ছায়ার আড়ালে আগুন -Crime Thriller [Part-3: অন্ধকারের অধিশ্বর] - অধ্যায় ২৩

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71326-post-6231211.html#pid6231211

🕰️ Posted on June 4, 2026 by ✍️ indonetguru (Profile)

🏷️ Tags:
📖 370 words / 2 min read

Parent
গল্প: "ছায়ার আড়ালে আগুন" (পার্ট-৩: অন্ধকারের অধীশ্বর)  ক্রয়োবিংশ পরিচ্ছেদ: নতুন প্রার্থী সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা। টালিগঞ্জের বড় বাংলোর সামনের গেটে অংশুমানের গাড়ি থামল। সে গাড়ি থেকে নেমে দ্রুত ভিতরে ঢুকল। বিন্দুবালার বাড়ির পরিবেশ আজ অন্যরকম — চারদিকে একটা উত্তেজনা ও চাপা রাগের আবহ। দরজা খুলতেই অংশুমান দেখল, বিন্দুবালা দেবী বসার ঘরের মাঝখানে পায়চারি করছেন। তার বিশাল কালো শরীর আজ সবুজ শাড়িতে মোড়া। শাড়ির আঁচল তার ভারী স্তনের উপর টানটান, কোমরের মোটা ভাঁজ ও স্থূল পাছার দোলা প্রতি পদক্ষেপে স্পষ্ট। তার চোখে আগুন, কপালে ঘামের ফোঁটা, মুখে পানের লাল রস। অংশুমানকে দেখে বিন্দুবালা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। “অংশু! তুই এসেছিস বাবু… বস, বস।” তিনি সোফার দিকে ইশারা করলেন। অংশুমান সোফায় বসতেই বিন্দুবালা রানিকে ডেকে বললেন, “রানি, অংশুকে কফি দাও। জলদি।” রানি রান্নাঘরে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর গরম কফির কাপ নিয়ে এসে অংশুমানের সামনে রাখল। অংশুমান কফিতে চুমুক দিতে দিতে শান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করল, “বলো মাসী, এখন কী করণীয়?” বিন্দুবালা সোফায় বসে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, “বাবু, আমি সেই জন্যই তোকে ডেকেছি। আমার নমিনেশন বাতিল হয়েছে। চুরির পুরনো কেসের জন্য। এখন আমি ঠিক করে ফেলেছি — ভোটে আমার জায়গায় তুই লড়বি।” অংশুমান চমকে উঠে কফির কাপ নামিয়ে রাখল। যে মাথা নাড়িয়ে অসম্মতি জানিয়ে বলে-  “মাসী, এটা সম্ভব নয়। আমি সরকারি কর্মচারী। আইন অনুযায়ী সরকারি কর্মীরা ভোটে লড়তে পারে না।” বিন্দুবালা তার দিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন। কিন্তু সেই হাসিতে কোনো মিষ্টত্ব ছিল না। “ঠিক আছে। তাহলে তুই উপায় বলে দে।” অংশুমান কিছুক্ষণ ভেবে বলল,“সে ভাবা যাবে নাহয়।” বিন্দুবালা হঠাৎ বলে উঠলেন- “রানিকে প্রার্থী করলে কেমন হয়?” পাশ থেকে ব্রজদাসী “রে রে” করে উঠলেন। তিনি চোখ কপালে তুলে বললেন, “রানি! রানি তো বাচ্চা মেয়ে। না, না, ও পারবে না।” ব্রজদাসী এরপর রানির দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে, “কিরে রানি, আমি ভুল বলেছি কি? পারবি নাকি তুই?” রানি ভয়ে ভয়ে মাথা নিচু করে বলল, “না! না! বিন্দুমাসী। ব্রজমাসী তো ঠিকই বলছেন। আমি কী করে পারব?” বিন্দুবালা ঝাঁঝিয়ে উঠলেন, “চুপ! তোর এখানে নাক গলানোর দরকার নেই। আমরা যা সিদ্ধান্ত নেব, সেটাই হবে।” তারপর তিনি অংশুমানের দিকে তাকিয়ে বললেন, “রানি ভোটে লড়ছে, এটাই আমার সিদ্ধান্ত। এবার বাকিরা বলো।” অগত্যা অংশুমান মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। ব্রজদাসী খুশি না হলেও উপায় না দেখে চুপ করে রইলেন। বিন্দুবালা হাঁক দিলেন, “রানি, খাওয়ার লাগাও!” রানি মাথা নিচু করে রান্নাঘরের দিকে চলে গেল। ব্রজদাসী ঠাকুরঘরে জপমন্ত্র পড়তে ঢুকে পড়লেন।
Parent