এক গৃহবধূর পরিস্থিতির শিকার হয়ে sex শুরু করা থেকে sex উপভোগ করার সফর । adultery. - অধ্যায় ১
তৃষ্ণা
পর্ব -১
হাসপাতাল
এই ঘটনার সব চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সঙ্গে কোনো মিল থাকলে তার জন্য অত্যন্ত দুঃখিত।
কলকাতা এর শহরতলীতে থাকা এক পরিবারের গল্প। তৃষা হাউস ওয়াইফ বয়েস ৩৪, হাইট ৫ ফিট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৫৮ কেজি। দুধে আলতা গায়ের রং। ফিগার ৩৪ ৩২ ৩৬। তৃষার স্বামী সোহম, একই বয়স। ওদের দুজনের কলেজ লাইফের প্রেম, তারপর বিয়ে আর এখন ওদের ছেলে আছে নাম অয়ন।
বিয়ের পর প্রথম কয়েক বছর সব ঠিক চললেও অয়ন একটু বড় হওয়ার পর থেকেই বাড়তে থাকতে সমস্যা আর তার মূল কারণ হলো সাংসারিক খরচা। আর সোহম এর অল্প রোজগারে ঘর চালানো খুবই মুশকিল হয়ে ওঠে। সোহম একজন কন্ট্রাকটর হিসেবে কাজ করে। কিন্তু প্রয়োজনের থেকে বেশি সৎ হওয়াতে বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারে না কর্মক্ষেত্রে। তৃষা অন্যদিকে তার রূপের ছটায় অনেক দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও নিজের বিবাহিত জীবনের এই বছরে সোহমের প্রতি লয়াল থেকেছে।
কিন্তু এক বছর আগে অয়নের একটা হার্ট প্রবলেম দেখা দিয়েছে। এখন অয়ন হাসপাতালে ভর্তি। অয়ন এর একটা অপারেশন হয়েছে। আর একটাও হবে কিন্তু সেটা কয়েক মাস পর। অয়ন ছোট তাই একা হসপিটালে কাটাতে পারবে না তাই তৃষাও রাতটা হসপিটালের মধ্যেই কাটায়। সোহম আসে মাঝে মাঝে। অয়নকে হসপিটালে ভর্তি করা নিয়েও ওদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। তৃষা টাকা চেয়েছিল সোহম দিতে পারেনি। তৃষা তাই বাধ্য হয়ে নিজের গয়না বন্ধক রেখে টাকা জোগাড় করে ছেলে কে হসপিটালে ভর্তি করিয়েছে। সোহম এখন একটা কাজের টেন্ডার দিয়েছে এটা হলে তাও ওদের জীবনে একটু শান্তি আসবে আর্থিক দিক থেকে।
এছাড়াও আর একটা সমস্যাও আছে ওদের মধ্যে। তৃষা কে বিছানায় সুখী করতে পারেনি সোহম কোনোদিনই। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে চায়নি তৃষা, সোহম ও সেটা মেনে নেয়। এখন তৃষার মাঝে মাঝে মনে হয় যে বিয়ের আগে একবার সেক্স করে দেখে নিল সে বুঝতে পারতো কিংবা যদি মা বাবার কথা শুনে যে সরকারি চাকরি করা ছেলেটার সম্বন্ধ এসেছিল তাকে বিয়ে করলেই ভালো হতো, তাহলে হয়তো মানসিক আর শারীরিক দুই দিক থেকেই সুখী হতে পারত ও। কারন বিছানায় সোহম ফোরপ্লে অনেকক্ষণ করলেও আসল কাজ তার তিন মিনিটের মধ্যেই হয়ে যায়। আর তৃষার শরীর এতে ঠান্ডা হয় না। তৃষা আরো সুখ চায় সোহমের থেকে। কিন্তু সোহম দিতে পারেনা। ও একবার করেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর ওর যৌনাঙ্গের সাইজও খুব একটা বড় না, ওই সাড়ে চার ইঞ্চি মত হবে।
তৃষা সাধারণত অয়নের পাশে টুলে বসেই ঘুমিয়ে পড়ে। জেনারেল ওয়ার্ড, সবাই ছেলে চার পাশে, একটু অস্বস্তি হয়, কিন্তু কিছু করার নেই। অয়নের পাশের বেডে একটা ২৩ ২৪ বছরের ছেলে অ্যাডমিট আছে। আর এক পাশের বেডটা ফাঁকা। এটা একটা ভাগ আর এরকম করে তিনটে আরো সেকশন আছে এই ওয়ার্ডে, মত ৯টা বেড।
পাশের ছেলেটা মুর্শিদাবাদ থেকে এসেছে। ওর সঙ্গে ওর দাদাও এসেছে ট্রিটমেন্টের সময় ওর পাশে থাকার জন্য। হসপিটালে এই কদিন থাকার মধ্যে ওদের সঙ্গেই তৃষা যা একটু কথা বলে। ছেলেটার নাম আরমান আর ওর দাদার নাম হাসান। হাসান এর বয়েস ২৯ কি ৩০ হবে। ওরা অয়নের সঙ্গে খেলে। তৃষা কোনো ওষুধ, রিপোর্ট বা খাবার আনতে গেলে অয়নের খেয়াল রাখে। তৃষা এর মনে হয় বড় ভালো ছেলে দুটো। পরশু অয়নের ছুটি, আজ ডক্টর বলে গেলেন। তৃষার মনটা তাই একটু খুশি আজ। কিন্তু তৃষা জানেও না যে আজকের দিনটা ওর জীবনে কি ভয়ংকর হতে চলেছে।