হে… প্রতিবেশী খালা: ছোট ছেলেটাকে আমি প্রায় এভাবে দুই মাস তার নুনু চুষে দিয়েছে। ছেলেটা খালি বলতো তার নুনুটা নাকি অনেক চুলকায়। দিনে দুই তিনবার এরকম আমার মুখে মাল ফেলতো। মাল ফেলার পরেই সে একেবারে ঠান্ডা হয়ে যেত। বুঝছো, দিনে এরকম দু-তিনবার করায় আমার ছেলেটার শরীল একেবারে শুকিয়ে যায়। রুমা: তো খালা বাদ দিয়ে দিতেন। প্রতিবেশী খালা: ওই যে চুলকানি। খালি চুলকাত। আরে, যাকে দিয়া মু'স'ল'মা'নিটা করাইছি, ও এক নাম্বারে বজ্জাত ছিল। তোমার খালুকে কত নিষেধ করলাম তারপরও তোমার খালু ওকে দিয়ে করালো। রুমা: তারপরে খানা কি হলো? প্রতিবেশী খালা: তো আর কী করবো। নিজেরই তো ছেলে। একদিকে কেমন কষ্ট পাচ্ছিল, তাই আর বারণ করিনি। কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে আসতো, আমিও চুষে দিতাম। ছেলেটাও ভালো ছিল, কারো সামনে আবদার করতে না। ঘরে যখন কেউ থাকতো না তখনই চাইতো। তারপরেও আমি একটা ঘরের দরজা বন্ধ করে নুনুটা চুষে খেতাম। দরজা বন্ধ করতাম কারণ কেউ যদি দেখে ফেলে তাহলে কি না কি ভাববে। মাশাল্লাহ দিলে আমার ছেলের নুনুটা ভালোই বড় ছিল। (রুমাকে একটা ধাক্কা দিয়ে) এইযে, যেই সুন্দর কইরা ছেলেটা প্যান্ট খুলতো, নুনুটা এমনে সোজা হয়ে দাঁড়ায় থাকতো। মুখে দিলে একেবারে গলা পর্যন্ত চলে আসলো। মাঝে মাঝে মালটা আমার মুখের উপর ফেলতো। আবার বুকের উপর ফেলতো। রুমা: আপনার কাপড় নষ্ট হয়ে যেত না? প্রতিবেশী খালা: না আগেই তো কাপড় খুলে রাখতাম। এজন্যই তো দরজা বন্ধ করতাম। রুমা: ছেলের সামনে… প্রতিবেশী খালা: আরে বাচ্চা ছেলে কাপড় খুললে কি সমস্যা হয়। তাছাড়া আমার পেটেরই তো ছেলে, বড় হোক আর ছোট হোক। ছেলের একটু লেংটা হলে কিছু হয় না। রুমা: বাহ্বা, খালা আপনার তো ভালোই সাহস আছে। প্রতিবেশী খালা: শোন যে বুদ্ধি দিয়েছি, ওইভাবে করো। ও একটু আরামে থাকবে, তুমিও একটু শান্তি পাবে। রুমা: (কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে) আচ্ছা দেখি খালা, কী করা যায়। পরে রুমা সিদ্ধান্ত নিল যে সে এই কাজটা করবে। আর যখন সে প্রথমবার রাহাতের চুলকানো নুনুটা মুখে নিয়ে চুষে দিল, তখন সে নিজেও অবাক হয়ে গেল। খুব ভালো ফলাফল পেল। রাহাতের চুলকানি অনেকক্ষণের জন্য কমে যেত। যখন রাহাতের নুনু খুব বেশি চুলকাত, রুমা তাকে কোলে নিয়ে আস্তে আস্তে তার নুনুটা মুখে নিয়ে চুষে দিত। উষ্ণ, নরম জিভ দিয়ে আলতো করে চেটে চুষে দিতে থাকত। অদ্ভুতভাবে এই পদ্ধতিটা খুব ভালো কাজ করত। চুষে দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই চুলকানি অনেকটা কমে যেত এবং রাহাত শান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ত।
Parent