মহাবীর্য্য ভাণ্ডার (নবকাহিনী শ্যামলবাবুর আখ্যান প্রকাশিত) - অধ্যায় ৩
মহাস্রষ্টা বাবানের সহিত আমার মত এক অপাংক্তেয়র লেখনীর তুলনা টানিয়া দিলেন রাউডী মহাশয়! সে সূর্য্য মধ্যগগনে মহাপ্রজ্জ্বলিত আর আমি সবে হামা দিতেছি! তাঁহার নাম শুনিবামাত্র ভস্মীভূত হইয়া যাইব যেইখানে, সেইখানে আপনি আমার লেখনীকে তাঁহার সহিত এক পংক্তিতে বসাইয়া দিলেন! আপনি এই হতভাগ্যকে মারিবার ধান্ধা করিয়াছেন ইহা সম্যক বুঝিয়াছি!
আর ddey333 এর সংগ্রহের কথা কহিলেন! আপনি সলারজঙ্গ জাদুঘরের নাম শুনিয়াছেন আশা করি। পৃথিবীর সংগ্রহশালা নামে অভিহিত এই জাদুঘর মুসী নদীর দক্ষিণ তটে স্থিত হায়দ্রাবাদে রহিয়াছে যাহা মীর ইউসুফ আলী প্রতিষ্ঠা করিয়া ছিলেন। দে সাহেবের সংগ্রহখানিও ঠিক তাই। উহা রত্নখনি। দৈবাৎ যদি কভু আমার তুলি স্তব্ধ হয় তবুও আমার লেখনী তাঁহার সংগ্রহশালাতে কস্মিনকালেও ঠাঁই পাইবে না। আর আপনি তাঁহার সংগ্রহীত রতনের সহিত আমার ক্ষুদ্র লেখটী এক করিয়া দিলেন!
তথাপী, এই লেখটী আপনার যখন এতই পছন্দ হইয়াছে যে আপনি রাজা ভোজদ্বয়ের সহিত এই অধম গঙ্গু তেলীকে একাসনে বসাইলেন! তখন, আপনার প্রফুল্লতা স্বীকার করিতেই হয়। প্রণাম লহিবেন, আর সময় করিয়া ভাণ্ডারে দর্শন দিয়া যাইবেন। নিত্যনূতন কাহিনী শুনাইব। রবির প্রজ্জ্বলন শিখায় জগৎ দিবাদর্শন করে, তাঁহাদের ন্যয় সাধ্য তো আমার নাই, আমি মাটির দীপ মাত্র, যতটা সাধ্য তাহাই করিব।