বিদেশে: জীবন গঠনের উদ্দেশ্যে - অধ্যায় ২৪

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70781-post-6073395.html#pid6073395

🕰️ Posted on November 6, 2025 by ✍️ Ranaanar (Profile)

🏷️ Tags:
📖 362 words / 2 min read

Parent
প্রথমদিকে কাজের চাপ থাকে। আমি আমাদের বাড়ী মেরামত করালাম। একাই থাকবো। অতয়েব আমাদের পুরোনো কাজের মাসী অতসীপিসিকে তার বাড়ি থেকে নিয়ে এলাম। আমার আর চিন্তা নেই । অতসীপিসি শুধু কাজের জন্য নয় আমার গার্জেনও বটে। আমাকে বকুনি দেয় দরকার হলেই। আমারও ভারী মজা কোন চিন্তা নেই ভাবনা নেই। প্রথমদিকে একদিন অন্তর একদিন নন্দিতার সাথে কথা হত। ঠিক.আছে। ছ'মাস কেটে গেল। আমি একটা গাড়ী কিনেছি। একদিন অতসীপিসিকে একদিন গাড়ী করে ঘুরিয়ে আনলাম। অতসী: জয় আমি: বলো অতসী: এবার একটা বৌ নিয়ে আয়। আমি একা আর কত করবো। বাড়ি এলাম। রাতে খেয়ে পিসিতে নিয়ে বসলাম। অতসী: বল আমি: পিসি আমি ঠিক করে রেখেছি। অতসী: বল কে? আমি: তুমি খূব ভালো চেনো তাকে। অতসী: কে রে? আমি: নন্দিতা অতসীপিসি চোখ ছোট করল। অতসী: কে নন্দিতা আমি: শৈবালকে মনে আছে আমার বন্ধূ। অতসী: হ্যাঁ আমি তাকিয়ে রইলাম। অতসী: তুই কি পাগল হলি? আমি: কেন পিসি। অতসী: তোর বন্ধুর মা। তোর থেকে অত বড়ো। পিসি প্রচণ্ড গম্ভীর হয়ে উঠে গেল। বুঝলাম রেগে গেছে। পিসি আমার সাথে কোন কথা বলল না। পিসি কাজের লোক হলেও আমাদের বাড়ীর লোকের মতই। দুজনে স্নায়ু যুদ্ধ চলছে। এদিকে কি হল নন্দিতার সাথে যোগাযোগ কিছুতেই করে উঠতে পারছি না। মোবাইলে কল করলে ওর দুই বৌদি ধরে। নন্দিতা নাকি ফোন রেখে বাইরে গেছে। কখনো বলে বাথরুম গেছে। কথা আর হচ্ছে না। অনেকদিন হল। নন্দিতার কথা পিসিতে বললাম পিসি কোন উত্তর দিলো না। আমি: ও পিসি অতসী: আমি এ বাড়ীর কেউ নই। আমাকে না জিজ্ঞেস করাই ভালো। কি সমস্যায় পড়লাম। এইভাবে আরো একমাস কাটল। সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে দেখলাম সন্ধ্যা সাতটা। সিদ্ধান্ত নিলাম যে নন্দিতার দাদাদের বাড়ী যাবো। গাড়ী চালিয়ে গেলাম। বাড়ীর সামনে জায়গা। গাড়ী রেখে মূল দরজার বেল টিপতে গিয়ে কানে এল কার একটা চাপা কান্না। কি ব্যাপার? ভিতরে কিছু গলা। বেল টিপতে গিয়ে আটকালাম হচ্ছে টা কি ? কান্নাটা বাড়ল। হঠাৎই কি মনে হল টিপলাম বেলটা। যেটা আশা করিনি সেটাই হল। দরজাটা খূলে দিল নন্দিতার ছোট দাদা। আমাকে দেখে আটকাতে গেল কিন্তু আমার একধাক্কায় পিছিয়ে গেল হাত পাঁচেক। আমার ঢুকে মাথা গরম হয়ে গেল। নন্দিতার শরীরে কোন আবরন নেই। একেবারে ল্যাংটো। সারা শরীরে পিঠে, বুকে, পিছনে লাল লাল দাগে ভরা। ওর বড়দা আর বৌদির হাতে বেতের কঞ্চি। ল্যাংটো করে পেটাচ্ছে ওকে। প্রতিদিনই মারে। আমাকে দেখে তীরের বেগে এসে আমার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল নন্দিতা।
Parent