রাহুলের বন্ধু রোহন ও তার মা - অধ্যায় ১৭

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-69900-post-6224984.html#pid6224984

🕰️ Posted on May 30, 2026 by ✍️ magicianshuvo (Profile)

🏷️ Tags: None
📖 412 words / 2 min read

Parent
সন্ধ্যা সাতটা বেজে গেছে। বাইরে আকাশ গাঢ় কমলা থেকে গাঢ় নীল হয়ে এসেছে। রোহন তার ঘরে বসে ল্যাপটপে কিছু অ্যাসাইনমেন্ট করছিল। বাইরের ঘর থেকে টিভির আওয়াজ আসছিল — সুজাতা খবর দেখছে। হঠাৎ সুজাতার ফোন বেজে উঠল। রোহন কান খাড়া করল। সুজাতা ফোনটা ধরে নরম গলায় কথা বলতে শুরু করল। “হ্যাঁ… হ্যাঁ… ঠিক আছে… কখন আসবে বলো?” রোহন উঠে দরজার কাছে এসে দাঁড়াল। সুজাতা তার দিকে তাকিয়ে চোখের ইশারায় বলল — “তোর বাবা”। ফোন রেখে সুজাতা একটু চিন্তিত মুখে বলল, “বাবা আজ রাতেই ফিরছে। ট্রেনটা আগে ছাড়ছে। রাত দশটা নাগাদ বাড়ি পৌঁছাবে।” রোহনের ভুরু কুঁচকে গেল। “আজকে? কালকে তো বলেছিল পরশু ফিরবে।” সুজাতা কাঁধ ঝাঁকাল, “হঠাৎ প্ল্যান চেঞ্জ করেছে।” ঠিক তখনই দরজায় আলতো করে নক হলো। সুজাতা দরজা খুলতেই রিনা আন্টি ভিতরে ঢুকে পড়ল। তার মুখে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা আর ভয় মেশানো। “সুজাতা… শোন। আমি একটা সমস্যায় পড়েছি।” রিনা আন্টি ফিসফিস করে বলল। তিনজনে বসার ঘরে বসল। রিনা আন্টি চারপাশ দেখে নিয়ে নিচু গলায় বলল, “আজ বিকেলে আমার এক দূর সম্পর্কের আত্মীয় এসেছিল। সে বলল, গতকাল রাতে সে আমাদের ফ্ল্যাটের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। তখন নাকি তোদের ঘর থেকে খুব চিৎকার আর… অদ্ভুত আওয়াজ শুনেছে। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করছিল — ‘রিনা, তোমার পাশের ফ্ল্যাটে কি কেউ অসুস্থ নাকি? না কি অন্য কিছু?’” সুজাতার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। রোহনও চুপ করে রইল। রিনা আন্টি আরও বলল, “আমি অনেক কষ্টে ঘুরিয়ে কথা বলে তাকে বিদায় করেছি। কিন্তু… সে খুব সন্দেহজনক চোখে তাকাচ্ছিল। আর সবচেয়ে বড় কথা — সে তোমার বাবাকে চেনে। যদি কিছু বলে দেয়?” ঘরের মধ্যে একটা অস্বস্তিকর নীরবতা নেমে এল। সুজাতা উদ্বিগ্ন গলায় বলল, “এখন কী করব? বাবা তো আজ রাতেই আসছে। যদি কেউ কিছু আঁচ করে…” রিনা আন্টি রোহনের দিকে তাকিয়ে বলল, “রোহন, তুই একটু সাবধানে থাক। আর… আমারও ভয় লাগছে। যদি কেউ জানতে পারে যে আমিও গতকাল রাতে তোদের সাথে ছিলাম…” ঠিক তখনই রোহনের ফোন বেজে উঠল। স্ক্রিনে নাম — রাহুল। রোহন ফোনটা ধরল। রাহুলের গলা উত্তেজিত শোনাল: “দোস্ত, শোন। আজ বিকেলে তোর মায়ের কাছে গিয়েছিলাম। খুব মজা হয়েছে। কিন্তু এখন একটা সমস্যা হয়েছে। আমার বাড়িতে কেউ জেনে গেছে যে আমি তোদের ফ্ল্যাটে যাই। আর সে নাকি গতকাল রাতেও অনেক আওয়াজ শুনেছে। আমি কী বলব ভাবছি…” রোহনের হাত ঠান্ডা হয়ে গেল। সুজাতা আর রিনা আন্টি দুজনেই তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। বাইরে লিফটের আওয়াজ শোনা গেল। কেউ যেন উপরে উঠছে। রাত তখন সাড়ে আটটা। বাবা আসতে এখনও দেড় ঘণ্টা বাকি। কিন্তু বাড়ির বাইরে থেকে কেউ একটা অস্বাভাবিক পায়ের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে — যেন কেউ দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। রোহন ফিসফিস করে বলল, “মা… দরজায় কেউ আছে মনে হয়।” সুজাতার মুখ শুকিয়ে গেল।
Parent