মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ১৭

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73963-post-6232588.html#pid6232588

🕰️ Posted on June 5, 2026 by ✍️ mabonerswami312 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 646 words / 3 min read

Parent
এর মধ্যে আমার এক বন্ধু আরে বিজয় এসেছিস, কাকিমা নমস্কার কাকা আসেনি। মা- না আমি আর বিজয় এসেছি, তোমার কে কে এসেছে। সমীর- হ্যা মা বাবা এসেছে ওইত চলেন আলাপ করিয়ে দেই। আমরা গেলাম ওদের সাথে কথা বলতে সমীরের বাবা মা কাকু কাকিমাকে নমস্কার দিলাম। মায়ের সাথে পরিচয় হল। সমীরের মা আমার মায়ের থেকে কোন দিক দিয়ে কম না আর সেজেছে তেমন। আমি- মা তবে তুমি আর কাকিমা কথা বল আমি আর সমীর ঘুরে আসছি। মা- আচ্ছা। আমি আর সমীর গেলাম সব ঘুরে দেখতে, সমীর বাইরে গিয়ে সিগারেট খেল আমাকে দিল কিন্তু আমি খাইনা বলতে বলল ভালো ছেলে ঠিক আছে। এর পর সমীরের সাথে অনেক গল্প করলাম। প্রায় এক ঘণ্টা ঘুরে আবার মায়ের কাছে এলাম। মা ও কাকিমা গল্প করছিল।   কাকিমা- এই বিজয় আমাদের বাড়ি এলেনা কেন আগে তো যেতে। আমি- কাকিমা কি করব বাড়ি ফিরে মাকে একটু সময় দেই বাবা তো কিছুই করেনা আমাকে করতে হয়, যাবো একদিন। কাকিমা- এস কিন্তু, এ পাড়ায় তুমি আর সমীর ছাড়া ভালো ছেলে কে আছে বল সব তো বকলমে। তোমারা দুই বন্ধু মিলে মিশে থাকবে। আমি- আচ্ছা কাকিমা রাত অনেক হল খেতে বসবেন কি। মা- মেয়ের পক্ষ এসেছে অনেক দুর থেকে ওদের হয়ে যাক তারপরে আমরা বসব। আমি- তবে কি এখানে বসবে নাকি একটু ঘুরে আসবে। মা- কোথায় আমি- চল হাইরোডে যাই এদিকে তো আসনা তুমি। মা- চলেন দিদি ঘুরে আসি। কাকিমা- না এখন যাবনা। তোমার কাকু কোথায় গেল, এই সমীর দ্যাখ তো তোর বাবা কোথায় গেল। আমি- চল মা একটু ঘুরে আসি। মা- চল বলে দুজনে বের হলাম। মা আমাকে বসিয়ে রেখে কোথায় গেছিলি। আমি- এইত পাশেই সমীরের সাথে ছিলাম। মা- না বাইরে এসে ভালো লাগছে ভেতরে গুমোট গরম লাগছিল। আমি- মায়ের হাত ধরে মা রাগ করনা বন্ধু ডাকল তাই না গিয়ে পাড়লাম না। মা- আমার হাত ধরে  ঠিক আছে সোনা। সমীরের মা অনেক ভাল ওরা তো অনেক বড় লোক তাই না। আমি- হুম বল বসে ছিলে কেউ কিছু বলেছে। মা- না তবে ছেলেগুলো আশ পাশ দিয়ে ঘুর ঘুর করছিলো। আমি- করবেনা বলেছিলাম না সব তোমাকে দেখছিল। মা- আমাকে দেখে কি করবে। আর কিই বা দেখবে। আমি- কেন আমার পুষ্টিকর খাদ্য ছোট বেলা যা খেয়ে বড় হয়েছি। মা- দুষ্ট ছোট বেলা কি জালান জালিয়েছিস আমাকে একটু পর পর কান্না মুখে না দিলে থামতিনা। আমি- মা কি বলো আমার লজ্জা করে শুনতে সত্যি আমি এমন ছিলাম। মা- আমি কি মিথ্যে বলছি, তবে তোর দিদি তোকে খুব ভালবাসত, সব সময় তোকে কোলে নিত, পারতনা নাদিস নাদুস ছিলি তো সব সময় ভাই ভাই করত। আমি- দিদি তো আমাকে এখনো কত ভালবাসে, জামাইবাবুটা কেমন আমাদের সইতে পারেনা, চাকরি করে বুরো একটা, কেন ওর কাছে দিদিকে বিয়ে দিলে।দিদিকে কতদিন দেখিনা, তুমি দেখেছ দিদিকে। মা- নারে এমনি ভালো তোর বাবার জন্য আসেনা, তার একটা সম্মান আছে না, শ্বশুর মাতাল পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করে। কিন্তু তোর দিদিকে ভালই রেখেছে, এখন দেখতে আমার মতন হয়ে গেছে এখন আর আগের মতন নেই বেশ মোটা হয়ে গেছে, হবেনা কাজ করেনা বসে বসে খায় আর ছেলে নিয়ে থাকে, জামাইটা অফিস যায় ফেরে অনেক রাতে। আমি- মা আমি চাকরিটা পাই দেখবে তখন কি করে। জামাইবাবুর বয়স অনেক দিদির ডবল বল। মা- হ্যা এই ৪২/ ৪৩ হবে। আমি- প্রায় তোমার সম বয়সী হবে। মা- সে হোক একটু বয়স বেশী হলে বউকে বেশী ভালবাসে বুঝলি। আমি- সে বুঝলাম বাবাও তো তোমাকে অনেক ভালবাসে কিন্তু তাও দেখি তোমাদের মধ্যে মিল নেই। মা- তোর বাবা ভালবাসে না ছাই, জামাই তোর দিদিকে প্রতি কালীপূজায় কিছু না কিছু সোনার জিনিস কিনে দেয় তোর বাবা তো উলটো আমার কাছে চায়। এটাই তোর বাবা আর আমার জামাইয়ের মধ্যে পার্থক্য, জামাই তার বউর খোঁজ রাখে যত্ন করে তোর বাবা আমাকে শুধু খাটায়, পারে না কিছুই। আমার সব আশা ভরসা তুই। আমি- মায়ের হাত ধরে মা আমাকে নিয়ে তোমার ভয় হয় নাকি। মা- সে না কিন্তু তুই তো তোর বাবার ঔরসে জন্মেছিস সেই যা ভয়। বংশের একটা ধারা থাকে। আমি- মা তুমি কোনদিন ওইসব চিন্তা করবেনা, আমি তোমার জন্য সব করব, যদি মানুষ খুন করতে বল তাও করব কিন্তু আমাকে বাবার সাথে তুলনা করবে না, আমি তো তোমারও ছেলে।
Parent