মহিলা ফুটবল দল - অধ্যায় ৬

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70902-post-6061162.html#pid6061162

🕰️ Posted on October 20, 2025 by ✍️ Ranaanar (Profile)

🏷️ Tags:
📖 463 words / 2 min read

Parent
পরদিন সকালে জগিং পিটি করিয়ে বসলাম গোটা টিম নিয়ে। এই কদিন যা দেখেছি সেই অনুযায়ী একটা টিম তৈরী হল। স্বান্তনা গোলকিপার লীনা, প্রিয়া, সুনীতা, লাবনী প্রথম চার কেয়া রিজার্ভ গোলকিপার রত্না রিজার্ভ নিয়ম ৭জনের টিম। ৫জন খেলবে। যতবার খুশি চেঞ্জ করা যায়। তারপর আমি টিমের ক্যাপ্টেন ঠিক করতে গেলাম। কিন্তু সকলে একবাক্যে বলল যে খেলার কথা যখন কেয়া বলেছে কেয়াই ক্যাপ্টেন। আমিও দেখলাম গোটা টিম বলছে যখন তাই হোক। কেয়া ক্যাপ্টেন। তারপর আমি দাঁড়ালাম। আমি: সবার স্যুইমিং কস্টিউম আছে? সবাই: হ্যাঁ আছে। আমি: গুড, পরে ১০ মিনিট পরে এসো। আমি ঘরে গিয়ে আমার নীল স্যুইমিং ট্র্যাঙ্ক পরে নীচে গেলাম। ১ মিনিটের মধ্যেই আমার টিমের ৭ জনই লাল স্যুইমিং কস্টিউম পরে এল। ভারী সুন্দর লাগছে সবাই কে। বেশ খানিকক্ষণ স্যুইমিং পুলের সাঁতার কাটলাম সবাই মিলে। প্রায় ঘন্টাখানেক জলে থেকে উঠে এলাম। তারপর ঘরে চলে গেলাম। আস্তে আস্তে দেখলাম আমার ফেয়ারীরা আমার সাথে নর্মাল হচ্ছে বা হওয়ার চেষ্টা করছে। সেদিন দুপুরে আমি বেরোলাম। আমার কিছু প্ল্যান ছিল। সেটাই করার জন্য। এটা অবশ্য আমার আগে থেকেই করা ছিল। আমি ফিরলাম ঠিক পাঁচটা। রমা: রনি এই এলে আমি: হ্যাঁ দিদি। ওদের থাকবার ঘর কোনটা করলে? রমা: বড় হলটা। আমি: বেশ চলো। এই হলটা বাড়ির সব থেকে বড়। দোতলাতেই। আমি যেতেই সবাই এলো। আমার সাথে দুটো ছেলে আছে। তারা আসছে। আমি আমার টিমের খেলোয়াড়দের বললাম ঘরে যেতে। হলের মধ্যে আমার প্ল্যান মতো আমি স্টিল বাঙ্কের শোবার খাট ফিট করালাম। বিদেশী খেলোয়াড়দের যে রকম দেওয়া হয়। নীচে একজন আর সিঁড়ি দিয়ে ওপরে একজন। আমি আর রমাদি ছিলাম। রমা: দারুন হয়েছে রনি। ছেলেদুটো চলে গেল। আমি: দিদি তুমি এই ঘরটা সবাইকে এনে দেখাও। রমাদি সবাইকে ডেকে আনল। সকলে দেখে তো অবাক। টোটাল চারটে ইউনিট। আটজনের। রত্না: স্যার তুমিও থাকবে? আমি: না। এটা আমার ফেয়ারীদের জন্য। ওরা নিজেরা ঠিক করে ফেলল। কে কোথায় থাকবে। সেদিন রাত নটায় সবাই শুয়ে পড়েছি। পরদিন পাঁচটা থেকে পুরোদমে প্র্যাকটিস। রাত এগারোটা হবে। ঘুমোচ্ছিলাম। হঠাৎ দরজায় ধাক্কা। : স্যার, স্যার। তাড়াতাড়ি উঠে দরজাটা খুলতেই দেখি লীনা। কিছু না পরেই শুয়েছিল সেই অবস্থায় এসেছে। একদম ল্যাংটো। আমি: কি হয়েছে? লীনা: একবার চলো। সুনীতা পড়ে গেছে। আমি: কি করে? লীনা: ওপর থেকে নামতে গিয়ে। হাফ প্যান্ট পরেই গেলাম। গিয়ে দেখি বাকিরা সকলেই ল্যাংটো। আমি: কোথায় ? লাবনী: এই যে স্যার। এখানে। তাড়াতাড়ি গিয়ে দেখলাম। চোট সেরকম নয়। পড়ে গিয়ে ভয় পেয়েছে বেশী। প্রিয়া: স্যার কি হবে? আমি: কিছু হবে না দাঁড়াও। একটা জিনিস ভালো লাগল টিমের একজনের জন্য অন্যরা ভাবছে। সুনীতার পা টা ধরে দেখলাম অল্প লেগেছে। সুনীতাকে দু হাতে কোলে তুলে একটাতে শোয়ালাম। লাবনী: স্যার, সুনীতা ঠিক হয়ে যাবে তো? আমি হাসলাম। আস্তে আস্তে মলম লাগিয়ে দিলাম ওর পায়ে। আমি: শুয়ে পড়ো সবাই। কাল ঠিক হয়ে যাবে। সুনীতা: স্যার আমি: হ্যাঁ। সুনীতা: আমি কাল খেলতে পারব? আমি: হ্যাঁ পারবে। সবাই দেখছে সুনীতার দিকে। আমি সুনীতার মুখটা ধরে কপালে ইচ্ছা করেই একটা চুমু খেলাম। সবাই অবাক হয়ে দেখল। আমি: গুড নাইট সকলে: গুড নাইট। সকলের চোখে একটু বিস্ময়।
Parent