স্বামী-স্ত্রী Roleplay ( ভাইবোন, বউমা-শশুর, বাবা-মেয়ে, মা-ছেলে) - অধ্যায় ১৯
এর মধ্যে বাড়ির ভেতর থেকে মায়ের গলা বাবা তুই কই গেলি বাড়িতে আয়।
আমি- মায়ের ডাক পেয়ে বাড়ির ভেতর গেলাম আর বললাম বল ডাকলে আমাকে।
মা- হ্যা আমাদের হয়ে গেছে তোর বাবা টিভি দেখছে তোকে দেখতে পাচ্ছি না তাই ডাকদিলাম। দেখ তোর বাবা রিমোট দিচ্ছেনা আমরা সিরিয়াল দেখবো।
বাবা- এই নাও রিমোট চল বাবা আমরা একটু বাইরে দিয়ে হেটে আসি। তোমরা শাশুড়ি বৌমা টিভি দেখ নাও বলে বাবা পায়ে চটি গলিয়ে আমাকে ডেকে নিয়ে রাস্তায় গেল। কিরে একা একা ঘুরছিলি কেন, যা বৌমাকে নিয়ে ঘরে যা।
আমি- না মা আর ও তো সিরিয়াল দেখবে তাই ঘরে গিয়ে কি করব। তাই একটু ঘোরা ঘুরি করতে ছিলাম।
বাবা- দেখেছিস শাশুড়ি বউমার কত মিল দুজন একসাথে কেমন মজে আছে। নারে মেয়েটা ভালো আমাদের সাথে মানাবে, তোর পছন্দ হয়েছ তো কিছুই তো এই কদিনে বলিস নি। বৌমা ঠিক আছে তো, বৌমাকে প্রথম যেদিন দেখি আমার খুব পছন্দ হয়েছে তাই আর পিছনের দিকে তাকাইনি, কেমন মেয়েরে সংসার তুই করবি কিন্তু পছন্দ করলাম আমি তোকে কিছুই জিজ্ঞেস করা হয়নি।
আমি- না বাবা এখনো পর্যন্ত ঠিক আছে তোমাদের সাথে মানিয়ে নিতে পারলেই হল।
বাবা- না পারবে না হলে এই কদিনে বোঝা যেত তোর মায়ের তো খুব পছন্দ, আমাকে যা বলেছে ভালো মেয়ে, মনে কথা চেপে রাখেনা না বুঝলি। কতসুন্দর আমাদের মতন ফিরি রাশভারী না বুঝলি। বাকিটা তুই বলতে পারবি। একদম আমার মায়ের মতন। ইয়ার্কি বোঝে। একদম রাগে না খুব ভালো লেগেছে আমার বৌমাকে।
আমি- সে তো আমি বুঝেছি তোমার খুব পছন্দ তাই না। আর দেখতেও ঠিক মায়ের মতন, তবে বাবা সত্যি বলব আমারও অপছন্দ না, আমাদের সাথে মিলে মিশে থাকতে পারবে।
বাবা- কোন মায়ের মতন বললি আমার মা না তোর মা।
আমি- না মানে ফিগার তো আমার মায়ের মতন আর দেখতে কিছুটা তোমার মায়ের মতন কি ঠিক বলেছি তো।
বাবা- হুম একদম ঠিক, সে জন্য আমি মা বলেই ডাকি বা ডাকবো। বাবা কটা বাজেরে।
আমি- কেন এইত সারে ৯ টা বাজে মাত্র।
বাবা- ঘুমাতে জাবিনা এখন।
আমি- হ্যা মা এবং ওদের সিরিয়াল দেখা শেষ হোক তারপর যাবো।
বাবা- কিরে বৌভাতের দিন যা এনেছিলি সব শেষ না আছে এখনো।
আমি- না সে আর থাকে আমার বন্ধু বান্ধব কেমন জানো তো সব রাতেই শেষ করে দিয়েছিল আমার জন্য একটুও রাখেনি হারামজাদারা। তোমার ইচ্ছে করছে নাকি খেতে।
বাবা- বৌমা জানে আমরা মাঝে মাঝে একটু আধটু খাই বলেছিস।
আমি- জানে জিজ্ঞেস করেছিল, আর আমার সাথে একদিন খাবে বলেছে। কিন্তু মাকে সামাল দেবে কি করে।
বাবা- আরে সমস্যা নেই সেও বলেছে যা করবে বাড়িতে বাইরে কারো সাথে না খেতে আমার তো ভয় ছিল বৌমাকে নিয়ে। যাক তবে মাঝে মাঝে একটু আধটু খাওয়া যাবে কি বলিস। তোর বন্ধুরা সেদিন খেয়েছিল আমার কি ইচ্ছে করছিল কিন্তু বাড়ি সব আত্বীয় স্বজন তাই সাহস করিনি কি ভাববে সবাই।
আমি- ভালো করেছ খেলে দোষ নেই জানলে দোষ পরে একদিন ব্যবস্থা করব।
বাবা- তোর মা বলছি তোরা হানিমুনে জাবিনা। কিরে যাবি নাকি যা না বৌমাকে নিয়ে ঘুরে আয় কয়দিনের জন্য। পুকুর ঝিলের মাছ ধরতে তো দেরী আছে এই ফাঁকে যা বৌমাকে নিয়ে ঘুরে আয়।
আমি- সে তো তোমার বৌমা বলেছি কিন্তু বলেছি কয়দিন পরে এখন অনেক টাকা খরচা হয়ে গেছে।
বাবা- বৌমা রাগ করেনি এই কথা শুনে।
আমি- না বলেছে ঠিক আছে পরেই যাবো।
বাবা- দেখেছিস কত ভালো আমার বৌমা।
আমি- হুম কাল রাতে বলেছে গেলে বাবা মাকে সঙ্গে নিয়ে যাবো, মা যাদু করে ফেলেছে বৌমাকে বুঝলে। ১০ টা কথা বললে বাবা মায়ের কথা বলে পাঁচটা, সে ওর না আমার বাবা মার কথা।
বাবা- দেখেছিস আমার পছন্দ এইভাবে দেখে আনতে হয়। এইভাবে যেন আমাদের আপন করে রাখে।
আমি- তোমরা আপন করেছ বলে সেও আপন করে নিয়েছে, আমার মনে হয় আমরা ভালবাসা দিলে আর আপন হবে।
বাবা- হ্যারে মেয়েরা হচ্ছে তরল পদার্থের মতন যে পাত্রে রাখা হবে সেই পাত্রের আকার ধারন করবে, আমাদের বৌমাকে আমাদের মতন করে নিতে হবে।
আমি- বাবা আমিও তাই চাই ওকে আমাদের মনের মতন করে নিতে হবে।
এর মধ্যে বাড়ি থেকে মায়ের ফোন কি গো তোমরা কই গেলে বাড়ি আস আমরা টিভি দেখবো বলে তোমরা বাইরে থাকবে। আমি উত্তর দিলাম আসছি আমি আর বাবা গল্প করছিলাম। মা হ্যা বাড়ি আয় ঘুমাবি না বৌমা বসে আছে তোর বাবা কই। আমি এইত আসছি বলে দুজনে বাড়ির ভেতর গেলাম।
মা টিভি বন্ধ করে বলল যাই এবার গিয়ে ঘুমাই আর তোরাও যা ঘুমাতে।
আমরা দুজনে আমাদের ঘরে গেলাম দরজা বন্ধ করে বিছানায় উঠলাম। পাশা পাশি দুজনে কাত হয়ে শুয়ে পড়লাম।
কামনা- কি কোথায় ছিলে এতখন।
আমি- এই বাবার সাথে কথা বলছিলাম। মাছ কি করে কি করব এইসব আর তোমরা।
কামনা- ওই সিরিয়াল দেখছিলাম আর মায়ের সাথে কথা বলছিলাম।
আমি- শাশুড়ি বৌমা বেশ আছ তো মনে হয় মায়ের সাথে তোমার কোন অসবিধা হয়নি তো থাকতে।
কামনা- কি যে বলে মায়ের মতন মা আর একটাও নেই আমার কপ্লা ভালো এমন শাশুড়ি পেয়েছি একদম বন্ধুর মতন।
আমি- কামনাকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে মুখে একটা চুমু দিয়ে যাক সব বাড়িতে যা হয় তাঁর থেকে রেহাই পেলাম শাশুড়ি বৌমা মিলতে তো পেরেছ। বাড়ি ফিরলে কানের কাছে ঘুসুর ফুসুর তো করবেনা মা এই করেছে ওই করেছে।
কামনা- না গো সে সমস্যা হবেনা মা আর আমি এক আছি আমারা একদম বান্ধবী হয়ে গেছি। কত কিছু শেয়ার করলাম আজকে আমরা।