স্বামীর চাকরি বাঁচাতে গিয়ে হলো নববধূর সর্বনাশ - অধ্যায় ৪

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-70775-post-6059280.html#pid6059280

🕰️ Posted on October 18, 2025 by ✍️ Subha@007 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 930 words / 4 min read

Parent
                                        পর্ব -৪                ষষ্ঠ অধ্যায় - বিয়ের আগে প্রথম ডেটিং তারিখ :- ২৫ শে জুন, ২০২৪ মঙ্গলবার সময় :- বিকাল ৬ টা আজ আদিত্য আর মধুশ্রী একটা কফি শপে এসেছে। দুটো কফি অর্ডার করে ওরা দুজন টেবিলের দুইপ্রান্তে দুটো চেয়ারে বসে আছে। একে ওপরের থেকে যেন চোখ ফেরাতে পারছে না। অনেক প্রেমের গল্প চলছে দুজনের মধ্যে। হঠাৎ আদিত্য বললো, “তোমায় নিয়ে বিয়ের সব কেনাকাটা করতে বেরোবো।” মধুশ্রী বললো, “তোমরাই তো কিনে নিতে পারো। আমাকে আবার যেতে হবে??” আদিত্য বললো, “না তোমার জিনিস তোমাকেই পছন্দ করতে হবে।” মধুশ্রী বললো, “আচ্ছা ঠিকাছে তাই হবে।” এরপর আদিত্য আর মধুশ্রী একে অন্যের দিকে তাকিয়ে কফির কাপে চুমুক দিতে থাকলো। বিভিন্ন কথা বার্তা হলো দুজনের মধ্যে। একঘন্টা পর বেরিয়েও গেল দুজনে ওই কফি শপ থেকে। বাইরে বেরিয়ে আদিত্য মধুশ্রীর হাতটা ধরলো আর দুজনে হাত ধরে হাঁটতে লাগলো। মধুশ্রী ওর মাথাটা আদিত্যর কাঁধে রেখেছে। তারপর আধঘন্টা দুজনে একটু ঘোরাঘুরি করে বাড়ি ফিরে গেল। আদিত্য মধুশ্রীকে ওর বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। ওই দিনেই রাতে মধুশ্রী আদিত্যকে ফোন করলো। মধুশ্রী আদিত্যকে জিজ্ঞাসা করলো, “আদিত্য আজ তুমি আমাকে একা পেয়েও একটা কিস পর্যন্ত করলে না??” আদিত্য বললো, “আমি চাইলেই করতে পারতাম কিন্তু আমি যা করার বিয়ের পরই করবো। মধুশ্রী বললো, “জানো আদিত্য এই জন্যই আমার তোমাকে আমার এতো ভালো লাগে। তুমি খুব ভালো।” আদিত্য বললো, “তুমিও ভীষণ ভালো। শোনো না যেদিন বিয়ের কেনাকাটা করতে যাবো সেদিন তোমায় বলবো। তুমি সেদিন আমাদের সাথে আসবে।” মধুশ্রী বললো, “ঠিকাছে বাবা যাবো তো। চলো অনেক রাত হয়েছে, এখন ঘুমাও।” আদিত্য বললো, “হ্যাঁ, গুড নাইট, রাখলাম।” মধুশ্রীও বললো, “হ্যাঁ রাখো, গুড নাইট, বাই।”                 সপ্তম অধ্যায় :- আবার নৃশংস হত্যা তারিখ :- ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ শুক্রবার সময় :- রাত ১১ টা এবার খুন কলকাতার বেহালা অঞ্চলে। এবার খুন হলেন কলকাতা হাই কোর্টের এক সনামধন্য অ্যাডভোকেট। উনি অবিবাহিত। বয়স ওই ৪০ বছরেরই কাছাকাছি। হয়তো ৩৯ বছর বয়স হবে। মাত্র এক সপ্তাহের গ্যাপে আরেকটা খুন হয়ে গেল। ভিক্টিমের বাড়ির সামনে প্রচুর মানুষের ভিড়। লোকাল থানার ওসি মিস্টার দাস এসেছেন। ক্রাইম ব্রাঞ্চ এ খবর যাওয়ায় ইন্সপেক্টর সমাদ্দার তার দলবল নিয়ে চলে আসেন। দেখা যায় এক জন নামকরা উকিলের মৃতদেহ। তবে এবারের খুনটা নৃশংস হলেও একটু অন্য রকম। তবে হ্যাঁ এক্ষেত্রে কয়েকটা কমন জিনিস আছে। যেমন সেই দেওয়ালে রক্ত দিয়ে লেখা রয়েছে ‘প্রথম রিপু’, এবং চারটে গোল চিহ্ন এঁকে তার মধ্যে দুটোকে ক্রস করে দিয়েছে। পুরুষাঙ্গ কাঁটা হয়েছে ধারালো ছুঁড়ি দিয়ে এবং যতদূর সম্ভবত এই ভিক্টিমের ওপরেও খুনি তার বক্সিং এবং মার্শাল আর্ট এর স্কিল দেখিয়েছে। তবে এখানে খুনির শরীরকে খন্ড বিখন্ড করা হয় নি বা খুনির দেহের ওপরে ক্রস মার্ক এর মতো কাটাও হয়নি। বরং নাইন এম এম পিস্তল দিয়ে গোটা শরীরটাকে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাইরে প্রতিবেশীদের থেকে জানা গেছে যে কোনো গুলি চলার আওয়াজ পাওয়া যায় নি। তবে সেটা ঘরের ভিতরে চলা মিউসিক সিস্টেমের জন্যও হতে পারে আবার এমনও হতে পারে যে খুনি পিস্তলে সাইলেন্সার ব্যবহার করেছে। ইনভেস্টিগেশনে নেমেও বিশেষ কিছুই উদ্ধার করতে পারলো না পুলিশ। ভিক্টিমের বাড়িতে সেদিন ভিক্টিম ছাড়া অন্য কেউ ছিলও না। তাই খুনির আরো সহজ হয়েছে খুন করতে। তবে প্রতিবেশীদের থেকে পুলিশ জানতে পারে। একটা গাড়িতে করে একটা বিবাহিত মেয়েকে নিয়ে এসেছিলো একটা মাঝবয়স্ক লোক। ভিক্টিম খুন হবার খবর পেতেই তারা আর দাঁড়ায় নি। সোজা গাড়ি ইউ টার্ন মেরে ব্যাক করে গেছে। তবে এই বিষয়টা সন্দেহ জনক লাগায় একজন প্রতিবেশী ওই গাড়ির নম্বরটা নোট করেছিলো। সে পুলিশকে সেটাই দিয়ে দেয়। পুলিশ গোটা বাড়িটা সিল করে এবং ভিক্টিমের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়। আবার একটা হাই প্রোফাইল মানুষ খুন হলো। এই খুনের নেপথ্যে কে রয়েছে?? একজন নাকি একের অধিক?? পুলিশের কাছে সবই ধোঁয়াশা। তবুও তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।                  অষ্টম অধ্যায় :- বিয়ের কেনাকাটা তারিখ :- ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ শনিবার সময় :- দুপুর ২ টো আজ আদিত্য আর মধুশ্রীর পরিবার কলকাতায় বিয়ের কেনাকাটা করতে এসেছে একসাথে। মধুশ্রী বিয়ের দিন একটা রেড কালারের দামী বেনারসী শাড়ি আর বৌভাতের দিনের জন্য একটা রেড কালারের দামী লেহেঙ্গা কিনলো। আদিত্য বিয়ের দিনের জন্য একটা পাঞ্জাবী, ধুতি আর বৌভাতের দিনের জন্য একটা রয়্যাল ব্লু কালারের শেরোয়ানি আর গোল্ডেন কালারের চুড়ি প্যান্ট কিনলো। এছাড়া দুজনে জুতো কিনলো। আরো বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করলো। সবার জন্য শাড়ি, জামাকাপড় কেনা হলো। মধুশ্রীর কেনাকাটাই সব চাইতে বেশি। তারপর সবাই মিলে একজায়গায় খাওয়াদাওয়া করলো। তারপর দুই পরিবারের সবাই নিজের বাড়ি চলে গেল।      নবম অধ্যায় :- দ্বিতীয় খুনের ময়না তদন্তের রিপোর্ট তারিখ :- ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ সোমবার সময় :- সকাল ১১ টা ফরেনসিক ডাক্তার মিস্টার মিত্র ইন্সপেক্টর সমাদ্দারকে বললেন, “এইক্ষেত্রে খুনি প্যাটার্নটা একটু ব্রেক করেছে তবে এই হত্যাটাও খুবই নৃশংস। ভিক্টিমকে বক্সিং আর মার্শাল আর্ট এর সাহায্যে ধরাশায়ী করার পর খুনি প্রথমে ধারালো ছুঁড়ি দিয়ে ভিক্টিমের পুরুষাঙ্গ কেটেছে আর তারপর নাইন এম এম পিস্তল দিয়ে খুব ক্লোস রেঞ্জ থেকে মোট ২৪ টা গুলি করেছে ভিক্টিমের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে। পিস্তলের দুটো ম্যাগাজিন খালি করে দিয়েছে খুনি। আমি শুধু ভাবছি ঠিক কতটা রাগ থাকলে এরম ভাবে খুন করা যায় কাউকে।” ইন্সপেক্টর সমাদ্দার ডক্টর মিত্রকে বললেন, “আর একটা যদি খুন হয় আমাকে মনে হয় এই কেস থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এখনো দুটো খুন হবে বুঝলেন। এই দুটো খুনের মধ্যে একটা যোগসূত্র আছে এটা তো সিওর। দুজন ভিক্টিমই পরস্পরকে চিনতো। তবে এদের ভিতর চ্যানেল টা ঠিক কি সেটাই আমায় বের করতে হবে। আমার সামনে এখন দুটো কাজ আছে। এক নম্বর হলো ওই গাড়িটা করে কে এসেছিলো ২৭ তারিখ রাতে সেটা বের করতে হবে। যদিও এটা আমি বের করতে লোক পাঠিয়ে দিয়েছি আর দু নম্বর হলো প্রথম ভিক্টিমের যে বন্ধু ছিল সে কি এই দ্বিতীয় ভিক্টিমকে চেনে?? দেখা যাক কতটা কি করা যায়। আমার মনে হয় খুনি কোনো বড়ো অপরাধীকেই শাস্তি দিচ্ছে। আর একটা জিনিস লক্ষ্য করুন সবাই হাই প্রোফাইল মানুষ।” ডক্টর মিত্র ইন্সপেক্টর সমাদ্দারকে বললেন, “অল দা বেস্ট ইন্সপেক্টর। আমি আশা করছি আপনি খুনিকে ধরতে পারবেন। তবে খুনির ব্রেন ভীষণ শার্প, না কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে আর না কোনো প্রুফ বা উইটনেস।” ইন্সপেক্টর সমাদ্দার ডক্টর মিত্রকে বললেন, “একদম ঠিক বলেছেন ডক্টর মিত্র।”
Parent