মায়ের দুধের উপকারিতা ❤️‍?❤️‍? - অধ্যায় ৪০

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71536-post-6215857.html#pid6215857

🕰️ Posted on May 22, 2026 by ✍️ ksvejwijwb (Profile)

🏷️ Tags:
📖 3571 words / 16 min read

Parent
সপ্তদশ স্মৃতি: ছোট্ট রিয়ার তখন চার কি পাঁচ মাস বয়স। রুমার বুকে যেন দুধের বন্যা ডেকেছিল। বাচ্চা হলে রুমার বুকে প্রচুর পরিমাণে দুধ হয়। (রাহাতের সময়ও একই ঘটনা হয়েছিল। রাহাত তার বাম পাশে দুধটা চুষে আর কামড়িয়ে বোঁটায় ঘা বানিয়ে ফেলেছিল।) এই সময় রুমার বুকে দুধের বন্যা ডেকে এসেছিল। রিয়া যখন জন্ম নিল, রুমার দুধ এত বেশি হয়েছিল যে সে কয়েকবার ভেবেছিল — যেসব বাচ্চারা বুকের দুধ পায় না, তাদের বিনামূল্যে তার দুধ ডোনেট করবে। সে থেরাপিস্ট এবং তার পার্সোনাল ডাক্তারের সাথে এই ব্যাপারে আলোচনাও করেছিল। সবাই তাকে সাধুবাদ জানিয়েছিল। কিন্তু সমস্যা ছিল একটা — মেশিনের মাধ্যমে দুধ বের করতে হবে। তখন ছোট ছোট মেশিন সহজলভ্য ছিল না। তাই রুমার কাছে দুটো অপশন ছিল — হয় ব্রেস্টপাম্প দিয়ে দুধ বের করবে, নয়তো হাসপাতালে বা বেবি কেয়ার সেন্টারে গিয়ে কোনো পর পুরুষের সামনে নিজের বুকের দুধ বের করবে। ব্রেস্টপাম্পে রুমার সমস্যা হতো। সে পারত না। হাত দিয়ে এত দুধ চিপে ফেলা সম্ভব ছিল না। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়ে, অনেক নিশ্চিন্ত ভাবনার পর রুমার মুশকিল-আসান রাহাতের দ্বারপ্রাপ্ত হল। রাহাতকে ওইভাবে মাস্টারবেশন থেকে ধরার পর রাহাত অনেকটা রুমার দূরে দূরে থাকতো। সে তার মায়ের আশেপাশে থাকলে কেমন যেন লজ্জা পেত। রুমার প্রেগন্যান্সির কারণে বাসায় একজন কাজের মহিলা কাজ করতো। সেই মহিলার শরীরটা ছিল বেশ নাদুস-নুদুস, দুধগুলো অনেক বড় বড় (প্রায় ৪৬ সাইজ)। রুমা এসব জিনিস অপছন্দ করলেও সে কাজ করতো খুব পরিষ্কারভাবে। রুমা খেয়াল করত — রাহাতের চোখ অনায়াসেই সেই কাজের মহিলার গভীর দুধের খাঁজে চলে যায়। আর সেই মহিলাও রাহাতের সাথে অনেক ফ্রি ভাবে থাকতো। রুমার প্রচণ্ড হিংসা হতো। তার চোখ দুটো ফেটে যেত। কিন্তু ভালো কোনো কারণ না থাকায় সে রাহাতকে বা সেই মহিলাকে সেভাবে ডাক দিতে পারছিল না। শেষে রুমা ওই কাজের মহিলার সাথে হিংসার কারণে তাকে কাজ করতে নিষেধ করে দিল। অন্য কোনো কাজের মহিলাও রাখল না। রুমার শরীরটা একটু সুস্থ হয়ে যাওয়ায় এখন ঘরের সব কাজই সে নিজে করতে পারে। রুমার ধারণা ছিল, “যে ছেলে এক সময় আমাকে ভেবে হস্তমৈথুন করত, সে আরেকটা নোংরা কাজের মহিলার সাথে থাকবে — এটা আমি মানতে পারব না। যদি ওই কাজের মহিলা ভুলিয়ে-বালিয়ে রাহাতকে নিজের কাছে নিয়ে যায়!! তাহলে আমার কী হবে!” এদিকে রুমার দুধের সমস্যাটা দিন দিন আরও গাঢ় হয়ে উঠছিল। রিয়া যখন জন্ম নেয়, রুমার বুকে যেন দুধের বন্যা ডেকে এসেছিল। ছোট্ট মেয়েটা যতই খেত, দুধ ততই বেড়ে যাচ্ছিল। রাহাতের সময়ও একই ঘটনা ঘটেছিল — রাহাত তার বাম দুধটা চুষে চুষে বোঁটায় ঘা বানিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু এবারের পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। রুমার বুক দুটো ভারী হয়ে টানটান হয়ে উঠত, কখনো কখনো ব্যথায় তার চোখে পানি চলে আসত। রুমা তখন একটা ব্রেস্ট ফিডিং ক্লাবের সাথে যুক্ত ছিল। সেখানে বিভিন্ন মায়ের সাথে তার পরিচয় হয়। একজনের সাথে তার বিশেষ বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে — নাম কাজী মনিরা। মনিরারও রুমার মতো একই সমস্যা ছিল। সে তার দশ বছর বয়সী মেয়েকে কয়েক মাস দুধ খাইয়ে ছিল। কাজী মনিরা তখন তার ছেলেকে দুধ ছাড়ানোর সময় পার করছিল, কিন্তু তার বুকে দুধ জমে ছিল যা ওষুধ এবং মেয়েকে খাওয়ানোর পরেও পুরোপুরি চলে যায়নি। রুমা মনিরার সাথে অনেক আলোচনা করত। মনিরা বলত, “দিদি, বুকের দুধ এত বেশি হলে শরীর খারাপ হয়। আমি তো আমার মেয়েকে খাইয়ে খাইয়ে শেষ করেছি। তোমার তো সবে শুরু। দ্রুত ব্যবস্থা নাও।” রুমা ভেবেছিল — যেসব বাচ্চারা বুকের দুধ পায় না, তাদের বিনামূল্যে তার দুধ ডোনেট করবে। সে কয়েকজন থেরাপিস্ট এবং তার পার্সোনাল ডাক্তারের সাথে এই ব্যাপারে আলোচনাও করেছিল। সবাই তাকে সাধুবাদ জানিয়েছিল। কিন্তু সমস্যা ছিল একটা — দুধ বের করার জন্য মেশিন লাগবে। তখনকার সময়ে ছোট ছোট হ্যান্ড পাম্প সহজলভ্য ছিল না। তাই রুমার কাছে দুটো অপশন ছিল: ১. ব্রেস্টপাম্প দিয়ে দুধ বের করা — কিন্তু এতে রুমার খুব সমস্যা হতো। সে পারত না। ২. হাসপাতালে বা বেবি কেয়ার সেন্টারে গিয়ে কোনো পর পুরুষের সামনে নিজের বুকের দুধ বের করা। দ্বিতীয় অপশনটা রুমার কাছে একেবারেই অসম্ভব ছিল। সে একজন পর্দাশীল নারী। তার শরীরের কোনো অংশ কখনো কোনো অপরিচিত পুরুষ দেখেনি। তাই সে একপ্রকার বাধ্য হয়ে, অনেক নিশ্চিন্ত ভাবনার পর তার মুশকিল-আসান রাহাতের দ্বারপ্রাপ্ত হল। ওই সময় রাহাতের বয়স ছিল ১৬/১৭ বছর। ১৬ বছরের একটা যুবক কতটুকু টগবগে হতে পারে সেটা রাহাতকে দেখলে বোঝা যেত। কয়েক মাস রুমার অবহেলার পর এখন সে পুরোদমে রাহাতের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। নিয়মিত কলেজ, ভালো ফ্রেন্ড সার্কেল, ক্রিকেট — সবকিছু চলছে। এদিকে রাহাতও আস্তে আস্তে আবার রুমার সাথে আগের মতো সম্পূর্ণ রকম ফ্রি হয়ে যাচ্ছে। রুমার সাথে রাহাতের সম্পর্ক ছিল একটা মা ছেলের সম্পর্কের রোল মডেল। রাহাত তার মায়ের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করত। রুমা তোর ছেলেকে সময়মতো শাসন করতো, সময় মত আদর করত। কিন্তু হয়তো আদরটা একটু বেশিই করত আর অন্য রকম করতো। ছোটবেলা থেকেই রাহাতকে মাঝে মাঝে খাইয়ে দেওয়া, তাকে গোসল করিয়ে দেওয়া, তার সাথে কথা বলার সময় একদম বন্ধুর মত আচরণ করা। ছোটবেলা থেকেই রাহাত সবসময় তার মায়ের সাথে সকল গোপন কথা শেয়ার করে। রাহাত যখন বাজে ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল তখন রাহাত রুমাকে অনেকবার বলতে চেয়েছিল। কিন্তু রুমার নিজের প্রতি ব্যস্ততার কারণে পারিনি। রুমা মনে মনে সিদ্ধান্ত নিল, "একটা ১০ বছরের মেয়ে যদি তার মায়ের বুকের দুধ খেতে পারে, তাহলে আমার ছেলে কোন আমারটা খাবে না। অবশ্যই আমার ছেলে আমার বুকের দুধ খাবে।" রুমার সাথে রাহাতের সম্পর্ক ছিল একটা মা-ছেলের সম্পর্কের রোল মডেল। রাহাত তার মায়ের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করত। রুমা ছেলেকে সময়মতো শাসন করতো, সময়মতো আদর করতো। কিন্তু হয়তো সেই আদরটা একটু বেশিই গভীর ছিল, একটু বেশিই অন্যরকম। ছোটবেলা থেকেই রুমা রাহাতকে মাঝে মাঝে খাইয়ে দিত, গোসল করিয়ে দিত, তার সাথে কথা বলার সময় একদম বন্ধুর মতো আচরণ করতো। ছোটবেলা থেকেই রাহাত সবসময় তার মায়ের সাথে সকল গোপন কথা শেয়ার করতো। কিন্তু সমস্যা হলো আরেক জায়গায়। রুমা আগে রাহাতের সাথে খুব ফ্রি ভাবে থাকতো। তার সামনে আলাদা করে জামা-কাপড় ঠিক করার প্রয়োজন মনে করত না। গোসল করানোর সময় রুমা শুধু একটা পায়জামা পরে থাকতো, তার ভারী দুধ দুটো সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকতো। রাহাতের সামনে নিজের শরীর নিয়ে কোনো লজ্জা বা সংকোচ ছিল না। কিন্তু রাহাতের ওই মাস্টারবেশনের ঘটনা জানার পর থেকে রুমা ছেলের থেকে নিজেকে কিছুটা পর্দা করতে শুরু করে। এখন গোসল করানোর সময় সে আর সঙ্গে সঙ্গে জামা খুলে ফেলত না। অনেক সময় জামা পরেই থাকতো, রাহাত চলে যাওয়ার পর খুলতো। রাতে ঘুমানোর সময়ও কিছুটা দূরত্ব রেখে ঘুমায়। অন্যান্য কাজেও রাহাতের সাথে একটু দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছিল। তার মনে এক ধরনের অস্বস্তি আর সতর্কতা কাজ করছিল — ছেলেটা এখন বড় হয়েছে, তার শরীরের দিকে নজর পড়ছে। কিন্তু এখন রুমা যদি তার ছেলেকে আবার বুকের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে চায়, তাহলে সর্বপ্রথম কাজ হলো রাহাতকে আগের মতো তার কাছে টেনে আনা। রুমা সিদ্ধান্ত নিল, তাকে আবার ছোট বাচ্চার মতো ট্রিট করতে হবে। রাহাতকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে সে এখনও তার মায়ের কোলের শিশু। রুমা আস্তে আস্তে সেই প্রক্রিয়া শুরু করল। প্রথমে রাহাত কিছুটা অস্বস্তি বোধ করলেও ধীরে ধীরে সে তার মায়ের কাছে আবার ছোট হয়ে যেতে লাগল। রাতে রুমার সাথে ঘুমানো, এত বড় হয়েও সম্পূর্ণ ন্যাংটা হয়ে গোসল করা, কলেজের প্রতিটি ঘটনা মাকে বলা, যখন তখন মায়ের গালে চুমু খাওয়া, জড়িয়ে ধরা — এসব আবার শুরু হলো। বিশেষ করে রিয়াকে দুধ খাওয়ানোর সময় রুমা কখনোই রাহাতের সামনে আলাদা করে পর্দা করত না। সে ইচ্ছে করেই রাহাতকে দেখাতো যে রিয়া ঠিকমতো তার বুকের দুধ খেতে পারছে না। রুমা আস্তে আস্তে রাহাতের মনে এই ধারণা প্রবেশ করাতে লাগল যে, তার ছোট বোনটা এখনও মায়ের দুধের স্বাদ পুরোপুরি নিতে পারছে না, কিন্তু তার বড় ছেলে রাহাত তো সেই দুধের স্বাদ অনেক আগে থেকেই চেনে। এইভাবে রুমা তার ছেলেকে আবার নিজের শরীরের কাছাকাছি নিয়ে আসার একটা সূক্ষ্ম, ধীরে ধীরে চলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছিল। তার মনে মাতৃত্বের দায়িত্ব আর একটা গভীর, নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষা একসাথে মিশে যাচ্ছিল। যেমন একদিন রাত্রে ঘুমানোর সময়, রুমা রিয়াকে কোলে নিয়ে দুধ খাওয়াচ্ছিল। রাহাত পাশেই শুয়ে ছিল। ছোট্ট মেয়েটা কয়েক মিনিট চুষেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। রুমা তার ভারী, টসটসে দুধটা মেয়ের মুখ থেকে সরিয়ে নিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার বুকের ভিতরে দুধ জমে এতটাই ফুলে উঠেছে যে ব্যথা করছে। রুমা: (ক্লান্ত ও বিরক্ত স্বরে) দেখেছিস, ও কিরকম করছে। এতটুকু দুধ খেয়েই শেষ। সারারাত আমাকে জ্বালাবে। ঠিকমতো বুকের দুধ খায় না। আমার বুকে দুধ জমে থাকে শুধু শুধু। রাহাত পাশে শুইয়ে ছিল। তার চোখ দুটো মায়ের উন্মুক্ত দুধের দিকে আটকে ছিল। সে গলা খাঁকারি দিয়ে বলল, রাহাত: আম্মু, রিয়া খায় না কেন? খেলে কি সমস্যা? রুমা তার ছেলের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। তার চোখে একটা চতুর আলো জ্বলে উঠল। রুমা: কী জানি কী সমস্যা? আমার একদমই ভালো লাগে না। তুই ছোটবেলায় কত ভালো ছিলি। ওর মতো এরকম করতিস না। চুপচাপ আম্মুর দুধ খেয়ে ফেলতিস। পেট ভরে যাওয়া পর্যন্ত টেনে টেনে খেতিস। রাহাতের গালে লজ্জা মিশ্রিত একটা হাসি ফুটে উঠল। সে একটু নড়েচড়ে বসল। রাহাত: দেখেছো, আমি কত ভালো ছিলাম, আর তুমি আমাকে বকাঝকা করতে। রুমা: (হালকা হেসে) তুই অতটাও ভালো ছিলি না রে। একবার দুধ খাওয়া শুরু করলে তোর পেট ভরা না হওয়া পর্যন্ত ছাড়তিস না। কতদিন তুই দুধ খাওয়ার পরপরই বমি করে দিয়ে আবার দুধ খেতে চেয়েছিস। আমার কোল ভিজিয়ে দিতিস। রাহাত হাসতে হাসতে মাথা নিচু করে ফেলল। তার কান দুটো লাল হয়ে গিয়েছে। রাহাত: আমি কীভাবে বলবো, আমার তো কিছু মনে নেই। রুমা রিয়াকে পাশে শুইয়ে দিয়ে নিজের ভারী দুধটা হাত দিয়ে একটু চেপে ধরল। দুধের বোঁটা থেকে এক ফোঁটা সাদা দুধ বেরিয়ে এল। রুমা ছেলের দিকে তাকিয়ে আস্তে আস্তে বলল, রুমা: রিয়া যদি তোর মতো এখন আমার দুধগুলো খেয়ে ফেলত, তাহলে আমার আর কোনো চিন্তা থাকতো না। বুকটা এত ভারী লাগে... রাহাতের গলা শুকিয়ে গেল। তার চোখ দুটো মায়ের দুধের দিকে স্থির হয়ে আছে। অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে সে ফিসফিস করে বলল, রাহাত: আম্মু... আমি... এখন খাই? রুমা ভিতরে ভিতরে শিহরিত হয়ে উঠল। তার মুখে একটা লজ্জার ভান করে হাসি ফুটিয়ে তুলল। রুমা: যা ফাজিল ছেলে। (হাসতে হাসতে) তুই কীভাবে আমার বুকের দুধ খাবি? তুই তো এখন অনেক বড় হয়ে গিয়েছিস! রাহাত: তাতে কী হয়েছে? রুমা: (একটু গম্ভীর হয়ে) এত বড় ছেলে মায়ের বুকের দুধ খেতে নেই রে। রাহাত: কেন? রুমা: নিষেধ মানে নিষেধ। আর এসব আবদার করবি না। রাহাত চুপ হয়ে গেল। কিন্তু তার চোখে একটা তীব্র, অদম্য আকাঙ্ক্ষা জ্বলতে লাগল। তার মনে বারবার ঘুরছিল — কবে মামনির বুকের দুধ আবার খাবে। সেই উষ্ণ, মিষ্টি স্বাদ, মায়ের নরম শরীরের স্পর্শ... সবকিছু তার মাথার ভিতর ঘুরপাক খাচ্ছিল। ওদিকে রুমা মনে মনে খুবই খুশি হচ্ছিল। তার ঠোঁটের কোণে একটা চতুর, সন্তুষ্ট হাসি লুকিয়ে ছিল। সে ভাবছিল — ঘুঘু তার ফাঁদে পা দিয়েছে। এখন শুধু রশিটা আস্তে আস্তে টেনে ঘুঘুকে খাঁচায় ভরার বাকি। রুমা আস্তে আস্তে তার আরও কঠিন এবং গভীর ফাঁদগুলো পাততে থাকে রাহাতের দিকে। তার শরীরে তখন প্রচণ্ড অস্বস্তি আর দুধের ব্যথা, কিন্তু তবুও রুমার কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না। সে জানতো, হুট করে বড় কোনো পদক্ষেপ নিলে রাহাত ভয় পেয়ে যেতে পারে বা বিপরীত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তাই সে খুব ধীরে, খুব সাবধানে, ছেলেকে রসিয়ে রসিয়ে নিজের কাছে টেনে আনতে লাগল। তার লক্ষ্য ছিল একটাই — এই সম্পর্ক যেন কেউ কোনোদিন না জানতে পারে। এটা তাদের দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। একদিন সন্ধ্যায় রুমা রাহাতকে ডেকে নিয়ে বসাল। সে তার বাম দুধটা একটু চেপে একটা ছোট বাটিতে অল্প কয়েক ফোঁটা দুধ বের করে নিল। দুধটা ঘন, সাদা আর সামান্য হলুদাভ। রুমা বাটিটা রাহাতের সামনে এগিয়ে দিয়ে নরম গলায় বলল, রুমা: তুই না এত বলিস রিয়ার দুধ খেতে কিরকম লাগে। দেখ তো, কেমন লাগে! রাহাত কিছুক্ষণ ইতস্তত করে বাটিটা হাতে নিল। তারপর ছোট ছোট চুমুক দিয়ে দুধটা খেল। তার চোখ-মুখের ভাব পাল্টে গেল। একটা অদ্ভুত, মিষ্টি, পরিচিত স্বাদ তার জিভে ছড়িয়ে পড়ল। সে মুখ তুলে মায়ের দিকে তাকাল। রাহাত: (আস্তে আস্তে) আম্মু... এটা অমৃতের মতো। খুব ভালো লাগছে। রুমা ভিতরে ভিতরে শিহরিত হয়ে উঠল। তার ছেলের এই কথায় তার শরীরের ভিতরে একটা গরম তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ল। কিন্তু বাইরে সে হাসি চেপে রেখে বলল, রুমা: আবার খাবি? রাহাত লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল, কিন্তু তার চোখে স্পষ্ট আকাঙ্ক্ষা জ্বলছিল। সে চুপ করে থাকলেও তার শরীরের ভাষা বলে দিচ্ছিল — সে আরও চায়। এভাবেই রুমা ধীরে ধীরে তার ছেলেকে নিজের পাতা ফাঁদের ভিতর টেনে আনতে লাগল। ছেলেকে রসিয়ে রসিয়ে, লোভ দেখিয়ে, ছোট ছোট পদক্ষেপে এগোতে থাকল। একটা সময় রাহাত চারপাশ থেকে জালে আটকে গেল। তার মন, তার শরীর, তার আকাঙ্ক্ষা — সবকিছু মায়ের দিকে ঝুঁকে পড়ল। তখন রুমা জালটা আস্তে করে খুলে দিয়ে ছেলেকে নিজের কাছে টেনে নিল। কিন্তু তার আগে সে রাহাতের সামনে একটা ব্যাগ শর্ত রাখল। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল: “কোনো অবস্থাতেই কাউকেই এই কথা বলা যাবে না। কেউ জানতে পারবে না। না বাবা, না খালা, না কোনো বন্ধু — কেউ না।” আরেকটা শর্ত ছিল — প্রতিটা শর্ত মানতে হবে, কোনোটাই ভাঙা যাবে না। রুমা ছেলের চোখের দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত কিন্তু দৃঢ় গলায় বলেছিল, এই শর্তগুলো না মানলে কোনো কিছুই হবে না। রাহাত তখন এতটাই আকাঙ্ক্ষায় ডুবে ছিল যে সে সব শর্ত মেনে নিল। তার চোখে শুধু একটাই চাওয়া ছিল — মায়ের বুকের দুধ, মায়ের শরীরের কাছে যাওয়া। রুমা ভিতরে ভিতরে গভীর সন্তুষ্টি অনুভব করল। তার ফাঁদ এখন পুরোপুরি সফল হয়েছে। এখন শুধু ছেলেকে ধীরে ধীরে নিজের শরীরের গভীরে নিয়ে যাওয়া বাকি। রুমা অবশেষে একদিন রাহাতকে তার বুকের দুধ খাওয়ার অনুমতি দিল। সেদিন রাতটা ছিল অস্বাভাবিকভাবে নীরব। ছোট মেয়ে রিয়া আগে থেকেই ঘুমিয়ে পড়েছিল। রুমা ঘরের আলো কমিয়ে দিয়ে খাটের উপর উঠল। রাহাত খাটের একপাশে বসে ছিল, তার চোখে অধীর আগ্রহ আর একটা অদ্ভুত উত্তেজনা মিশে ছিল। তার হৃদপিণ্ড জোরে জোরে ধুকপুক করছিল। সে বারবার গিলছিল, গলা শুকিয়ে যাচ্ছিল। রুমা খাটে উঠেই কোনো কথা না বলে তার মেক্সির হুক খুলতে শুরু করল। একটা একটা করে হুক খুলে সে বাম পাশের দুধটা সম্পূর্ণ বের করে দিল। তার ভারী, টসটসে, দুধে ভরা দুধটা বাইরে বেরিয়ে এল। বোঁটা দুটো ইতিমধ্যেই শক্ত হয়ে উঠেছিল। রুমা: (নরম কিন্তু স্পষ্ট গলায়) আয় খা। আজকে তোর স্বপ্ন পূরণ করে দিয়েছি। খুশি তো এবার? রাহাত এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। তার চোখ দুটো মায়ের দুধের দিকে স্থির হয়ে আছে। সে ফিসফিস করে বলল, রাহাত: আম্মু... আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। সত্যিই আমি তোমার বুকের দুধ খাব? রুমা: বিশ্বাস না হওয়ার কী আছে? তুই তো আমার ছেলে। এক সময় তুই এই দুধই খেয়ে বড় হয়েছিস। এখন শুধু একটু বড় আর দুষ্টু হয়ে গিয়েছিস। কিন্তু আমার কথা শুনলে তুই আবার আগের মতো ছোট বাচ্চা হয়ে যাবি। আর বাচ্চা হলে আমার দুধ খেতে পারবি, আমি তোকে আদর করব। রাহাত: (গলা ভিজে) আমি সারা জীবনই এরকম বাচ্চা হয়ে থাকতে চাই তোমার কাছে। রুমা: ছেলেরা সবসময় তার মায়ের কাছে বাচ্চাই থাকে। এখন বাচ্চার মতো দুধ খা। রাহাত আস্তে আস্তে মায়ের কাছে এগিয়ে গেল। প্রথমে সে খুব সংকোচের সাথে মুখ নামিয়ে দুধের বোঁটা মুখে লাগাল। শুধু লাগিয়েই রাখল, চোষার সাহস পাচ্ছিল না। রুমা কিছুক্ষণ দেখে হালকা হাসল। রুমা: আরে এরকম করছিস কেন? দুধ খাওয়া শুরু কর। রাহাত: এইতো খাচ্ছি... রুমা: এরকম করলে কি দুধ বের হবে? জোরে চোষ। আর তুই এত দূরে রয়েছিস কেন? আয় আমার কাছে আয়। রুমা ছেলেকে জোর করে কাছে টেনে নিয়ে জড়িয়ে ধরল। তার এক হাত রাহাতের মাথায়, অন্য হাত তার পিঠে। রাহাত এবার আরেকটু সাহস করে জোরে চুষতে শুরু করল। হঠাৎ গরম, ঘন দুধের একটা স্রোত তার মুখে এসে পড়ল। দুধের সেই অদ্ভুত মিষ্টি-নোনতা স্বাদ, মায়ের শরীরের গন্ধ, সব মিলিয়ে রাহাতের মাথা ঘুরে গেল। সে চোখ বন্ধ করে আরও জোরে চুষতে লাগল। রুমা: হ্যাঁ, এইভাবে... আরো জোরে চোষ। যত জোরে চুষবি তত বেশি দুধ বের হবে। রাহাত: (দুধ মুখে রেখেই) তাহলে ছোট বোনটা খায় কীভাবে? রুমা: ও তোর থেকেও বেশি জোরে চুষতে পারে। রাহাত: জোরে চুষলে তুমি যদি ব্যথা পাও? রুমা: আমি ব্যথা পাবো কেন? বোকা ছেলে একটা। রাহাত: হাত দিয়ে একটু টিপি তোমার মতো? রুমা: (দৃঢ় গলায়) একদম না। শর্ত কী দিয়েছি মনে নেই? হাত দিয়ে দুধ ধরা যাবে না। শুধু মুখে দিয়ে চুষতে পারবি। রাহাত: জামার উপর দিয়ে ওই পাশেরটা একটু ধরি? রুমা: একটাও না। রাহাত: তাহলে একটু হাত রাখি... হালকা করে। রুমা: আমার কোমরে হাত রাখ। আর তাছাড়া তোর হাতে বেশি সময় নেই। ১৫ মিনিটের মধ্যে আর ১০ মিনিট বাকি আছে। রাহাত মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরে আরও জোরে চুষতে লাগল। তার মুখ দিয়ে চুষে চুষে শব্দ হচ্ছিল। রুমা চোখ বন্ধ করে ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে গোপন আনন্দ অনুভব করছিল। এরপর থেকে প্রতি রাতে ১৫ মিনিট করে রুমা রাহাতকে দুধ খেতে দিত। প্রথম প্রথম রাহাত লজ্জা আর সংকোচ নিয়ে খেত, কিন্তু আস্তে আস্তে এটা তাদের দুজনের কাছেই অভ্যাস হয়ে গেল। একটা নতুন, গোপন, নিষিদ্ধ সম্পর্কের শুরু হলো। প্রথম প্রথম রাহাত খুবই সতর্কতার সাথে রুমার বুকের দুধ খেত। তার প্রতিটি নড়াচড়া ছিল সংকোচপূর্ণ, ভয় মিশ্রিত। সে যেন ভয় পেত যে, একটু বেশি জোরে চুষলেই মা হয়তো থামিয়ে দিতে পারে বা রাগ করবে। রুমাও খুব সাবধানে, নিয়ন্ত্রিতভাবে ছেলেকে দুধ খাওয়াতো। রাতে যখন দুজনে একসাথে শুয়ে থাকত, রুমা তখনও ছেলেকে পুরোপুরি জড়িয়ে ধরত না। সে একপাশে শুয়ে থাকতো, আর রাহাত তার পাশে কোনোমতে শুয়ে একটা দুধের বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতো। তাদের মাঝে এখনও একটা ছোট্ট দূরত্ব রাখা হতো — যেন সম্পর্কটা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে ওঠেনি। রুমা প্রথমদিকে ঘড়ি ধরে সময় নিয়ন্ত্রণ করত। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই নিয়ন্ত্রণ আলগা হয়ে যেতে লাগল। ১৫ মিনিটের জায়গায় ২০, তারপর ২৫ মিনিট পার হয়ে যেতেও রুমা ছেলেকে দুধ খাওয়াতে থাকত। তার যতক্ষণ ইচ্ছা হতো, ততক্ষণই রাহাতকে বুকে রাখতো। কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না। আস্তে আস্তে এই দুধ খাওয়াটা অনেক বেশি ফ্রি ও স্বাভাবিক হয়ে উঠল। আগে যেখানে রুমা একদিন বাম দুধ, পরের দিন ডান দুধ — এভাবে বদল করে খাওয়াতো, সেখানে এখন সে তার নিজের ইচ্ছামতো খাওয়ায়। যে দুধে বেশি দুধ জমে আছে, সেই দুধটাই প্রথমে খাওয়ায়। কখনো দুই দুধই খাওয়ায় — একটু একটু করে দুই পাশ থেকে। রাহাতও আর লজ্জা করে না। সে এখন আরাম করে মায়ের বুকে মাথা রেখে, কখনো উপরে উঠে, কখনো কাত হয়ে শুয়ে দুধ খায়। রুমা এখন ছেলেকে আরও জড়িয়ে ধরতে শুরু করেছে। তার এক হাত রাহাতের পিঠে, অন্য হাত চুলে বা কোমরে ঘুরে বেড়ায়। রাহাতও মায়ের শরীরের উষ্ণতা অনুভব করে আরও গভীরে ডুবে যায়। দুধ খাওয়ার সময় তাদের মধ্যে আর কোনো দূরত্ব থাকে না। এটা এখন তাদের দুজনের জন্য একটা গোপন, নিরাপদ, আরামদায়ক রীতিতে পরিণত হয়েছে। অষ্টাদশ স্মৃতি: রাহাতের দুধ খাওয়া শুরু হওয়ার ৩-৪ মাস পরের ঘটনা। ততদিনে রুমা এবং রাহাতের সম্পর্ক অনেক বেশি ফ্রি ও খোলামেলা হয়ে গিয়েছিল। যে সংকোচ আর দূরত্ব প্রথম প্রথম ছিল, সেটা প্রায় পুরোপুরি কেটে গিয়েছিল। রাহাত এখন তার মায়ের সামনে অনেক বেশি স্বাধীনভাবে নোংরা লুচ্চামি শুরু করে দিয়েছিল। রুমাও তাকে খুব একটা বাধা দিত না। বরং সে নিজেই ছেলেকে আরও সাহসী করে তুলছিল। রাতে ঘুমানোর সময় রুমা মাঝে মাঝে তার পুরো জামাটাই খুলে ফেলত। শুধু দুধ খাওয়ার সুবিধার জন্য নয়, ছেলেকে তার শরীরের পূর্ণ উষ্ণতা অনুভব করানোর জন্যও। আগে রাহাত যখন এক দুধ খেয়ে অন্য দুধে যেত, তখন রুমাকে আবার জামা সরাতে হতো। এই ঝামেলা এড়াতে সে এখন প্রায়ই সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে শুয়ে থাকত। তার নগ্ন শরীরের উপর রাহাত আরাম করে দুধ খেত। সেদিন দুপুরে রুমা রাহাতকে গোসল করিয়ে দিচ্ছিল। ছেলের নুনুর গোড়ার পশমগুলো সে যত্ন করে কেটে দিয়েছিল। গোসল শেষে রাহাতের তখনকার ৫ ইঞ্চি নুনুটা পুরোপুরি শক্ত হয়ে উঠেছিল এবং রুমার মুখের সামনে নড়াচড়া করছিল। রুমা হাঁটু গেড়ে বসে ছিল। হঠাৎ তার মাথায় কী যেন হয়ে গেল। সে নিজেও বুঝতে পারছিল না ঠিক কী করছে। রুমা তার ছেলের শক্ত নুনুটা হাত দিয়ে ধরে এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল। তারপর ঝুঁকে পড়ে পুরো নুনুটা মুখের ভিতর নিয়ে নিল। রাহাত চমকে উঠল। তার শরীরটা এক ঝটকায় শক্ত হয়ে গেল। কিশোর বয়সের সে কখনো এমন অনুভূতি পায়নি। রুমার গরম, ভেজা মুখের ভিতর তার নুনু পুরোপুরি ঢুকে যাওয়ায় সে অবাক হয়ে মায়ের মাথার দিকে তাকিয়ে রইল। কিন্তু আরামটা ছিল অসম্ভব তীব্র। রুমা কয়েক মুহূর্ত ধরে ছেলের নুনু চুষল, জিভ দিয়ে চেটে দিল। তারপর ধীরে ধীরে মুখ থেকে বের করে দিয়ে হালকা হাসল। সেদিন রাতে দুধ খাওয়ার সময় রাহাতের নুনু আবার দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। প্যান্টের ভিতর আটকে থাকায় সে অস্বস্তি বোধ করছিল। রুমা সেটা লক্ষ্য করল। রুমা: এখন থেকে তুই শুধু আন্ডারওয়ার পরে ঘুমাবি। প্যান্ট পরে থাকলে নুনুতে অসুবিধা হয়। এটাই ছিল রুমা এবং রাহাতের যৌন সম্পর্কের সত্যিকারের টার্নিং পয়েন্ট। এরপর থেকে রাহাত তার মায়ের প্রতি একেবারে দুর্বল হয়ে পড়ল। তার কচি যৌনতার সব অনুভূতি, সব আকাঙ্ক্ষা এখন শুধু রুমাকেই ঘিরে ঘুরতে লাগল। রুমাও তার শরীর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রেখে ছেলের হাতে ছেড়ে দিত। রাহাত প্যান্ট খুলে শুধু আন্ডারওয়ার পরে ঘুমাতো। রুমা ঘুমিয়ে পড়ার পর রাহাত তার মায়ের নগ্ন শরীরকে ইচ্ছেমতো ব্যবহার করত — জড়িয়ে ধরা, গালে, ঠোঁটে, ঘাড়ে চুমু খাওয়া, দুধ টেপা, শরীরে হাত বুলানো। রাহাতের সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল রুমার শরীরে নুনু ঘষা। বিশেষ করে তলপেটে আর নাভির চারপাশে। সে অনেকবার সেখানে বীর্যপাতও করেছে। রুমা ঘুম থেকে উঠে যখন শরীরে শুকনো বীর্যের দাগ দেখত, তখন সে ভাবতো হয়তো রাহাত স্বপ্নদোষ করেছে। সে ব্যাপারটাকে খুব একটা গুরুত্ব দিত না। বরং ভিতরে ভিতরে এক ধরনের গোপন মজা এবং উত্তেজনা অনুভব করত। এভাবেই তাদের গোপন সম্পর্ক আরও গভীর এবং নোংরা হয়ে উঠছিল। _______________ এরপর থেকে রুমার জীবনের শুধু সুখ আর সুখ। ছেলের সাথে শারীরিক সম্পর্ক শুরু হওয়ার পরবর্তী তিনটি বছর ছিল রুমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর, সুখময় এবং পরিপূর্ণ সময়। এই তিন বছরে তার মনে কোনো অভাববোধ ছিল না। শরীরে কোনো ক্ষুধা ছিল না। মনের ভিতরের সেই অতৃপ্তি, একাকিত্ব আর অস্থিরতা পুরোপুরি মুছে গিয়েছিল। রাহাত তার জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল — শুধু ছেলে হিসেবে নয়, তার প্রেমিক, তার সঙ্গী এবং তার সবচেয়ে গোপন আনন্দের উৎস হিসেবে। রুমা এখন প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠতো এক ধরনের পরিপূর্ণতা নিয়ে। রাতে ছেলেকে বুকে নিয়ে ঘুমানো, সকালে তার নুনুতে হাত দিয়ে জাগানো, দুপুরে লুকিয়ে লুকিয়ে আদর করা, সন্ধ্যায় গোসলের সময় একে অপরের শরীর মেখে নেওয়া — এসব এখন তার জীবনের নিয়মিত অংশ হয়ে গিয়েছিল। রাহাতও মায়ের প্রতি একেবারে আসক্ত হয়ে পড়েছিল। তার সব আকাঙ্ক্ষা, সব যৌনতা এখন শুধু রুমাকেই ঘিরে। এই সময়ের মধ্যে রুমার স্বামী কয়েকবার দেশে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু রুমা প্রতিবারই নানা অজুহাতে তাকে পিছিয়ে দিয়েছে। কখনো বলেছে ছেলের পরীক্ষা, কখনো মেয়ের অসুস্থতা, কখনো নিজের শরীর খারাপ। ভিডিও কলে যখন স্বামী উত্তেজিত হয়ে কথা বলত, রুমা তাকে ইচ্ছে করে আরও উত্তেজিত করে তুলতো, তারপর হঠাৎ করে কথা ঘুরিয়ে দিয়ে ঠান্ডা করে দিত। স্বামীকে সে দূরে রেখে দিয়েছিল। রুমা জানতো, তার স্বামী বিদেশে পুরোপুরি সৎ জীবন যাপন করছে না। আশেপাশের গোপন সূত্র থেকে সে জেনেছিল যে তার স্বামী নিয়মিত পতিতালয়ে যায়। প্রথম প্রথম এই খবরে তার খুব রাগ ও কষ্ট হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সে আর কোনো আপত্তি করেনি। বরং মনে মনে ভাবতো — “তুমি ওখানে সুখ নাও, আমি এখানে আমার ছেলের কাছ থেকে সুখ নিচ্ছি। তুমি আমাকে ছেড়ে গিয়েছিলে, আর আমি আমার ছেলেকে পুরোপুরি নিজের করে নিয়েছি।” রুমার কাছে এখন আর স্বামীর প্রয়োজন ছিল না। তার শরীরের প্রতিটা চাহিদা, মনের প্রতিটা আকাঙ্ক্ষা রাহাত পূরণ করে দিত। সে তার ছেলের কাছে সম্পূর্ণভাবে সুখী ছিল। এই তিন বছর ছিল তার জীবনের সোনালি অধ্যায় — নিষিদ্ধ, গোপন, কিন্তু অসম্ভব মধুর। রুমা মনে মনে ভাবতো, “যতদিন এই সুখ থাকে, আমি আর কিছু চাই না।”
Parent