অসহায় মায়ের যৌবন ভাগ বাটোয়ারা [ son cuckold story ] by black mamba - অধ্যায় ২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-69709-post-5998541.html#pid5998541

🕰️ Posted on July 29, 2025 by ✍️ own HAPPINESS (Profile)

🏷️ Tags:
📖 855 words / 4 min read

Parent
খ ¡!¡ সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি দেখলাম জনি নেই! কোথায় গেলো? লেপ উচু করতেই দেখি জনি লেপের তলে মায়ের ব্লাউজ ডাকা বুকের ভিতর মুখ গুজে শক্ত করে ঝাপটে ঘুমিয়ে আছে! আমি কিছু মনে করলাম না! ছেলেটার মা নেই হয়ত মায়ের কথা খুব বেশি মনে পড়ে এই জন্য নতুন পাতানো মাকে পেয়ে নিজের আদরের ভাগ গুলো বুঝে নিচ্ছে! আমি মাকে ডাকলাম মা চোখ খুলে জনির দিকে তাকালো! জনি কে দেখে আমার দিকে তাকিয়ে লজ্জা পেলো! মায়ের বিষয় টা আমি ধরতে পারি, আমিঃ মা জনি মায়ের ভালোবাসা বঞ্চিত এক ছেলে! মা নামক মমতা ময়ী নারীর আদর কেমন হয় সেটা কখনো উপভোগ করতে পারেনি! এখন থেকে তুমি ওকে সেই দুঃখ টা ঘুছিয়ে দিও! দেখেছো ছেলেটা বাড়িতে ঝগরা করে কোনো আত্নীয় বা মামা খালুদের বাড়ি আশ্রয় নেই নি! তোমার বুকে ঠায় নিয়েছে আপন ভেবে! তুমি ওকে যথেষ্ট ভালোবাসা দিবে আমার বিশ্বাস! আমি ওকে ভাইয়ের মতো ভাবি! মা আমার কথা শুনে খুশি হলো! জনিকে বুক থেকে সড়িয়ে বালিশে মাথা নিয়ে শুয়ায় দিলো! মায়ের বুকটা এবার সম্পুর্ন দেখলাম! বুঝ হওয়ার পর থেকে এই প্রথম আঁচল বিহীন মায়ের বুক দুটো নজরে পড়লো! আমি কোনো বদনজর না দিয়ে একদম শীতল দৃষ্টিতে মায়ের মাতৃভান্ডার দুটো দেখলাম! একসম আমি এগুলো খেয়ে ক্ষুদা নিবারন করেছি! মা আমার দিকে তাকিয়ে বুকের আঁচল জড়িয়ে নিলো! আমি উঠে ব্রাশ করে মাকে রান্নায় সাহায্যে করলাম! রান্না হয়ে গেলে! আমি জনিকে ডেকে তুলি! একসাথে খাওয়া শেষ করে আমি ইট ভাটায় চলে যায়! জনি নাকি আজকেও বাড়ি যাবেনা! আমি কাজ করে দুপুরে বাড়ি আসলাম! এসে দেখি বাড়িতে শুভও এসেছে! আমি শুভ কেও থাকতে বলে খেয়ে আবার কাজে চলে যায়। সন্ধায় বাড়ি ফিরি শুভ আজকে থাকবে! তাই আমি বন্ধুদের আপ্যায়ন করার জন্য বাজার থেকে মাংস কিনে নিয়ে গেলাম! রাতে ঘরে গিয়ে দেখি লেপ কম্বল এখনো শুকায়নি! এর মানে আজকেও মায়ের রুমে থাকতে হবে! রাতে সবাই মজা করে এগারোটার দিকে ঘুমাতে গেলাম! জনি মায়ের কাছে আজকেও শুলো! জনির পাশে শুভ এরপর আমি! আমি কিছু মনে না করে বন্ধুদের মাথে মজা করে গল্প করতে থাকি! একসময় আমি ঘুমিয়ে যায়! সকালে উঠে দেখি শুভ আমার পাশে নেই! মা কে মাঝখানে রেখে দুই পাশে ঘুমিয়ে আছে! দুজনের মাথা আজকে বালিশে! আমি মাকে ডেকে বাইরে চলে যায়! ব্রাশ করতে করতে দেখলাম! মা আলুথালু শাড়ি কুঁচকানো অবস্থায় বাইরে আসলো! ব্রাশ করে হাত মুখ ধুয়ে রান্না করতে গেলো! আমিও গেলাম! দুজনে রান্না করে ওদের ঘুম থেকে উঠিয়ে একসাথে খেলাম! ওরা আজকে চলে যাবে আমি ওদের কে বাজার পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে কাজে গেলাম! ওইদিনের পর থেকে জনি প্রায় আমাদের বাড়ি যেতো সকাল বিকাল যখন ইচ্ছা তখন! বেশির ভাহ সময় আমি দুপুরে বাড়ি দেখতাম জনি নাহলে শুভ যেকোনো একজন মায়ের সাথে আছে! আমি খুশি হতাম আমাদের প্রতি এত ভালোবাসা দেখে! এভাবে একদিন রাতে আমি নিজের ঘরে শুয়ে আছি! এমন সময় বাইরে হালকা স্বরে কে যেনো মাকে ডাকে আমি উঠে দরজায় দাড়িয়ে দেখলাম কে? দেখি সেই বুড়ো যে প্রথম মায়ের সতীত্ব কেড়েছে! মা বেরিয়ে এসে বুড়ো কে দেখে অবাক হয়! বুড়োটা পকেট থেকে টাকা বের করে দিলো! মা টাকাটা গুনে হাসি মুখে দরজা থেকে সড়ে গেলো! লোকটা ভিতরে ঢুকে পড়ে! মা দরজা লাগিয়ে দেয়! আমি অবাক হচ্ছি! আগে তো মা বিপদে পড়ে দেহদান করেছে তাহলে এখন কি করছে? বিপদ নাকি লোভ? নাকি নিজের শরীরের চাহিদা? মা হয়ত জানে আমি কিছু জানিনা কিন্তু আমি এদিকে মায়ের সব জানি! একটু পর হালকা মিহি মিহি আওয়াজ পাচ্ছি," ওহ!....ওহহহ! ওহহহ!..উস্সস্স্স!..... উপফ উপফ! আহ! " এভাবে চলার পর আমি এবার শুনতে পেলাম, " থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ থড থপ থপ থপ থপ থপ থপ থপ.... ওহ" মা হয়ত ভেবেছে আমি এতো রাতে জেগে নেই! আমি ঘুমানোর চেষ্টা করি! মা না থাকলে রতিলীলা আমি দেখতে চাইতাম কিন্তু নিজের মায়ের এমন দৃশ্য আমি ছেলে হয়ে কিভাবে দেখবো? এভাবে প্রায় বিশ ত্রিশ মিনিট চলল! এর পর সব শান্ত আমি ঘুমিয়ে যায়! এভাবে আরো মাসখানি পার হয়! আমি বেতন এনে মায়ের হাতে দিলাম! মা আমাকে বুকে জড়িয়ে অনেক আদর করলো! বুকের ভিতর জড়িয়ে যেনো ভিতরেই ঢুকিয়ে নিবে! মাঃ বাবু তোর আর কাজ করতে হবে না! আবার কালকে থেকে কলেজ যাবি! আমি অবাক হয়ে বলি, " তাহলে ওদের টাকা কিভাবে দিবে?" মা আমার কপালে চুমু দেই! মায়ের চোখ দুটো যেনো ভিন্ন কথা বলছে! মাঃ ওরা টাকা মাপ করে দিয়েছে বাবু! আমাদের দুঃখ কষ্ট দেখে বলেছে! তোর যদি বড় কোনো চাকরি হয় তাহলে টাকা টা নিবে না হলে মাপ! আমি সব জেনেও মায়ের মিথ্যাটাকে সত্যি ভেবে খুশি হলাম! মাকে বোঝালাম যে আমি কিছুই জানিনা! পর দিন থেকে আবার ক্লাসে যেতে শুরু করি! বন্ধুরা আমাকে আবার কলেজে দেখে সেই খুশি! যেহেতু আমার পাঁচ সাত মাসের গ্যাপ গেছে! আমি পুরো দমে পড়তে শুরু করলাম মাকে এই নোংড়া জীবন থেকে মুক্ত করে আমি দূরে হারিয়ে যাবো যেখানে আমার মাকে কেউ টাকার বিনিময়ে ''. করতে আসবে না! মাস খানি পর পরিক্ষা বলে সারাদিন পড়তাম! শুভ জনিরা! নরমাল ছাত্র ওরা বেশি পড়াশোনা করেনা! করবেই বা কেনো? ওদের বাবারা যে সম্পদ রেখে যাচ্ছে তা দিয়ে ওরা আরো তিন পুরুষ বসে খেতে পারবে! একদিন বিকালে আমি পড়ছি! এখন শীত কমতে শুরু করেছে! বাইরে থেকে জনির আওয়াজ পেয়ে আমি বের হয়ে দেখি জনি মাকে কোলে নিয়ে জোরে জোরে ঘুরাচ্ছে! মা ভয়তে জনির গলা জড়িয়ে ধরে চিৎকার দিচ্ছে! জনি আমাকে দেখে মাকে ছাড়ে! জনিঃ বন্ধু আজকে সারারাত পড়ার জন্য তোর কাছে ছুটে এলাম! আমি খুশি মনে ওকে ঘরে নিয়ে গেলাম! মাকে কিছু বানাতে বলে আমরা দুজন পড়তে থাকি! জনি একটু পড়ে বেরিয়ে গেলো! ক্রমশ...
Parent