স্বামী-স্ত্রী Roleplay ( ভাইবোন, বউমা-শশুর, বাবা-মেয়ে, মা-ছেলে) - অধ্যায় ১৬
বাবা- বুঝলে মা তোমার শাশুড়ির জন্য আমি খব্বর দেখতে পারি না তুমি আবার যুক্ত হলে আমাদের বাপ বেটার কি হবে।
কামনা- বাবা আমাদের সাথে দেখবেন বিজ্ঞাপনের সময় খবর দেখবেন।
আমি- সবার আগে খেয়ে উঠলাম বেসিনে গেলাম মুখ ধুতে তখন বাবার কথা শুনতে পেলাম।
বাবা- মাকে বলছে কি গো বৌমাকে জিজ্ঞেস করেছ আমাদের ছেলে ভালোবাসে তো ওকে।
মা- বলল তুমি বোঝ না ওদের কত প্রেম, কত তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে আর বলতে লাগে বা জিজ্ঞেস করা লাগে।
আমি- আমার পাশে দাঁড়ানো শুনলে তোমার ছেলের তাঁর মায়ের জন্য কত চিন্তা।
কামনা- হুম আমার ছেলে ভালো, এমন বাবা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। তুমি হাত ধুয়ে নাও আমি মায়ের সাথে সব ধুয়ে আসছি তারপর।
আমি- হুম দেখ কেমন দাড়িয়ে আছে ঢোকার জন্য।
কামনা- দেরী হবে মায়ের সাথে সিরিয়াল দেখবো তারপর তুমি গিয়ে শুয়ে পর ইচ্ছে করলে।
আমি- আচ্ছা বলে আমি চলে এলাম একটু বাইরে বাবা গিয়ে হাতমুখ ধুয়ে টিভির সামনে বসল, মা আর কামনা রান্না ঘরে বাসন ধুচ্ছে আর কথা বলছে।
মা- কামনাকে জিজ্ঞেস করল কি রে মা আমার ছেলে কেমন তোকে ভালোবাসে তো।
কামনা- হুম বলে আর কিছুই বলল না।
মা- তবে যা ঘরে যা শুনলাম তো তোকে তাড়াতাড়ি যেতে বলছে, ভালবাসিস আমার ছেলেটাকে। কিরে তোকে আনন্দ দিতে পারে তো।
কামনা- কি যে বলেন মা।
মা- দেখ আমার শাশুড়ি নেই যে তোকে জিজ্ঞেস করবে আর মেয়েও বিয়ে হয়ে গেছে আমাকে তুই সব বলবি কেমন। আমি তোর শাশুড়ি আমি তোর বন্ধু আমাকে কোন সমস্যা হলে বলবি।
কামনা- না মা সব ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই, ওকে পেয়ে আমি ধন্য মা আপনাকে এ নিয়ে চিন্তা করতে হবেনা।
আমি- জানলার পাশ থেকে মা আর কামনার কথা শুনছি।
মা- ঘরে গেলেই তোর শশুর আমাকে জিজ্ঞেস করে।
কামনা- হ্যা সে আমি বুঝি আজকে কিন্তু আমার ছেলেটাকে দুধ দিও বুঝলে।
মা- তোর ছেলেকে আমি দুধ দেব কেন তুই গিয়ে দে। আমি পারবো না ২৩/২৪ বছর ধরে অনেক দিয়েছি আর পারবো না।
কামনা- মা বাবা খুব জ্বালায় আপনাকে তাই না।
মা- আর বলিস না কিছু না করলেও চটকাবে ধরে আর কোন কাজ নেই যতক্ষণ জেগে থাকবে ততখন।
কামনা- সে তো আপনার ছেলেও, বাপের মতনই হয়েছে। একগাছ সুতো রাখতে দেয়না গায়ে। এই দশ দিনে সব ব্যাথা করে দিয়েছে।
মা- হেঁসে পাগলি মেয়ে তবে তুই সুখি তাইত।
কামনা- মা তোমার এই মেয়েকে কোন ভুল হলে ক্ষমা করে দিও আমাকে কখনো ভুল বোঝনা যেন। ভুল করলে শাসন করবে কিন্তু দুরে ঠেলে দেবেনা মা।
মা- পাগলি মেয়ে এই কদিনে আমাদের এই বুঝলি আমরা সব সময় আনন্দে থাকবো সবাই মিলে, তুই আমাদের ভুল বুঝবি না কেমন আমরা একসাথে থাকবো এইভাবে, মনের কথা বলব তুইও বলবি।
কামনা- আমার সোনা মা তুমি, যেমন বাবা তেমন তুমি মা, আমার কপাল এত ভালো কি জানি কি ভালো কাজ করেছি বলে তোমাদের মতন শশুর আর শাশুড়ি পেয়েছি।