মহিলা ফুটবল দল - অধ্যায় ৩৪

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70902-post-6088726.html#pid6088726

🕰️ Posted on December 1, 2025 by ✍️ Ranaanar (Profile)

🏷️ Tags:
📖 229 words / 1 min read

Parent
ফিরে রমাদি আমার ঘরে এলো। রমা: রনি আমি: হ্যাঁ দিদি রমা: বিদিশা বলছিল যে ফেয়ারীদের একবার দেখে নেবে। কি করবো। আমি: বিদিশাদি যা ভালো বোঝে করুক। আমাকে কেন জিজ্ঞেস করছো? এগুলো তোমরা অনেক ভালো জানো। আমি ফেয়ারীদের ঘরে গেলাম। সকলে ল্যাংটো হয়ে আনন্দ করছে। আমি: গার্লস সকলে: হ্যাঁ স্যার। সকলে বিদিশাদির কাছে যাও। খেলার মধ্যে যা হয়েছে সেগুলো বিদিশাদি দেখে ঠিক করে দেবে। সকলে: ওকে স্যার। ল্যাংটো ফেয়ারীরা লাইন করে গেল বিদিশাদির কাছে। বিদিশাদি আর ছন্দাদি বসে। আমি গেলাম। আমি: বিদিশাদি দেখে নাও। ফেয়ারীরা বসে পড়ল বেঞ্চে। আমি একটা চেয়ারে বসে দেখতে লাগলাম। দেখলাম বিদিশাদি প্রথমে লাবনীকে দেখছে। সব দেখে টেখে নিল। লাবনী বেড থেকে উঠল। প্রিয়া শুলো। বাকিরা বসে। আমিও বসে একটা চেয়ারে। লাবনীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, আমি লাবনীকে ক্যাজুয়ালী হাত ধরে টেনে একটা থাইয়ের ওপর বসিয়ে নিয়ে নিলাম। কারণ বিদিশাদি কথা বলছে। আমাকেই জানাচ্ছে কি সিচুয়েশন। বিদিশা: রনি আমি: হ্যাঁ দিদি। বিদিশাদি: ফেয়ারীদের প্রব্লেম দেখছি নোট করছি রাতে কথা বলব। আমি: ওকে আমি লাবনীকে কোলে নিয়েই কথা বলছি।ছন্দাদি, সেটা দেখালো পাশে বসা রমাদিকে। রমাদি আমার দিকে তাকাল। আমি ও তাকালাম। রমাদি হাসল। আমি প্রথমটা অতটা মাথায় নিই নি। লাবনীর কোমরটা বাঁ হাতে ধরে ওকে কোলে নিয়েই কথা বলছি। একজন করে করে দেখছে বিদিশাদি। সবাইকে দেখা হয়ে গেল। ফেয়ারীরা ঘরে গেল। আমরা চারজন দাঁড়িয়ে। রমা: ছন্দা একটা জিনিস দেখেছিস? ছন্দা: কি রে? রমা: রনি, শাশুড়ীকে কি যত্ন করে কোলে নিয়ে বসেছিল। আমি: ধ্যাত। তোমরা না। তিনজনেই হেসে ফেলল।
Parent