আমার দুনিয়া ✍️Relax--Session with শাশুড়ি✍️ - অধ্যায় ৫০

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70990-post-6098140.html#pid6098140

🕰️ Posted on December 14, 2025 by ✍️ Ra-bby (Profile)

🏷️ Tags:
📖 333 words / 2 min read

Parent
(৫১) ছাদে বসেই আম্মাকে ফোন দিয়ে চুপিচুপি ছাদে ডাকলাম। ক্যামেরাই দেখছি, মিম ফোন রেখে পোশাক পড়ছে। শাশুড়ি আসলো। “বেটা এখন কিছু করা যাবেনা। মিম বুঝে যাবে।” কস্টে ও হাসি বের হলো। উনার ফিসফিসানি আমার দেহে আর নাড়া দিলোনা। যদিও উত্তেজক। “আম্মা একটা অনুরোধ করবো, রাখবেন?” “বলো বেটা?” “আজ আপনি আপনার রুমেই ঘুমাবেন। মিম ডাকলেও কোনো বাহানা দিয়ে আপনার রুমেই ঘুমাবেন। অন্তত আজকের জন্য।” “কেন বেটা কি হয়েছে?” “আমি নিজেও জানিনা কি হয়েছে। তবে কাল জানতে পারবো।” “কি বলছো এসব বেটা? আমি তো কিছুই বুঝছিনা।” “আম্মা, বাদ দেন। আমিও কিছুই বুঝছিনা। আপনি এখন যান। আমি একটু পর আসছি।” উনি চলে গেলেন। মিম টয়লেট ঢুকলো। ল্যাপটপ বন্ধ করে রুমে গেলাম। যথারীতি সবাই এক সাথে খেলাম। খেতে খেতে মিম তার মাকে অনেক কথাই বললো, সম্ভবত রিলাক্সেশনের ব্যাপারে। সত্যি কথা বলতে কি, কোনো কিছুই আমার মাথাই ঢুকেনি। আমার মাথা এখন মিমের গোপন রহস্যে লুকিয়ে।  খেয়ে রুমে আসলেই মিম জোরিয়ে ধরলো। একটা কথাই বুঝতে পারলাম, মিম  আমাকে আজ তার মায়ের ঘরে সুতে বলছে। আমি মাথা ব্যাথার বাহানাই সুয়ে গেলাম। বললাম, লাইট অফ করো। পারলে মাথাটা একটু টিপে দাও। ব্যাথাই মরে গেলাম।  মিম ওর মাকে ডাকতে চাচ্ছিলো, আমিই নিষেধ করলাম। আজ আর ডাকার দরকার নাই। আমার মাথা ছিরে যাচ্ছে যন্ত্রণাই। চোখ বন্ধ করে পরে আছি। মিম মাথা টিপছে। সে অনেক কথাই বলছে। আমার কানে কিছুই ঢুকছেনা। রাত ১টা নাগাদ। মিম সুলো। আমার চোখে ব্যাথা শুরু হয়েছে। বিনা ঘুমে এতক্ষণ চোখ বন্ধ রাখা বেশ কস্টের কাজ। মিমের ঘুমে যেতে ৩মিনিট ও লাগলোনা। ১০মিনিট পর বেড থেকে উঠলাম। মিমের ফোন নিয়ে বাথরুমে গেলাম।  গ্যালারি চেক করলাম। নাহ কিছুই নাই। ফেসবুক-মেসেঞ্জারে গেলাম। সেখানেও নাই। WhatsApp এ গেলাম।  WhatsApp এ নোটিফিকেশন অফ করা। কুচ তো হে দয়া। লাস্ট দুই ঘন্ঠা আগে একটা আননোন নাম্বার থেকে একটা মেসেজ এসে আছে। সেখানে লিখা: Ok. নাম্বারটা মুখস্তি করলাম।  Whatsapp  সেটিংস গেলাম।  চ্যাট লিস্ট থেকে চ্যাট ব্যাকাপে গেলাম। সমস্ত ডাটা বেকাপ করলাম তার ইমেইলে। ফাইলটা আমার ইমেইলে পাঠিয়ে ডিলিট করে দিলাম। বের হলাম টয়লেট থেকে। মিমের ফোনটা রেখে আমার ফোনটা নিয়ে ছাদে গেলাম। মুখস্তি করা নাম্বারটা আমার ফোনের ট্রু কলারে উঠালাম।  নাম ভেসে আসলো– “মোসিউর রহমান বাড়িওয়ালা।”
Parent