বিদেশে: জীবন গঠনের উদ্দেশ্যে - অধ্যায় ১৫

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70781-post-6061528.html#pid6061528

🕰️ Posted on October 21, 2025 by ✍️ Ranaanar (Profile)

🏷️ Tags:
📖 254 words / 1 min read

Parent
আমার ওখানকার পড়া মোটামুটি শেষ হল। রেজাল্ট বেরোনোর বাকি। কিন্তু সেই সময় একটা চাকরি পেয়ে গেলাম যেটা আমার দেশে পোস্টিং। রেজাল্ট বেরোলে দেশে ফিরে জয়েন করব। আমি পরদিন জয়েনিং লেটার পেলাম কিন্তু দুটো জিনিস আরো যা এল তার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। প্রথম এলো শৈবালের চিঠি। তার চিঠিতে লেখা। যে সে বিয়ে করে ফেলেছে। তার আর ফেরার সম্ভাবনা নেই। অতয়েব সে সব রকম সম্পর্ক ছিন্ন করছে। সে আর ফিরবে না। এ একরকম। কিন্তু পরের যেটা এল সেটা আরো মারাত্মক। নন্দিতার হাজব্যাণ্ড ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। তিনি UK তে কোন মহিলাকে বিয়ে করবেন। অতয়েব। নন্দিতা আমাকে দেখালো সব। প্রথম একটা কান্না। পরিবার তছনছ হয়ে গেল। আমি চলে যাবো, কিন্তু নন্দিতার কি হবে? আমার তো একমাস বাদেই টিকিট। কারণ ১৫ বাদে রেজাল্ট। নন্দিতা: সুজয় বলে কেঁদে জড়িয়ে ধরল আমাকে। নন্দিতার সারা শরীর আতঙ্কের ঘামে চপচপ করছে। এত টেনশন যে শরীর কাঁপছে। আমি কোন কথা না বলে নন্দিতার শরীর থেকে যেটুকু যা পরেছিল, সব খুলে নিলাম। ফর্সা শরীর ঘামে ভিজে আরো মোহময়ী লাগছে নন্দিতাকে। আমি একটা তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মোছালাম। নন্দিতা আমার হাতের মধ্যে ধরা। নন্দিতাকে আস্তে করে বসালাম আমার কোলে। নন্দিতা: আমি কি করব জয়? আমি নন্দিতার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম। আমি: আমি আছি তো। আমার বুকে মাথা রেখে কেঁদে উঠল নন্দিতা। আমি: কাঁদে না, আমি আছি তো সোনা। নন্দিতা: আমি তো আমি: নন্দিতা তো আমার। আমি তো আছি। আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে চোখ বুজে আমার বুকে মাথা রাখল নন্দিতা। আমি: একটু হাসি। দেখি আমার সোনার মুখটা। আমাকে দেখে হাসল নন্দিতা। আমি চুমু খেলাম একটা। আমি: আমার ল্যাংটো বুড়ি। ল্যাংটো সোনা। নন্দিতা: ধ্যাত।
Parent