অ্যাডাল্ট অমনিবাস(+১৮) - অধ্যায় ২৫

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-7262-post-550183.html#pid550183

🕰️ Posted on June 17, 2019 by ✍️ Henry (Profile)

🏷️ Tags:
📖 323 words / 1 min read

Parent
নির্মল সরকার প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরবার সময় ছেলের আঁকা স্কুলে চলে যায়।সেখান থেকে ছেলেকে নিয়ে ফেরে।মোটর বাইক চেপে ছেলেকে নিয়ে ফিরছিল প্রতিদিনকার মতই।আচমকা রাস্তার সামনে একটা বুড়ো এসে পড়ল।নির্মল ব্রেক কষল।দড়াম! করে শব্দ তুলল।ছিটকে গিয়ে পড়ল বুড়োটা।সিন্টু ভয় পেয়ে ব্যালেন্স সামলে বাবাকে জড়িয়ে ধরল। নির্মল যখন নিচে নামল সব শেষ।রক্তারক্তি হয়ে বুড়ো পড়ে আছে।শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ।নির্মল একবার রাস্তার চারপাশে দেখল।ফাঁকা রাস্তায় কাউকে দেখা যাচ্ছে না।নির্মল সোজা বাইকে উঠে বলল-সিন্টু ওঠ। ---বাবা, লোকটা? ---চুপ কর, ওঠ। বাড়ী ফিরে গাড়িটা সিঁড়ির তলায় ঢুকিয়ে বলল--মাকে ডাক জলদি। সিন্টু সোজা ছাদে গিয়ে মাকে বলল--মা বাবা ডাকছে নিচে। মিতালি এইসময় সিরিয়াল দেখে।বিরক্ত হয়ে নিচে নেমে বলল---কি হল? ---একটু জল দাও দেখি! মিতালি জল এনে দিতে নির্মল সোফার উপর আছড়ে পড়ল। ---কি হল? শরীর খারাপ করছে নাকি? ---নাঃ দাঁড়াও। মিতালি পাশে বসে কপালে হাত দিল।নির্মলের কপাল ঘেমে রয়েছে। ---আরে কি হয়েছে বলো? --অ্যাকসিডেন্ট! ---কী??? আঁৎকে উঠল মিতালি। ---আমার কিছু হয়নি। ছেলের দিকে তাকালো মিতালি। ---না না সিন্টুরও কিছু হয়নি।একটা বুড়ো হঠাৎ কোত্থেকে এসে পড়ল।ব্যাস সব শেষ! --কি বলো? মারা গেছে? ---হ্যা।কিন্তু আস্তে বলো কেউ কিছু দেখেনি। মিতালি ভয় পেয়ে নার্ভাস হয়ে পড়ল।সেই রাত্রিটা মিতালি আর নির্মলের জীবনে সবচেয়ে কঠিন ভাবে কেটেছে। প্রায় একমাস নির্মল ঘুমোতে পারেনি রাত্রে।ঘুমের ওষুধ খেতে হয়েছে।আস্তে আস্তে দুটো মাস বেশ ভালো ভাবেই কাটল।সবকিছু ঠিক হয়ে গেল।কোথাও কোনো খবর নেই।কাগজেও কোনো খবর নেই। --------- সিন্টু স্কুল বেরিয়ে গেলে মিতালি ঘরে একা থাকে।প্রতিদিনের নিয়মে রান্নাবান্না শেষ করে স্নানে যায় সে।এমন সময় বেল বেজে উঠল।মিতালি দরজা খুলতেই দেখল পুলিশ! চমকে উঠল মিতালি! ---নির্মল বাবু বাড়ীতে আছেন? ---না উনিতো অফিসে।আপনারা? ---ভেতরে আসতে পারি। ----আসুন। দুই অফিসার ঘরটা ভালো করে দেখছিল।সোফায় বসতেই মিতালি বলল--আপনারা কি জন্য? ---নির্মল বাবুর নামে মার্ডার কেস আছে। ---মা-র্ডা-র!! --হ্যা।তিনি একজন বৃদ্ধকে মোটর বাইকে ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলে পালিয়েছেন। মিতালি চমকে গেল। ---আমরা কি নির্মলবাবুর কন্ট্যাক্ট নম্বর পেতে পারি। --হ্যা অবশ্যই। নম্বরটা নিয়ে আফিসার ফোন লাগালো। ------------ প্রায় একমাস কেটে গেছে।নির্মল থানা আর কোর্টে ছুটতে ছুটতে হাঁফিয়ে উঠেছে।বৃদ্ধ লোকটির ছেলে কোর্টে মামলা করেছে।একজন সাক্ষীও পেয়েছে। নির্মল প্রথমে অবাক হয়ে গেছিল।নির্ঘাৎ পয়সা দিয়ে সাক্ষী কেনা হয়েছে।কিন্তু কোর্টের প্রথম
Parent