আমার দুনিয়া ✍️Relax--Session with শাশুড়ি✍️ - অধ্যায় ৯

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70990-post-6074166.html#pid6074166

🕰️ Posted on November 7, 2025 by ✍️ Ra-bby (Profile)

🏷️ Tags:
📖 426 words / 2 min read

Parent
(৯) ঘুম ভাঙ্গলো সকাল ৬:৩০ মিনিটে। আমার এলার্ম টোনে। প্রতিদিন এলার্ম দিয়ে রাখি। ৭টাই কাজে বসা লাগবে তাই। চোখ খুলেই দেখি শাশুড়ি আম্মা আমার মুখের কাছেই বসা। মাথার চুলে হাত বুলাচ্ছেন।  সর্বনাশ! রাত ৩টা থেকে এখন পর্যন্ত উনি এভাবেই আমার পাশে বসে আছেন। মিমকে দেখি পায়ের কাছেই এলোপাথালি সুয়ে ঘুমাচ্ছে।   “আম্মা আপনি এখনো ঘুমাননি? এখানে আর থাকা লাগবেনা আম্মা। আপনি যান গিয়ে রেস্ট নেন। আমি এখন ঠিক আছি।” উনাকে দেখে খুব খারাপ লাগলো। টানা সাড়েতিন ঘন্ঠা এভাবে বসে আছেন---কেমনে? “সমস্যা নাই বাবা। তুমি আরেকটু রেস্ট নাও। আমি পাশেই আছি।”   কান্না এসে গেলো যেনো। উনি আমার নিজের মা নন। শাশুড়ি হন। আমার গরুটাই কখন থেকে জানি পরে পরে ঘুমাচ্ছে। আরামের ঘুম। আমার নিজের ও কখন ঘুম এসে গেছিলো টের পাইনি। আর এদিকে আমার শাশুড়ি স্টিল নির্ঘুম। সেবাই নিয়োযিত।   “আম্মা আমি এখনি উঠবো। আমার একটু পরেই মিটিং আছে। আপনি যান রেস্ট নেন। দেখেন সালাম চাচাকে কিছু আনতে দিলে আনতে দেন।”   “তোমার চাচ্চু একটু আগেই তোমার জন্য অসুধ আর কিছু ফলমুল আনতে গেছে। ফ্রিজের ফল শেষের দিকে।”   আরেহ শালা, সালাম চাচাকেও জানানো হয়ে গেছে? “আচ্ছা আম্মা, আপনি যান চোখ মুখে পানি দেন। আমি ফ্রেস হই।” “আচ্ছা বেটা, তুমি ফ্রেস হয়ে নাও। আমি খাবার রেডি করছি।”   উনাকে পাঠাই দিলাম। আমিও তো মানুষ। উনার রাত জেগে থাকা, আমি সজাগ থাকলে দিতাম না। শাশুড়ি আমাদের জন্য অনেক কিছুই করছেন। সারাদিন রান্না, বাড়িঘর পরিষ্কার ইত্যাদি। আর এইযে গরুটা, পায়ের কাছে মরার মত পরে আছে, না করে রান্না,  না করে ঘরমোছা। অলসের বাচ্চা অলস!!!   “বেটা এই নাও চা খাও। মিটিং শেষ হলে নাস্তা দিচ্ছি। নাকি অল্প কিছু দিব এখানে এনে?” শাশুড়ির কথা শুনে মাথার ঘোর কাটলো। কখন যেন মিম উঠেগেছে। রুমেও দেখছিনা। “আম্মা নাস্তা পরেই খাবো। আপনার মেয়ে কোথাই গেলো?” “মিম খাচ্ছে বেটা। কলেজ যাবে নাকি, নোট আনতে।“ “অহ। আচ্ছ আম্মা। আপনি খেয়ে নেন। আমি কাজ শেষ করেই খাচ্ছি।“   “না বাবা তুমি কাজ শেষ করো। আমরা এক সাথেই খেয়ে নিব।“   মানুষটাকে কদিন থেকে যত দেখছি অবাক হচ্ছি।পড়াশোনার কারনে ছোট্ট থেকে বাইরে থেকেছি। সন্তান একটু বড় হলেই মায়ের ভালোবাসা কেমন  হয় সেটা কাছ থেকে বুঝিনি। ছুটিতে বাসাই যেতাম। ততটা থাকা হতনা। বয়স হয়ে এই প্রথম টানা দুইমাস কোনো একজন মা-এর সাথে থাকছি,দেখছি। আল্লাহ এমন মা যেন প্রতিটা ঘরে ঘরে দেন। আমার দুনিয়ায় আমরা মাত্র ৩জন মানুষ। ওরা দুজন ই আমার দেখা সেরা মেন্টালিটির। আমি আমার দুনিয়ায় চরমতম সুখি এক রাজা-যার রাজ্য সুখের সাগরে ভরা। “আচ্ছা আম্মু।“ এই প্রথম আমার মুখ থেকে “আম্মু” ডাক বের হলো। এতদিন “আম্মা” বলেই ডাকতাম। নিজের অজান্তেই “আম্মু” ডাক ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো। আমার শাশুড়ি আরেকটু আমার কাছাকাছি আসলেন। ফিসফিস করে বললেন, “আচ্ছা বেটা,কাল তো আমি তেলের শিশি তোমার রুমেই রেখে চলে গেছিলাম। মিম দেখে তোমাকে আবার কিছু জিজ্ঞেসা-টিজ্ঞেসা করেনি তো!?!”
Parent