দ্বিতীয় মায়ের ভালোবাসা - অধ্যায় ৪

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73767-post-6230725.html#pid6230725

🕰️ Posted on June 3, 2026 by ✍️ ridro (Profile)

🏷️ Tags:
📖 538 words / 2 min read

Parent
-আজকে আমি আপনার স্টলে এসেছিলাম। -ওকে, আরেকটু ক্লিয়ারলি বললে ভালো হয়। -তাই! আমি একটা ওয়ান পিস কিনেছি, লাল রঙের। এবার আমি চিনতে পারলাম, উনি সেই উচ্ছসিত রমনী, যার সুধা আমার চোখ পেয়েছিলো। তবু্ও  না চেনার ভান করে বললাম, -স্যরি, ঠিক মনে করতে পারছি না। -বাব্বাহ, আপনি ভালো ভুলোমনা তো! -কিছুটা। -ওকে ফাইন, বলছি। আমি হচ্ছি আপনার সেই ক্লায়েন্ট,  যে আপনার থেকে লাল একটা ওয়ান পিস কিনেছে, এবং....... আপনি আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছিলেন  ???? আমি পুরাই বেকুব হয়ে গেলাম তার লেখা দেখে। কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না। এভাবে ধরা পরে যাবো বুঝি নি। তবে মামনি একটা কথা বলতো, মেয়েদের চোখকে ফাকি দেয়া সম্ভব না। তারা তাকিয়ে থাকে একদিকে, কিন্তু চারিদিকের সব দেখতে পায়। কাজেই মিথ্যা কথা তারা খুব সহজেই ধরে ফেলতে পারে। মামনি আরেকটা কথা বলতো, কখনো কোন মেয়েকে মিথ্যা বলা যাবে না, যদি বলি তারা সেটা বুঝতে পারে ঠিকই, কিন্তু সাথেসাথে রিয়্যাক্ট করবে না। কিছুদিন পরে বা কয়েক মাস পরে অথবা কয়েক বছর পরে ভিন্ন কোন পরিবেশে ভিন্ন কোন ইস্যু নিয়ে কথা বলার সময় পূর্বের সেই মিথ্যাটাকে সামনে ডিফেন্স হিসেবে দাড় করিয়ে মজা নিবে। মাঝেমাঝে আমি মামনিকে অনেক মিস করি, এত তাড়াতাড়ি না গেলে হতো মামনি, আমি যে একা হয়ে গেলাম। কথা বলার মানুষগুলো কেন তাড়াতাড়ি চলে যায় জানি না। তবে আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, আমার মত মানুষগুলো কিভাবে নিজেকে ধরে রাখে, আমার তো কষ্টে বুক ভেংগে যায়। নতুন নোটিফিকেশনের শব্দে আমি বাস্তবে ফিরে এলাম। -কি হলো, রাগ করলেন? -ছি: ছি: কি বলেন, রাগ করবো কেন। আসলে লজ্জায় পরে গিয়েছিলাম, ওভাবে আপনাকে দেখাটা মোটেও উচিত হয়নি। -ইটস ওকে, আমি আমার পোষাক আর বাহিরের মানুষের তাকানো এসব নিয়ে মাথা ঘামাই না। আ'ম নট বোদারড এট অল। হাউএভার, বলুন তো এবার আমাকে চিনেছে কিনা! -জ্বী চিনেছি। -গুড, বিষয়টা হচ্ছে আমার ওয়ান পিসটা কিছুটা ছোট হয়েছে। -স্যরি, কিন্তু আপনি যে বললেন ছত্রিশ, আমি তো সে অনুযায়ীই দিয়েছি। -বাব্বাহ, সাইজটা এখনো মনে আছে দেখছি!! এবার আমার কান গরম হয়ে গেলো লজ্জায়। আমি যে সারাদিনের সকল কাস্টমারের মধ্যে ওনাকে আলাদাভাবেই ট্রিট করেছি, তার মুখচ্ছবি, তার পোষাক, তার হাটাচলা, কথার ধরণ, সবকিছুই যে মনে রেখেছি এটা আমি নিজেও টের পাইনি। তাই মুখ ফসকে সাইজের কথাটা চলে আসলো। -না মানে, আসলে কিভাবে যে সাইজটা মনে আছে, সত্যি বলতে আমি নিজেই কিছুটা অবাক। কিছু মনে করবেন না প্লিজ। -না না ঠিক আছে, আমিও স্যরি এভাবে আপনাকে খোচা দেয়ার জন্য। আশা করি আমার খোচায় ব্যাথা লাগে নি আপনার ??? -????, নাহ ব্যাথা লাগেনি। যদি কছু না মনে করেন, আগামীকাল ড্রেস্টা নিয়ে আসলে চেঞ্জ করে দিবো। বাই দা ওয়ে, সাইজটা আরেকবার শিওর হবেন প্লিজ। -অবশ্যই, আসলে গত মাসেও ছত্রিশ সাইজটাই পারফেক্ট ছিলো। এখন হয়তো কিছুটা বেড়েছে। যাই হোক। আমি জানাবো আপনাকে। -জ্বী অবশ্যই। ভালো থাকবেন।  -আপনিও। হ্যাভ আ নাইস স্লিপ ?? -সেইম টু ইউ ? ফোন টা রাখতেই খেয়াল করলাম আমার মনের ভিতরের কোন একটা চাপা ভাব যেন এখন নেই। কিছুটা হালকা মনে হচ্ছে নিজেকে। মামনি চলে যাওয়ার পরে এই প্রথম কাওন মেয়ের সাথে আমার কথা হলো। আসলে নিজেকে এতটাই গুটিয়ে নিয়েছিলাম যে, ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমিও সবার সাথে মিশতে পারি। অনেক রাত হলো, সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে, হাতের বাকি কাজ শেষ করে শুয়ে পড়লাম উঠলাম থিক আটটা পনেরো বাজে, মুখ ধুয়ে গোসল সেড়ে ডাইনিংয়ে গিয়ে দেখলাম নাস্তা সাজানো। শফিককে বাকিদের কথা জিজ্ঞেস করলাম, বললো পাপা নাস্তা সেড়ে বেরিয়ে গেছে, আর নতুন মা তার রুমে। ঘন্টা খানেক পরে বাইরে যাবে বললো ওকে।@
Parent