বিয়ে - অধ্যায় ১২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70722-post-6053987.html#pid6053987

🕰️ Posted on October 10, 2025 by ✍️ Ranaanar (Profile)

🏷️ Tags:
📖 420 words / 2 min read

Parent
সুনীতা: মালা যা বললাম করে ফেলো । শাশুড়ি চলে যেতে মালা আমার সব জামাকাপড় নিয়ে নিল কিছুই রাখল না। আমি: মালা। মালা: বলুন। আমি: জামাকাপড় সব নিয়ে যাচ্ছ? মালা: এখন থেকে আপনি কিছু না পরেই থাকবেন স্যার । ল্যাংটো হয়ে ই থাকবেন। ল্যান্ড ফোন টাও নিয়ে চলে গেল মালা । একটু পরেই ফিরে এল। মালা: স্যার । আপনার মোবাইল টা দিন। আমি: কেন ? আমি মালা: আপনার এসব দরকার নেই। সারাদিন আপনি ল্যাংটো থাকবেন। ঘরে থাকবেন। আপনার ফোন কেন দরকার? নেহা র কথা মিলতে শুরু করল। আমার ব্যাপারে নেগলিজেন্স শুরু হল। প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটার সময় আমাকে ফ্ল্যাটের বাইরে দাঁড় করানো হতো ।আর সেই সময় অনীশ বলে ছেলেটা আসত । আমাকে ল্যাংটো অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তাচ্ছিল্যের হাসি হাসত। আমি যথেষ্ট লজ্জায় পড়তাম। বুঝতাম ব্যাপার টা সবাই উপভোগ করে। পরদিন রাত নটা শাশুড়ি এল। সুনীতা: মালা। মালা: ইয়েস ম্যাডাম । সুনীতা: বাইরে এস। ওরা ঘরের বাইরে যেতে আমি দরজার আড়ালে গেলাম। সুনীতা: শোন মালা । ডিভোর্স পেপার এসে গেছে। কাল সুজয় কে ল্যাংটো করে আমার ফ্ল্যাট এ নিয়ে যাবে রাত ঠিক সাড়ে বারোটায়। দেখ সুজয় যেন জানতে না পারে। ওর অবস্থাও রঞ্জন এর মতোই করবো। দুজনে হেসে উঠলো । আমি এসে বসে পড়লাম । মালা কিছুই বুঝতে পারল না। পরদিন ঠিক সকাল দশটায় বাথরুমের দরজা বন্ধ করে লুকোনো মোবাইল নিয়ে নেহার নম্বরে মিস কল করে আবার রেখে দিলাম। জানি না কি করবে ওরা আমাকে। রাত সাড়ে বারোটায় আমাকে ল্যাংটো করে নিয়ে গেল শাশুড়ি র ফ্ল্যাট এ। খুব ই লজ্জাকর পরিস্থিতি । অনীশ বসে আছে। সুনীতা রায় এবং আরো তিন চার জন। একজন উকিল ও আছে। প্রত্যেকে ওয়েল ড্রেসড। লজ্জায় মাথা নীচু হয়ে যাচ্ছে । সুনীতা: শোন সুজয় । বুলি ডিভোর্স পেপার পাঠিয়েছে। সই করে দাও আর চলে যাও। আমি: কিন্তু সুনীতা: কোন কিন্তু নেই। মি: বোস। পেপার দিন। উকিল আমাকে যে পেপার দিল তাতে বুলির সই। আমি দাঁড়িয়ে আছি দেখে। সুনীতা: মালা। মালা: ইয়েস ম্যাডাম । সুনীতা: এই ল্যাংটা টাকে কান ধরে এনে চেয়ারে বসাও। মালা আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার কান ধরে টেনে এনে চেয়ারে বসালো। চোখে জল আসার উপক্রম হল। সই করে দিলাম । সুনীতা: এবার বাড়ি থেকে দূর হ। আমি অবাক । এইভাবে যাব কিভাবে। আমি: একটা জামাকাপড় দিন না হলে সকলে হেসে উঠল। সুনীতা: এ যদি বেরোতে না চায়। মেরে আধমরা করে ল্যাংটা টাকে রাস্তায় বের করে দাও। অনীশ আর দুজন আমাকে ল্যাংটো অবস্থায় মারতে শুরু করল। আমাকে প্রচন্ড মারল সবাই তারপর বাড়ি র বাইরে বের করে দরজা আটকে দিল। আমার মাথা ঘুরছে। সারা রাস্তা অন্ধকার। ভাবছি কাল কি হবে।মাথা প্রচন্ড ঘুরছে। হঠাৎ একটা গাড়ির আলো পড়ল আমার ওপর ।আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। আর কিছু মনে নেই।
Parent